| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘কেস স্টাডি-১: হাজী…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

কেস স্টাডি-১: হাজী মুহাম্মদ মহসিনের দানশীলতা ছিল কিংবদন্তিতুল্য; তিনি তাঁর বিশাল সম্পত্তি শিক্ষা ও জনকল্যাণে উৎসর্গ করেন, যা হুগলি মহসিন কলেজ, হুগলি ইমামবাড়া এবং মহসিন ফান্ড প্রতিষ্ঠায় ব্যয়িত হয়। এর মাধ্যমে সকল ধর্মাবলম্বীর জন্য শিক্ষা ও ভাতার ব্যবস্থা করে। যার কারণে তিনি ‘দানবীর’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
কেস স্টাডি-২: ঔপনিবেশিক শাসনামলে কিছু জমিদার নিজের ভোগ-বিলাসের জন্য কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত খাজনা চাপিয়ে দিত। কৃষকের দুঃখ-কষ্টের কথা না ভেবে নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধিই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
গানের পাখিকে তাড়া করে বায়স-ফিঙে।
"ইহাই হোক তরুণের সাধনা" বলতে তরুণদের মনের মতো নতুন জগৎ রচনার বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্ত উচ্চারণ করেছেন। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। তাই লেখক তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাদের মনের মতো করে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে।
কেসস্টাডি-১-এ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতায় তরুণদের সমাজ-প্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। স্বভাব বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে যে যৌবন দেশ-জাতি-কাল ও ধর্মের বাঁধন মানে না সেই যৌবন শক্তিকে কবি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ পুরানো সংস্কারকে ধ্বংস করে মনের মতো নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে।
উদ্দীপকের কেসস্টাডি-১-এ হাজী মুহাম্মদ মুহসিনের সমাজ সংস্কারের দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি তার অঢেল সম্পত্তি শিক্ষাবিস্তার ও সমাজ সংস্কারের কাজ ব্যয় করে দানবীর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। 'যৌবনের গান।' প্রবন্ধেও লেখক তরুণ শক্তিকে সমাজ সংস্কারের দিকে ধাবিত হতে বলেছেন। দেশ-কাল-জাতি ও ধর্মের বাঁধন না মেনে সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্ন করে সমাজ
প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় জগৎ রচনার ভূমিকা রাখতে বলেছেন লেখক'। উদ্দীপকের কেসস্টাডি-১-এ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের এদিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকের কেসস্টাডি-১-এ যৌবনের সংস্কারচেতনা ও কেসস্টাডি-২-এ বার্ধক্যের রক্ষণশীলতার দিকটি প্রকাশ পাওয়ায় এটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করতে পেরেছে।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। যৌবন মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। অপরদিকে রক্ষণশীলতা, জড়তা, ও পশ্চাৎপদময় বার্ধক্য জীবনের প্রাণবন্ত অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
উদ্দীপকের কেসস্টাডি-১-এ হাজী মুহাম্মদ মুহসিনের সমাজ প্রগতির জন্য দানশীলতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। আর কেসস্টাডি-২-এ এদেশের জমিদারদের রক্ষণশীলতা ও জড়তা প্রকাশ পেয়েছে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও লেখক গতিশীল ও প্রত্যাশাময় যৌবর্নের স্তুতি গেয়েছেন। আবার বার্ধক্যের রক্ষণশীলতা ও জড়তাকে সমাজ প্রগতির পথে বাধা হিসেবে দেখিয়েছেন।
কেসস্টাডি-১-এ এবং কেসস্টাডি-২-এ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত যৌবনের গতিশীলতা ও জড়তা উভয় দিকের প্রকাশ ঘটেছে। দুরন্ত- দুর্বার ও প্রাণচঞ্চল যৌবন মানবমুক্তি ও সমাজ প্রগতিকে তরান্বিত করে। জীর্ণ পুরানো সংস্কারকে ধ্বংস করে মনের মতো নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হয়। অপরদিকে বার্ধক্যে রক্ষণশীলতা, জড়তা, সংস্কারাচ্ছন্নতা ও পশ্চাদময়তা বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রাণবন্ত অগ্রগতির পথে। উদ্দীপকের কেসস্টাডি-১-এ ও ২-এ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের উভয় দিকের প্রকাশ ঘটায় এটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ধারণ করেছে।