A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রটি বিশ্বের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘ক’ রাষ্ট্রটি বিশ্বের মানচিত্রে নতুন হলেও জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে। দুর্নীতি বিরোধী কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সংস্কারের মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করছে। এসবের মাধ্যমে রাষ্ট্রটি এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Civics শব্দটির উৎপত্তিগত অর্থ হলো নগররাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের আচরণ ও কার্যাবলি সংক্রান্ত বিজ্ঞান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিজের কাজের জন্য অন্য ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যাদানের বাধ্যবাধকতাই জবাবদিহিতা ।

জবাবদিহিতা সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ব্যক্তি যখন তার কাজটি কী উদ্দেশ্যে বা কীভাবে করা হয়েছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়, তখন তাকে জবাবদিহি করা বলে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আর্থিক সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী জনগণ সংগঠনের সংশ্লিষ্টদের কাছে তাদের কাজের জন্য কমবেশি দায়বদ্ধ। সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতি কমবে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পাবে, সর্বোপরি জনকল্যাণ নিশ্চিত হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি আমার পঠিত সুশাসনের ধারণাকে নির্দেশ করে।

যে শাসনব্যবস্থায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা, বৈধতা, স্বচ্ছতা ও সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে তাকে সুশাসন বলে। সাধারণভাবে সুশাসন অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবাদিহিতা সম্পন্ন সামাজিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণমানুষের ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা।

উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রটি নতুন হলেও জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্রপরিচালনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে। দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সংস্কারের মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করছে। এসব বিষয় ‘ক' রাষ্ট্রটিতে সুশাসনের উপস্থিতিকে নির্দেশ করে। কেননা সুশাসন নিশ্চিত হলেই সরকার জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দুর্নীতি নিমূর্ল করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে । তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিষয়টি সুশাসনকে নির্দেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উক্ত ধারণা তথা সুশাসনের বাস্তবায়ন বিভিন্নভাবে রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। 

সুশাসন হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত শাসনব্যবস্থা। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে সুশাসন রাষ্ট্র পরিচালনার একটি উত্তম ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। যে দেশে সুশাসনের কাঠামো যত মজবুত, সেখানে সমৃদ্ধি তত বেশি। 

উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেই বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। বস্তুত দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। কেননা সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ছাড়া সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সুশাসনের ফলে সমাজ থেকে দারিদ্র্য নির্মূল করা সম্ভব হয়। সুশাসনের ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয় । সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে আইনের শাসন নিশ্চিত হয়। রাজনীতিতে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায় এবং জনমতের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হয় বলে সবাই রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে পারে। তাছাড়া বর্তমান সুশাসনের ধারণাটি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য প্রণীত হয়েছিল। অর্থাৎ সুশাসনের উৎপত্তির সাথেই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে শিল্পের অগ্রগতি সাধিত হয়। পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাস পায়, জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং রাষ্ট্র অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করে। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, সুশাসন কোনো দেশে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল চালিকা শক্তির মতো কাজ করে। তাই বলা যায়, সুশাসনের বাস্তবায়ন রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রটি বিশ্বের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”