A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘কার্বন চক্র…’ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — জীবমণ্ডল🔢 সৃজনশীল নং ৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

কার্বন চক্র

 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জড় পরিবেশ ও জীবদেহের মধ্যে কার্বন-এর চক্রাকারে আবর্তন প্রক্রিয়াকে কার্বনচক্র বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জড় পরিবেশ ও জীবদেহের মধ্যে কার্বন এর চক্রাকারে আবর্তন প্রক্রিয়াকে কার্বন চক্র বলে।
কার্বন চক্রে জীবাশ্ম জ্বালানির উপস্থিতি বিদ্যমান। কারণ কাঠ, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মধ্যে প্রচুর কার্বন আছে। আর এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। তাই বলা হয় কার্বন চক্রে জীবাশ্ম জ্বালানি বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শ্বসন কার্বনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জীব ও জড় পরিবেশের মধ্যে কার্বন প্রতিনিয়ত আবর্তিত হয় জীবদেহের কোষ গঠন এবং সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য কার্বন প্রয়োজন হয়। সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান উপাদান হলো CO₂ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জড় পরিবেশ থেকে CO₂ গ্যাসকে জৈব যৌগে পরিণত করে।
আমরা জানি, সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল হতে মুক্ত CO₂ গ্রহণ করে এবং জটিল শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে।

এসব সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে শাকাশী প্রাণী এবং শাকাশী প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে মাংসাশী প্রাণী। এভাবে উদ্ভিদ হতে প্রাণিদেহে শর্করা স্থানান্তরিত হয়। এসব শর্করা উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহ শ্বসন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে। আবার কিছুসংখ্যক অণুজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন ঘটিয়ে পচনশীল জৈব শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO₂ তৈরি করে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। এভাবে শ্বসন কার্বনচক্রে অংশ নেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন চক্রের সাথে কার্বনচক্রও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জড় পরিবেশ ও জীবদেহের মধ্যে কার্বন-এর চক্রাকারে আবর্তন প্রক্রিয়াকে কার্বনচক্র বলা হয়। কার্বন সকল জৈব পদার্থের অন্যতম অপরিহার্য মৌল এবং এটি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্রে প্রবেশ করে। জীবনের জন্য এবং জীবদেহের জন্য কার্বন অত্যাবশ্যক।
পৃথিবীর সমগ্র কার্বন চারটি বিপুল ভাণ্ডারের মধ্যে অবস্থান করে। ভাণ্ডারগুলো হলো- সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল, স্থল জীবভরসমূহ এবং জীবাশ্ম সঞ্জয়। কার্বনের বৃহত্তম ভান্ডার হলো সমুদ্র। এখানে প্রায় ৩৯ লক্ষ কোটি মেট্রিক টন কার্বন আছে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন CO₂ গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে। পানিতে CO₂ দ্রবীভূত অবস্থায়, কার্বনেট ও বাইকার্বনেট হিসেবে থাকে। কার্বন জীব ও জড় পরিবেশের মধ্যে প্রতিনিয়ত আবর্তিত হয়।
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জড় পরিবেশ থেকে CO₂ গ্যাসকে জৈব যৌগে পরিণত করে। যেমন-

গ্লুকোজ উদ্ভিদদেহে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে উদ্ভিদজাত দ্রব্য যেসব প্রাণী বাঁচে তাদেরও কোষীয় শ্বসনে গ্লুকোজ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এভাবে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। প্রচুর কার্বন জমা আছে বৃক্ষের কাঠে। কয়লা, 'প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলে প্রচুর কার্বন আছে। কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেলকে বলা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি। মূলত কয়লা, গ্যাস, তেল লক্ষ লক্ষ বছর আগের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পরিণতির ফসল। এসব কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস এগুলো দহনের মাধ্যমে CO₂ বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। আবার, সামুদ্রিক জীবনের খোলসেও প্রচুর কার্বন থাকে। সামুদ্রিক জীবগুলোর মৃত্যুর বহুকাল পর লাইমস্টোন তৈরি হয়। এ লাইমস্টোন ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পানিতে ও বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে পুনরায় কার্বনচক্রে অংশ নেয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ভূপৃষ্ঠের উদ্ভিদ শর্করা তৈরিতে, জলজ জীব লাইমস্টোন তৈরিতে, প্রাণী পরোক্ষভাবে খাদ্য গ্রহণ করছে। আবার, ভূপৃষ্ঠ থেকে দহন, শ্বসন এবং ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়ায় CO₂ বায়ুমণ্ডলে চলে যাচ্ছে। এই যে, CO₂-এর চক্রাকারে বায়ুমণ্ডল ও পৃথিবীর মধ্যে ঘূর্ণায়মান রয়েছে যার ফলশ্রুতিতে পরিবেশের ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
সুতরাং বলা যায় যে, কার্বনচক্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘কার্বন চক্র…’ – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”