A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘কবির দম্পতি প্রাকৃতিক…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

কবির দম্পতি প্রাকৃতিক গর্ভধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান জন্ম দেন। কিন্তু রহমান দম্পতি একটি চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যিক একক হলো নেফ্রন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দর্শনীয় বস্তু ও চোখের মধ্যবর্তী দূরত্ব অপরিবর্তিত রেখে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য চোখে যে বিশেষ ধরনের পরিবর্তন হয় তাকে উপযোজন বলে। মানুষ দুচোখকে একই বস্তুতে কেন্দ্রীভূত করে, লেন্সের বক্রতার পরিবর্তন করে এবং পিউপিলের সংকোচন প্রসারণ ঘটিয়ে উপযোজন সম্পন্ন করে। চোখের আইরিশ, সিলিয়ারী পেশি, সাসপেনসরি লিগামেন্ট ও লেন্স সক্রিয়ভাবে উপযোজনে অংশগ্রহণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত কবির দম্পত্তির ও জন্মদান প্রক্রিয়াটি হলো নিষেক। নিষেক হলো শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসে একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়া।

নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন উপাদানের বিস্তৃতি ঘটে। এবং ডিম্বাণুর গোলাকার ধারণ করার প্রবণতা দেখায়। এছাড়া ডিম্বাণুর বিভিন্ন আবরণীর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম ও কুসুমের বিস্তৃতি এবং বিন্যাসের পরিবর্তন নিষেকের কারণে ঘটে। নিষেকের মাধ্যমেই জাইগোট সৃষ্টি হয় যা জীবের প্রথম কোষ। পরবর্তীতে জরায়ু গাত্রে জাইগোটের বিভাজনের ফলে সৃষ্ট ব্লাস্টোসিস্টের ইমপ্ল্যান্টেশন ঘটে। এরপর অমরা সৃষ্টির মাধ্যমে ভূণ মাতৃদেহের টিস্যুর সাথে অভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ধীরে ধীরে অমরার মাধ্যমে পুষ্টি, সুরক্ষা, বর্জ্য অপসারণ, হরমোন ক্ষরণ, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি প্রাপ্তির মাধ্যমে ভ্রূণের বিকাশ ঘটতে থাকে। ফিটাসে পরিণত হয়ে ভ্রূণে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর অবয়ব ভালোভাবে লক্ষ করা যায়। এভাবে মাতৃগর্ভে নির্দিষ্ট সময় পর শিশু প্রাণী জন্মলাভ করে।

নিষেকের ফলে জাইগোট জিনের নতুন সমন্বয় ঘটে এবং এতে জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয়। নিষেকের মাধ্যমেই ভূণের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত রহমান দম্পতি একটি চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেন যা IVF নামে পরিচিত। স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভাবনা না হলে উক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। নিম্নে এর কর্মকৌশল বর্ণনা করা হলো-

ধাপ-১: স্ত্রীর স্বাভাবিক রজঃ চক্রকে দমিয়ে রাখতে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।

ধাপ-২ : ডিম্বাণুর উৎপাদন বাড়াতে নারীদেহে হরমোনযুক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়।

ধাপ-৩: অগ্রগতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা করা হয়।

ধাপ-৪: ডিম্বাশয় থেকে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে পরিপক্ক ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়।

ধাপ-৫: পুরুষ সঙ্গীর শুক্রাণু সংগ্রহ করে কালচার মিডিয়ামে রাখা হয় এবং সক্রিয় শুক্রাণু নির্বাচন করা হয়।

ধাপ-৬: গবেষণাগারে ইনক্যুবেটরে রাখা সর্বোচ্চ গুণগত মানের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিষেকের জন্য একসঙ্গে ১৬-২০ ঘণ্টা পেট্রিডিশ বা কাঁচের টিউবে নিষিক্তকরণের জন্য রাখা হয়।

ধাপ-৭ : নিষিক্ত ডিম্বাণু সংগ্রহের পর ১-৬ দিনের মধ্যে নারীর জরায়ুতে স্থানান্তর করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘কবির দম্পতি প্রাকৃতিক…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৯ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”