| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘কাজী নজরুল ইসলাম…’ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাই তো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
উদ্দীপকে ‘সোনার তরী' কবিতার কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
‘সোনার তরী' কবিতায় রূপকের আশ্রয়ে মানবজীবনের গূঢ় দর্শন প্রকাশিত হয়েছে। এ কবিতায় বাহ্যরূপে বর্ষার হিংস্র স্রোত পরিবেষ্টিত ধানখেতে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষা করেন এক কৃষক। একসময় ভরা পালে সোনার তরী বেয়ে চলে যেতে থাকা এক মাঝিকে ধানগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর অনুনয় করেন তিনি। মাঝি তাঁর ধানগুলো তরীতে তুলে নেয়; কিন্তু ব্যক্তিকৃষকের সেখানে স্থান হয় না ।
উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা বলা হয়েছে। নিজ লেখনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা দিয়েছেন তিনি। অন্যায় ও অসাম্যের বিরুদ্ধে তিনি আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। সংগত কারণেই বাঙালির মনের মণিকোঠায় আসন লাভ করেছেন তিনি। আজও বাঙালিরা তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। অর্থাৎ, ব্যক্তি নজরুলের মৃত্যু হলেও তাঁর সৃষ্টিকর্মের বিনাশ হয়নি। ‘সোনার তরী’ কবিতাতেও কবি ব্যক্তি মানুষের বিপরীতে মহাকালের কালস্রোতে কর্মফলের টিকে যাওয়ার কথা মৃত্যুর বলেছেন, যা উদ্দীপকে উল্লিখিত কবি নজরুলের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতায় বিধৃত কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। কবি নজরুল বেঁচে না থাকলেও বেঁচে আছে তাঁর কর্ম। বাংলা ভাষায় এক বিদ্রোহ, সাম্য ও অধিকারের কথা লিখে সাহিত্যের মাধ্যমে তিনি আজও তাঁর প্রেরণা জোগান সাধারণ মানুষের অন্তরে। তাঁর কবিতা ও গান এখনো কের। আমাদের শক্তি দেয়, সাহস জোগায়। যেকোনো সংগ্রামে-সমরে তাঁকে আমরা স্মরণ করি। উদ্দীপকে এ ভাবটি ব্যক্ত হওয়ায় বলা যায় যে, আলোচ্য কবিতার অন্তর্নিহিত জীবনদর্শন উদ্দীপকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে সময়ের বহমানতার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। সময় পরিক্রমায় ব্যক্তিমানুষ একদিন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়; শুধু টিকে থাকে তার সোনার ধান বা কর্মফল ।
উদ্দীপকে ‘সোনার তরী' কবিতার কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
‘সোনার তরী' কবিতায় রূপকের আশ্রয়ে মানবজীবনের গূঢ় দর্শন প্রকাশিত হয়েছে। এ কবিতায় বাহ্যরূপে বর্ষার হিংস্র স্রোত পরিবেষ্টিত ধানখেতে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষা করেন এক কৃষক। একসময় ভরা পালে সোনার তরী বেয়ে চলে যেতে থাকা এক মাঝিকে ধানগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর অনুনয় করেন তিনি। মাঝি তাঁর ধানগুলো তরীতে তুলে নেয়; কিন্তু ব্যক্তিকৃষকের সেখানে স্থান হয় না ।
উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা বলা হয়েছে। নিজ লেখনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা দিয়েছেন তিনি। অন্যায় ও অসাম্যের বিরুদ্ধে তিনি আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। সংগত কারণেই বাঙালির মনের মণিকোঠায় আসন লাভ করেছেন তিনি। আজও বাঙালিরা তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। অর্থাৎ, ব্যক্তি নজরুলের মৃত্যু হলেও তাঁর সৃষ্টিকর্মের বিনাশ হয়নি। ‘সোনার তরী’ কবিতাতেও কবি ব্যক্তি মানুষের বিপরীতে মহাকালের কালস্রোতে কর্মফলের টিকে যাওয়ার কথা মৃত্যুর বলেছেন, যা উদ্দীপকে উল্লিখিত কবি নজরুলের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতায় বিধৃত কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। কবি নজরুল বেঁচে না থাকলেও বেঁচে আছে তাঁর কর্ম। বাংলা ভাষায় এক বিদ্রোহ, সাম্য ও অধিকারের কথা লিখে সাহিত্যের মাধ্যমে তিনি আজও তাঁর প্রেরণা জোগান সাধারণ মানুষের অন্তরে। তাঁর কবিতা ও গান এখনো কের। আমাদের শক্তি দেয়, সাহস জোগায়। যেকোনো সংগ্রামে-সমরে তাঁকে আমরা স্মরণ করি। উদ্দীপকে এ ভাবটি ব্যক্ত হওয়ায় বলা যায় যে, আলোচ্য কবিতার অন্তর্নিহিত জীবনদর্শন উদ্দীপকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে সময়ের বহমানতার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। সময় পরিক্রমায় ব্যক্তিমানুষ একদিন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়; শুধু টিকে থাকে তার সোনার ধান বা কর্মফল ।