A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘করিমের ষাটোর্ধ বয়সী…’ যশোর বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

করিমের ষাটোর্ধ বয়সী বাবার প্রায়ই বুকে ব্যথা, ক্লান্তিভাব ও হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম করে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার বললেন বক্ষ গহŸরের মধ্যে অবস্থিত সংকোচন প্রসারণশীল অঙ্গটির দেহে রক্ত সরবরাহকারী নালীকার মধ্যে প্লাক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বললেন- বড় আকারের অপারেশন ছাড়া বিশেষ পদ্ধতিতে এটি নিরাময় সম্ভব।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

স্তন্যপায়ী প্রাণিদের মধ্যে দাঁতের সংখ্যা ও ধরন যে সংকেতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাই দন্ত সংকেত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সংবহনে রক্ত হূৎপিণ্ডের ডান ভেন্ট্রিকল থেকে ফুসফুসে পৌঁছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অ্যাট্রিয়ামে ফিরে আসে তাকে পালমোনারি সংবহন বলে। পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় পালমোনারি ধমনি থেকে, আর পালমোনারি ধমনির উদ্ভব ঘটে ডান ভেন্ট্রিকল থেকে। ডান ভেন্ট্রিকলের সংকোচনের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারি ধমনিতে প্রবেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সংবহনে রক্ত হূৎপিণ্ডের ডান ভেন্ট্রিকল থেকে ফুসফুসে পৌঁছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অ্যাট্রিয়ামে ফিরে আসে তাকে পালমোনারি সংবহন বলে। পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় পালমোনারি ধমনি থেকে, আর পালমোনারি ধমনির উদ্ভব ঘটে ডান ভেন্ট্রিকল থেকে। ডান ভেন্ট্রিকলের সংকোচনের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারি ধমনিতে প্রবেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে করিমের হৃৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহকারী ধর্মনির প্লাক বড় ধরনের অপারেশন ছাড়াই এক বিশেষ ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাময় সম্ভব। পদ্ধতিটি হলো এনজিওপ্লাস্টি। পদ্ধতিটি নিম্নরূপ-

বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেন (গহ্বর) যুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্থ লুমেন মুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে। করোনারি হৃদরোগের অন্যতম প্রধান রোগ সৃষ্টি হয় করোনারি ধমনিতে। ধর্মনির ভেতর ব্লক সৃষ্টি হলে পর্যাপ্ত O2 সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপেশিতে সংবহিত হতে পারে না। ফলে হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন মারাত্মক অবস্থা মোকাবিলায় এনজিওপ্লাস্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

এনজিওপ্লাস্টি ধরনের চিকিৎসা লুমেন থেকে ব্লক অপসারণ বা হ্রাস করতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা উপশম হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে জীবন রক্ষায় অবদান রাখে। যেহেতু বুক উন্মুক্ত করতে হয় না সেহেতু কষ্ট, সংক্রমণ ও দীর্ঘকালীন সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না। বেলুন ও স্টেন্ট পদ্ধতি একই সাথে ব্যবহার করলে প্লাক এর পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা কমে যায়। মাত্র এক থেকে কয়েক ঘণ্টায় জীবন রক্ষাকারী এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে এবং কয়েকদিন পর থেকেই হালকা কাজকর্ম করা সম্ভব।

সুস্থ হতে ৪ সপ্তাহের বেশি সময় লাগে না। যারা বুকের অসুখে ভুগছেন, কিংবা অ্যানজিওগ্রামের সময় রঞ্জকের প্রতি অ্যালার্জি দেখা যায় এবং যাদের বয়স ৭৫ বছরের বেশি তাদের ক্ষেত্রে এনজিওপ্লাস্টি কিছুটা অসুবিধাজনক হতে পারে।

সুতরাং এনজিওপ্লাস্টি পদ্ধতির মাধ্যমে করিম সাহেবের রোগ নিরাময়ে অনেকটা সহায়ক হবে এবং এর ফলে তার বড় ধরনের অপারেশনে যেতে হবে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘করিমের ষাটোর্ধ বয়সী…’ যশোর বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”