A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘কেউ ছালটা ছাড়িয়ে…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১৪তম অধ্যায় — জীবন ও বৃক্ষ🔢 সৃজনশীল নং ১১🏢 প্রতিষ্ঠান নটরডেম কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক… দাঁত ভালো থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুলল না, পাতা ছিঁড়ল না, ডাল ভাঙল না, মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধটি 'সংস্কৃতি-কথা' গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সাধনা করার বিষয়টি প্রশ্নোক্ত উক্তিতে প্রাবন্ধিক প্রকাশ করেছেন।
প্রাবন্ধিক সাধনার দ্বারা বৃক্ষের প্রাপ্তির দিকটি ইঙ্গিত করেছেন। ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে বৃক্ষ যেমন আত্মতৃপ্তি লাভ করে, তেমনই তা অন্যের জন্যও কল্যাণকর হয়ে ওঠে। নিরলস সাধনা করলে তা থেকে মানুষ বিশেষ কিছু অর্জন করে থাকে। এই অর্জন হওয়া উচিত এমন, যা একই সাথে আত্মতৃপ্তি এনে দেয় এবং অন্যের জন্যও কল্যাণকর হয়ে ওঠে। সাধনার সার্থকতা এখানেই।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃক্ষের পরার্থপতার দিক থেকে উদ্দীপকের নিমগাছ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন- বৃক্ষের পরিপূর্ণ বিকাশের পেছনে রয়েছে এর নীরব সাধনা। অনুভূতির কান দিয়ে তা শুনতে হয়। বৃক্ষের এ সাধনা ধীরস্থির। এভাবে একসময় বৃক্ষ ফুলে-ফলে পূর্ণতা পায়। তার সেসব অন্যের কল্যাণে অকাতরে দান করে সার্থকতা লাভ করে।
উদ্দীপকে নিমগাছটির পরার্থপর মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে। তার ডালপালা, ছাল-পাতা মানুষ নানাবিধ ভেষজ উপকারে ব্যবহার করে। নিমগাছ তা অকাতরে মানুষকে দান করে পরার্থপর মানসিকতার পরিচয় দেয়। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও অনুরূপভাবে পরার্থপরতার কথা উঠে এসেছে। প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের জীবনের নীরব সাধনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এই সাধনার মধ্য দিয়েই বৃক্ষ পরিপূর্ণ বিকাশ লাভ করে। বৃক্ষের এ সাধনা ধীরস্থির। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই একসময় বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা লাভ করে। পরিপূর্ণতার মতো অর্জন সবই বৃক্ষ অন্যের কল্যাণে অকাতরে দান করে পরার্থপর মনোভাবের পরিচয় দেয়। এভাবেই বৃক্ষের পরার্থপতার দিক থেকে উদ্দীপকের নিমগাছ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মূল বক্তব্যের বিস্তৃতির দিক থেকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সার বক্তব্য উদ্দীপকের মূল বক্তব্য থেকে আরও গভীর ও বিস্তৃত- মন্তব্যটি যথার্থ।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের প্রশান্তি বর্ণনা করেছেন। বৃক্ষ সর্বদাই পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেয়। বৃক্ষের বেড়ে ওঠা, ফুলে-ফলে ভরে ওঠা সবই অন্যকে কেন্দ্র করে। তাই তো প্রাবন্ধিক বৃক্ষের সাধনাকে মানুষের জীবনসাধনা করতে বলেছেন।
উদ্দীপকে বৃক্ষের পরার্থপর মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে। নিমগাছ তার ভেষজ গুণসমৃদ্ধ ডাল-পাতা-ছাল দিয়ে মানবসেবায় আত্মনিবেদন করেছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষের সাধনায় যেমন ধীরস্থির ভাব দেখা যায়, সৃজনশীল মানুষের চিন্তায়ও থাকে তেমনই স্থিরতা। বৃক্ষের সমস্ত প্রাপ্তি অন্যের কল্যাণে নিবেদিত, সৃজনশীল মানুষেরও তাই।
উদ্দীপকে বর্ণিত নিমগাছের পরার্থপর বৈশিষ্ট্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরার্থপর বৈশিষ্ট্যকেই তুলে ধরেছে। তবে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সার বক্তব্য আরও গভীর ও বিস্তৃত। লেখক বৃক্ষের সাধনা ও সার্থকতার দৃষ্টান্তকে মানবজীবনে গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। পরের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মাধ্যমেই মানবজীবন সার্থকতার দেখা পায়। উদ্দীপকে এমন কোনো নির্দেশনা নেই। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘কেউ ছালটা ছাড়িয়ে…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”