| ㅤ | A. Nayan16 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রের সরকারের…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ – সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)

‘ক’ রাষ্ট্রের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন ছাড়াও বিভিন্নভাবে অপর একটি অঙ্গের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। বিভিন্ন সাংবিধানিক সংস্থার বার্ষিক রিপোর্ট নিয়ে বিতর্ক করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৭
সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতিমালা সংবলিত সর্বোচ্চ দলিল।
সরকারের আয়-ব্যয় সংবলিত বিলই হলো অর্থবিল। রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত সংসদে কোনো বিলই উত্থাপন করা যায় না। প্রত্যেক অর্থবছরের শুরুতেই উক্ত বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব সংবলিত বাজেটের খসড়া অর্থমন্ত্রীর দ্বারা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের মাধ্যমে করারোপ করা হয় এবং বার্ষিক ব্যয়ের অনুমোদনও জাতীয় সংসদের এখতিয়ারভুক্ত।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'ক' প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ। কেননা 'ক' রাষ্ট্রের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে, যা আইন বিভাগকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম হলো আইনসভা বা জাতীয় সংসদ। এটি একটি এককবিশিষ্ট আইনসভা। এর সদস্য সংখ্যা ৩৫০ যার ৩০০টি আসন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এবং বাকি . ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তারা নির্বাচিত সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। তবে মহিলারা সংরক্ষিত আসন ব্যতীত সাধারণ আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হতে পারবেন। জাতীয় সংসদের নেতা সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া জাতীয় সংসদে একজন স্পিকার, একজন ডেপুটি স্পিকার এবং হুইপ থাকেন। সংসদের মেয়াদকাল হয় পাঁচ বছর।
উদ্দীপকে বর্ণিত বিভাগটি তথা আইন বিভাগ শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশে বর্তমানে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। এ ব্যবস্থায় আইন বিভাগ তথা আইনসভা শাসন বিভাগকে বা মন্ত্রিসভাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। মন্ত্রিসভা একক বা যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। আইনসভায় যদি মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হয় তাহলে মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়। মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, 'আইনসভার বিভিন্ন কমিটি ও আইনসভায় আলোচনার মাধ্যমে আইন বিভাগ শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। এক্ষেত্রে বিরোধীদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইন বিভাগ শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।