| ㅤ | A. Nayan16 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘কামালের বাবা একজন…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)

কামালের বাবা একজন সুনাগরিক। তিনি তার আদর্শে সন্তানকে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে দুটি বিষয় অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। প্রথম বিষয়টি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। আর দ্বিতীয় বিষয়টি রাষ্ট্রের অতীত ঘটনাবলির আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে সহায়তা করবে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
Civitas শব্দের অর্থ 'নগররাষ্ট্র' (City State).
নাগরিক ও নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সকল বিষয় আলোচনা বরে বলে পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকার ক্রিয়াকলাপ নিয়ে পৌরনীতি অনুশীলন চালায়। নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। নাগরিক জীবনের ধর্মীয়, নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা সার্বিক দিকের কমবেশি আলোচনা পৌরনীতির বিষয়বস্তু।
উদ্দীপকের প্রথম বিষয়টি দ্বারা 'পৌরনীতি ও সুশাসন'কে বোঝানো হয়েছে।
নাগরিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত স্থানীয়, জাতীয় বা রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে। পৌরনীতি নাগরিক হিসেবে মানুষের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তাদের কার্যাবলি, অভ্যাস ও আচরণকেও বিশ্লেষণ করে। আবার রাষ্ট্র ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি পর্যালোচনার মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক হবার শিক্ষা দান করে।
উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, কামালের বাবা একজন সুনাগরিক। তিনি তার আদর্শে কামালকে গড়ে তোলার জন্য সুনাগরিকতা শিক্ষাদানের পাশাপাশি রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন। কেননা, পৌরনীতির মূল বিষয়বস্তু হলো সুনাগরিকতার সুষ্ঠু শিক্ষাদান করা। ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ এবং উদার রাজনীতিবিদ লর্ড ব্রাইসের মতে, সেই ব্যক্তি সুনাগরিক যার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা (Intelligence), আত্মসংযম (Self Control) ও বিবেক (Conscience) এই তিনটি গুণ রয়েছে। একজন সুনাগরিকের চরিত্রে এ তিনটি গুণ বিদ্যমান থাকার ফলে তার মধ্যে অধিকার ও সচেতনতা সৃষ্টি হয়। তার মধ্যে জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে স্থান দেওয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে। আর পৌরনীতির জ্ঞান লাভের মাধ্যমেই এসকল নাগরিক গুণ অর্জন করা সম্ভব হয়। সুতরাং, বলা যায়, সভ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য একজন নাগরিকের পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করা আবশ্যক।
বিশ্লেষণ করে। আবার রাষ্ট্র ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি পর্যালোচনার মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক হবার শিক্ষা দান করে।
উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, কামালের বাবা একজন সুনাগরিক। তিনি তার আদর্শে কামালকে গড়ে তোলার জন্য সুনাগরিকতা শিক্ষাদানের পাশাপাশি রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন। কেননা, পৌরনীতির মূল বিষয়বস্তু হলো সুনাগরিকতার সুষ্ঠু শিক্ষাদান করা। ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ এবং উদার রাজনীতিবিদ লর্ড ব্রাইসের মতে, সেই ব্যক্তি সুনাগরিক যার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা (Intelligence), আত্মসংযম (Self Control) ও বিবেক (Conscience) এই তিনটি গুণ রয়েছে। একজন সুনাগরিকের চরিত্রে এ তিনটি গুণ বিদ্যমান থাকার ফলে তার মধ্যে অধিকার ও সচেতনতা সৃষ্টি হয়। তার মধ্যে জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে স্থান দেওয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে। আর পৌরনীতির জ্ঞান লাভের মাধ্যমেই এসকল নাগরিক গুণ অর্জন করা সম্ভব হয়। সুতরাং, বলা যায়, সভ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য একজন নাগরিকের পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করা আবশ্যক।
সাহায্য গ্রহণ করতে হয়। একদিকে যেমন ইতিহাস পৌরনীতিকে সাহায্য করে, তেমনি পৌরনীতির সহযোগিতায় ইতিহাসও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। ইতিহাস রাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচিত না হলে তা মূল্যহীন হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিবর্তন, সরকারের শ্রেণিবিন্যাস এবং ক্রমবিকাশ, জাতীয়তাবাদের বিকাশ, আইন ও অধিকারের প্রশ্ন, সার্বভৌমত্বের বিবর্তন সম্পর্কে পৌরনীতি যখন বিশ্লেষণ করে তখন ইতিহাসের সহায়তায় তা সম্ভব হয়। পৌরনীতি ও ইতিহাস শুধু এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবন্ধ তাই নয়, উভয়ের অধ্যয়ন ও বিশ্লেষণ পদ্ধতিও প্রায় অভিন্ন। অতীতের হাজারো তথ্য সহযোগে বর্তমানের জন্য তত্ত্ব রচনা এবং সে ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান উভয় শাস্ত্রে অনুসরণ করা হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এটা প্রমাণিত হয়, পৌরনীতি ও ইতিহাসের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।