A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘কে আসে সঙ্গে…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২৩তম অধ্যায় — আমি কিংবদন্তির কথা বলছি🔢 সৃজনশীল নং ২০🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

কে আসে সঙ্গে দেখ, দেখ চেয়ে আজ

কারখানার রাজা, লাঙ্গলের নাবিক,

উত্তাল ঢেউয়ের শাসক উদ্যত বৈঠাহাতে মাল্লাদল

এবং কামার কুমোর তাঁতি। এরা তো সবাই সেই

মেহনতের প্রভু, আনুগত্যে

শাণিত রক্তে ঢল হয়ে যায় বয়ে,

তোমার শিরাময় সারা পথে পথে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সাঁতার জানে না প্রবাহমান নদী তাকে ভাসিয়ে রাখে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবি।"- বলতে কবি তাঁর পূর্বপুরুষের প্রতিবাদী মনোভাবের দিকটি প্রকাশ করেছেন।

বাঙালি জাতির জীবনে রয়েছে এক সংগ্রামী ইতিহাস। যুগে যুগে বহু বিদেশি শক্তির হাতে বাঙালি জাতি নিপীড়িত হয়েছে। তাদের ওপর সেই অত্যাচারের ক্ষতচিহ্ন জমে আছে তাদের পিঠে। বাঙালি এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে, যুগে যুগে রক্ত ঝরিয়েছে। তাদের সেই সংগ্রামের সত্য কবিতার মতো বর্ণিত হয়েছে। কবি সেই সংগ্রামের বার্তা দিয়েছেন আলোচ্য পঙ্ক্তিতে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের মানুষ আর 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় বর্ণিত পূর্বপুরুষের মধ্যে শ্রমনির্ভর জীবনযাপনের দিক থেকে মিল রয়েছে।

বাঙালি জাতির ইতিহাস হাজার বছরের পুরানো। হাজার বছরের এই পথপরিক্রমায় বাঙালিরা নানাভাবে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে শ্রমশোষণের বিষয়টি ছিল 'সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা। তাদের শ্রমে-ঘামে অর্জিত সম্পদ প্রায়শই লুটেরারা ছিনিয়ে নিয়েছে।

উদ্দীপকের 'কবিতাংশে কবি শ্রমজীবীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন। সেই শ্রদ্ধাবোধ থেকেই। কারখানার শ্রমিকদের তিনি রাজা, কৃষকদের লাঙলের নাবিক এবং এরাসহ অন্য শ্রমজীবীদের তিনি মেহনতের প্রভু বলে অভিহিত করেছেন, যাদের শ্রমে ও ঘামে সভ্যতার চাকা সচল। একইভাবে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায়ও কবি নিজের তথা বাঙালি জাতির পূর্বপুরুষরা যে শ্রমজীবী ছিলেন সেই কথা গর্বের সাথে উচ্চারণ করেছেন। তারাও শ্রমনিষ্ঠার মাধ্যমেই নিজেদের টিকিয়ে রেখেছিলেন। এদিক থেকে। উদ্দীপকের মানুষেরা মূলত আলোচ্য কবিতার পূর্বপুরুষদের সঙ্গে তুলনীয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূল বক্তব্যেরই ধারক।"- মন্তব্যটি যথাযথ।

বাঙালিদের পূর্বপুরুষরা মূলত কৃষিজীবী ছিল। অদম্য প্রচেষ্টা আর শ্রমনিষ্ঠার মাধ্যমেই বিরূপ পরিবেশেও তারা টিকে ছিল। তাই বলে কোনো অন্যায়ের সঙ্গে তারা আপস করেনি। অন্যায়-নির্যাতনের বিরুদ্ধে তারা সর্বদাই ছিল সোচ্চার।

'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি তাঁর পূর্বপুরুষের কৃষিভিত্তিক জীবন, বিদেশি শত্রু শাসকদের অধীনে দাসত্বের যন্ত্রণা, ক্ষতচিহ্ন এবং তা থেকে উত্তরণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। তিনি তাদের অধিকার সচেতনতার দিকটির কথা বলেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশটি শ্রমজীবীদের উপজীব্য করে লেখা। এখানে কেউ কৃষক, কেউ কারখানার শ্রমিক, আবার কেউ তাঁতি বা কুমোর। এই শ্রমজীবীদের কঠোর শ্রমেই সমাজ-সভ্যতা আজও গতিশীল। আর তারাই আজকে আনুগত্যের সীমারেখা ভেদ করে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে এমন আন্দোলন-সংগ্রামের বিষয়টি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায়ও ফুটে উঠেছে।

'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় আত্মপরিচয়ের সূত্র ধরে কবি এ দেশের হাজার বছরের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যিক নানা অনুষঙ্গের কথা উত্থাপন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আমাদের পূর্বপুরুষদের কথা এবং তাদের অনাদি অতীতের বিভিন্ন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা যেকোনো অন্যায়-আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই ছিলেন সোচ্চার। এমনকি পরবর্তীতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল, যার মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। উদ্দীপকের শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও একই রূপ বিপ্লবী মনোভাবের ইঙ্গিত রয়েছে। সেই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ ও অর্থবহ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘কে আসে সঙ্গে…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”