A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রের জনগণ…’ রাজশাহী কলেজ ২০২৬ – মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য🔢 সৃজনশীল নং ১৩০🏢 প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘ক’ রাষ্ট্রের জনগণ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি ও বেকারত্ব দূরীকরণ ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকার সংরক্ষণ করে। ফলে মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও জীবনে পূর্ণতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Law is the passionless reason- উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটলের।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মূল্যবোধ এমন একটি মানদণ্ড যা ভালো-মন্দ নির্ধারণের মাধ্যমে মানুষের আচরণকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
সমাজকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য উপাদান হলো মূল্যবোধ। মানুষের সামাজিক সম্পর্ক ও আচার-আচরণ প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য সব সমাজেই বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ প্রচলিত থাকে। এ সব বিধিনিষেধ অর্থাৎ ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক, কাঙ্ক্ষিত-অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় সম্পর্কে সমাজের সদস্যদের যে ধারণা ও বিশ্বাস তাই হলো মূল্যবোধ। মূল্যবোধকে সামাজিক, রাজনৈতিক, নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিকরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা উপভোগ করছেন।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী জীবিকা নির্বাহের উপযুক্ত পরিবেশ এবং দৈনন্দিন অভাব ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তিকে বোঝায়। ব্রিটিশ রাজনৈতিক তাত্ত্বিক হ্যারল্ড জোসেফ লাস্কির মতে, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে প্রতিনিয়ত বেকারত্বের আশঙ্কা ও আগামীকালের অভাব থেকে মুক্তি এবং দৈনিক জীবিকা অর্জনের সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়। যোগ্যতা ও ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ পাওয়া, ন্যায্য মজুরি লাভ এবং অভাবমুক্ত জীবনযাপন অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।

উদ্দীপকের রাষ্ট্রের সরকার জনগণের জন্য যথাযথ কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। এর ফলে নাগরিকদের মধ্যে অভাব ও বেকারত্বের ভয় দূর হয়েছে এবং তাদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক স্বাধীনতার প্রধান বৈশিষ্ট্য, তাই বলা যায় উদ্দীপকের 'ক' নাগরিকরা এই স্বাধীনতাই ভোগ করছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত স্বাধীনতা অর্থাৎ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলে।

রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলতে রাষ্ট্রের শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করার অধিকারকে বোঝায়, যেমন- ভোটাধিকার লাভ, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া বা সরকারের সমালোচনা করা। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হলো অভাব ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি এবং জীবিকা নির্বাহের নিশ্চয়তা। রাজনৈতিক স্বাধীনতা তখনই কার্যকর হয় যখন নাগরিকের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত থাকে।

উদ্দীপকের রাষ্ট্রে কর্মসংস্থান ও ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার ফলে নাগরিকদের মধ্যে আত্মমর্যাদা ও মানবিক গুণাবলি বিকশিত হয়েছে। এই অর্থনৈতিক সচ্ছলতা তাদের রাজনৈতিক বিষয়ে সচেতন হতে সাহায্য করে। একজন অভাবী বা ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে রাজনৈতিক অধিকারের চেয়ে অন্নের সংস্থান বড় হয়ে দাড়ায়। অর্থনৈতিকভাবে পরাধীন থাকলে নাগরিকরা অনেক সময় প্রলোভনে পড়ে বা চাপের মুখে ভুল প্রতিনিধি নির্বাচন করে, যা রাজনৈতিক স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

পরিশেষে বলা যায়, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল নাগরিকই নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং রাষ্ট্রের শাসনকার্যে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারেন। সুতরাং, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমেই রাজনৈতিক স্বাধীনতা প্রকৃত অর্থে সার্থক ও ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রের জনগণ…’ রাজশাহী কলেজ ২০২৬ – মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”