| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – গুণগত রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ২
খাদ্যবস্তুর মধ্যস্থ বিভিন্ন অবস্থান্তর ধাতুর আয়নকে দুই বা ততোধিক সন্নিবেশ বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ রাখতে যে রাসায়নিক যৌগ ব্যবহৃত হয় এদেরকে কিলেটিং এজেন্ট বলে।
ও এর মধ্যে এর গলনাঙ্ক বেশি। কারণ ফাজানের নীতি অনুসারে ক্যাটায়নের আকার ক্ষুদ্র ও চার্জ বেশি হলে অধিক পোলারায়নের কারণে সমযোজী বৈশিষ্ট্য বেশি হয়। সমযোজী যৌগের গলনাঙ্ক কম হয়। ও যৌগদ্বয়ের অ্যানায়ন একই । কিন্তু ক্যাটায়ন একই হওয়া সত্ত্বেও এদের আকার ও চার্জ ভিন্ন। যৌগের আয়নের আকার অপেক্ষা ছোট এবং চার্জ বেশি। এজন্য অণুর কেন্দ্রীয় আয়নের আকার বড় ও চার্জ কম হওয়ায় এর গলনাঙ্ক বেশি।
অর্থাৎ এদের গলনাঙ্কের ক্রম : ।
উদ্দীপকের ইলেকট্রনটি M শেল তথা ৩য় কক্ষপথে অবস্থান করছে। ৩য় কক্ষপথ থেকে ইলেকট্রনটি L তথা ২য় কক্ষপথে ধাপান্তরের ফলে সৃষ্ট বিকিরণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য নিচে নির্ণয় করা হলো-
এখানে,
রিডবার্গ ধ্রুবক,
জানা আছে,
বা,
বা,
উদ্দীপকের মডেলটি নীলস বোর পরমাণু মডেল। কেননা মডেলটিতে বিভিন্ন শক্তিস্তর এবং ইলেকট্রনের ধাপান্তর দেখানো হয়েছে। বোর পরমাণু মডেল রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল অপেক্ষা বেশি ফলপ্রসূ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
i. রাদারফোর্ডের মডেলের পরমাণু মডেলে নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে বৃত্তাকার কক্ষপথে ইলেকট্রন আবর্তনের কথা বলা হলেও কক্ষপথের কোনো ধারণা নেই। কিন্তু বোর পরমাণু মডেলের প্রস্তাব অনুযায়ী নির্দিষ্ট শক্তির স্থায়ী কক্ষপথে ইলেকট্রন আবর্তন করে।
ii. রাদারফোর্ডের মডেলের একটি বড় ত্রুটি হলো এ মডেলের প্রস্তাবনা অনুযায়ী চার্জযুক্ত ইলেকট্রন কণা আবর্তনকালে তার গতিপথ পরিবর্তন করতে গিয়ে ক্রমাগত শক্তি হারায় এবং নিউক্লিয়াসের আকর্ষণে গতিপথ ছোট হয়ে এক সময় নিউক্লিয়াসে
পতিত হওয়ার কথা। অর্থাৎ পরমাণুর অস্তিত্বই আর থাকে না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটে না। অপরদিকে বোর প্রস্তাব অনুসারে ইলেকট্রন শক্তির বৃত্তাকার কক্ষ পথে আবর্তন করে। আবর্তনের সময় ইলেকট্রন কোনো শক্তি শোষণ করে না, বিকিরণও করে না। সুতরাং নির্দিষ্ট শক্তিস্তরেই থাকে, নিউক্লিয়াসে পতিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যায় না। অর্থাৎ পরমাণুর স্থায়িত্ব নিশ্চিত।
iii. রাদারফোর্ডের প্রস্তাবনা অনুসারে ইলেকট্রন অবিরাম শক্তি বিকিরণ করায় পরমাণুর নিরবিচ্ছিন্ন বর্ণালি পাওয়ার কথা। অথচ বাস্তবে পরমাণুর জন্য বিচ্ছিন্ন রেখা বর্ণালি পাওয়া যায়। যার প্রতিটি রেখা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তির পার্থক্য নির্দেশ করে। (ΔΕ = hu)।
iv. রাদারফোর্ড মডেলের সাহায্যে পরমাণুর বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায় না কিন্তু বোর-এর মতবাদ অনুসারে হাইড্রোজেন বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায়। থেকে শক্তি স্তরে ইলেকট্রনের স্থানান্তরের ফলে সৃষ্ট হাইড্রোজেন বর্ণালির তরঙ্গ সংখ্যা ।
অতএব সামগ্রিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, বোর মডেল রাদারফোর্ড মডেলের চেয়ে অধিকতর ফলপ্রসূ।