A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’ক’নামক সিটি কর্পোরেশনটির…’ চট্টগ্রাম কলেজ ২০২৪ – সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান🔢 সৃজনশীল নং ৩৮🏢 প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কলেজ📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘ক’নামক সিটি কর্পোরেশনটির মেয়র নির্বাচনে একজন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জনাব খায়রুল এজন্য একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ উত্থাপন করেন। সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পায়। ফ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি অভিযুক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

BPSC এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Public Service Commission।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। 

জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা) এবং উপজেলার আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদসমূহের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার (যদি থাকে) মেয়র এবং তিনজন মহিলা সদস্যের সমন্বয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়। ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ আইনে জাতীয় সংসদ সদস্যদের পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার (যদি থাকে) চেয়ারম্যানবৃন্দ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন। ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার (যদি থাকে) নির্বাচিত মহিলা সদস্যদের ভোটে তাদের মধ্য থেকে তিনজন মহিলা উপজেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবেন। এই পরিষদের জন্য তিন সদস্যের একটি চেয়ারম্যান প্যানেল থাকবে, যার অন্তত একজন হবেন মহিলা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO- Upazila Nirbahi Officer) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা বা সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদের কার্যকাল হবে পাঁচ বছর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান একজন প্রার্থীর নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়ে প্রতিষ্ঠানটি অভিযুক্ত প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করে। এখানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে এবং রাষ্ট্রপতি সময়ে সময়ে যেরূপ নির্দেশ করবেন, সেরূপ সংখ্যক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। এ সংক্রান্ত আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন। একাধিক নির্বাচন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর সভাপতিরূপে কাজ করবেন। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ পাঁচ বছৰ। 

জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের পূর্বশর্ত হচ্ছে কার্যকর নির্বাচন ব্যবস্থা। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি হলো— দেশের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করা। জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচন পরিচালনা করা। নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করা। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে উদ্দীপকে বর্ণিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব অপরিসীম। 

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন স্তরে প্রতিনিধি বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের মাধ্যমে জনমত প্রকাশ পায়। জনগণের রায়ের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন এবং অবাঞ্ছিত রাজনৈতিক দলের অবসান ঘটাতে নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত । গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশন অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ হলো অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন। কেবল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের রায় প্রকাশ পায়। 

নির্বাচন যদি গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে জনগণের মতের কোনো গুরুত্ব থাকে না। অনেক সময় ভোট কারচুপি করে জাতীয় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়। আর এই কারচুপির মতো দুর্নীতি একমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষেই ঠেকানো সম্ভব। এ প্রসঙ্গে ১৯৯০ সালের পূর্বে কয়েকটি নির্বাচনের কথা উল্লেখ করা যায়। যেখানে ভোট কারচুপির মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল বলে সেই সরকারকে আমরা স্বৈরাচারী সরকার বলে থাকি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের মতের মূল্যায়ন করার সুযোগ তৈরি হয়। আর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নির্ভর করে নির্বাচন কমিশনের সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার ওপর ।

উল্লিখিত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন যত গণতান্ত্রিক হবে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা ততটাই সহজতর হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’ক’নামক সিটি কর্পোরেশনটির…’ চট্টগ্রাম কলেজ ২০২৪ – সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)”