| ㅤ | A. Nayan16 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘’ক’ রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)

‘ক’ রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা লাভের পর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৯
ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হাজী শরীয়তউল্লাহ।
জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন অত্যন্ত সম্মানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তিনি সংসদের সভাপতি। একজন স্পিকার বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার সংসদের বৈঠক স্থগিত এবং বন্ধ রাখতে পারেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তিনি কোনো সংসদ সদস্যকে সতর্ক কিংবা বহিষ্কার করতে পারেন। স্পিকার নির্বাচিত সংসদের শপথবাক্য পাঠ করানোসহ বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
উদ্দীপকে 'ক' সংস্থাটি দ্বারা জাতিসংঘকে বোঝানো হয়েছে।
কেননা জাতিসংঘ এমন একটি সংস্থা যার একটি নিরাপত্তা পরিষদ ও একটি সাধারণ পরিষদ রয়েছে এবং সকল শান্তিকামী স্বাধীন রাষ্ট্র এ সংস্থার সদস্য হতে পারে। বিশ্বশান্তি রক্ষায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
নিচে জাতিসংঘের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আলোচনা করা হলো-
১. শান্তি ভঙ্গের হুমকি এবং আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. সব মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা।
৩. অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সব জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা।
৫. আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা।
৬. প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি সমুন্নত রাখা।
উদ্দীপকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত সংস্থা জাতিসংঘকে বোঝানো হয়েছে। সংগঠনটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের অন্যতম সদস্য। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। জাতিসংঘের বিভিন্ন নীতি ও আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থা প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘ পৃথিবীর নানা দেশে শান্তিরক্ষার জন্য সদস্য দেশগুলোর সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাহিনী প্রেরণ করে যে বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী নামে পরিচিত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৯৮৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে অংশগ্রহণ করে আসছে। নামিবিয়ার শান্তিরক্ষার দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সৈন্য প্রেরণ করে। ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা কুয়েত ও সৌদি আরবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কাজে অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪০টি শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে অংশগ্রহণ করছে।
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।