| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘লেভ তলস্তয়ের ‘সাড়ে…’ সিলেট সরকারি কলেজ ২০২৫ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

লেভ তলস্তয়ের ‘সাড়ে তিন হাত জমি’ গল্পের নায়ক পাখোম লোভী প্রকৃতির। পাশের দেশে দিনপ্রতি জমির দাম ১০০ রুবল শুনে অধিক জমি পাওয়ার লোভে সে সেখানে ছুটে যায় এবং জমি কেনে। এক দিনে যতটুকু জমি সে ঘুরে আসতে পারবে, ততটুকু জমির মালিকানা পাবে সে। এমন আকর্ষণীয় প্রস্তাবে লালায়িত হয়ে শারীরিক ক্লান্তিকে গুরুত্ব না দিয়ে বেশি জমি পাওয়ার লোভে সারা দিন সে দৌড়ায়। পরিণতিতে মৃত্যু হয় তার।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
• উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে ব্যক্তিমানুষের হারিয়ে যাওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।
• কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে পারে। জগতের কল্যাণকর্মের ধ্বংস নেই। তা কালে কালে জগতের মানুষকে আলোকিত করে। বিপরীতক্রমে মানুষ হারিয়ে যায় কালের গহ্বরে।
• উদ্দীপকে লেভ তলস্তয়ের 'সাড়ে তিন হাত জমি' গল্পের নায়ক পাখোমের লোভী মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। অধিক জমি কম দামে কেনার লোভে সে অন্য দেশে গমন করে। এমনকি দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জমি পাওয়ার লোভে পড়ে সে মৃত্যুবরণ করে। শুধু সম্পদ প্রাপ্তি একটা মানুষকে মৃত্যুর কবলে নিয়ে গেল। এমন মানসিকতার ফলে সে সবার কাছে নিন্দনীয়। উদ্দীপকের এই প্রেক্ষাপট 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে না। তবে কবিতায় কবি বলেছেন যে সৃষ্টিকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি অন্য কোনো বিষয়ে ভাবার সময় পাননি। জীবনসায়াহ্নে এসে কবির এই মনোভাব জাগে। অর্থাৎ যুগে যুগে মানুষ হারিয়ে যায় কিন্তু তার কর্ম থাকে স্বমহিমায়। উদ্দীপকের সম্পদলোভী পাখোমের মধ্যে হীন মানসিকতা আর 'সোনার তরী' কবিতার কবির মধ্যে মহৎ মানসিকতা প্রকাশ করে। কিন্তু কালের স্রোতে দুজনই হারিয়েছে, তবে তাদের কর্ম রয়েছে।
• উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে ব্যক্তিমানুষের হারিয়ে যাওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।
• কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে পারে। জগতের কল্যাণকর্মের ধ্বংস নেই। তা কালে কালে জগতের মানুষকে আলোকিত করে। বিপরীতক্রমে মানুষ হারিয়ে যায় কালের গহ্বরে।
• উদ্দীপকে লেভ তলস্তয়ের 'সাড়ে তিন হাত জমি' গল্পের নায়ক পাখোমের লোভী মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। অধিক জমি কম দামে কেনার লোভে সে অন্য দেশে গমন করে। এমনকি দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জমি পাওয়ার লোভে পড়ে সে মৃত্যুবরণ করে। শুধু সম্পদ প্রাপ্তি একটা মানুষকে মৃত্যুর কবলে নিয়ে গেল। এমন মানসিকতার ফলে সে সবার কাছে নিন্দনীয়। উদ্দীপকের এই প্রেক্ষাপট 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে না। তবে কবিতায় কবি বলেছেন যে সৃষ্টিকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি অন্য কোনো বিষয়ে ভাবার সময় পাননি। জীবনসায়াহ্নে এসে কবির এই মনোভাব জাগে। অর্থাৎ যুগে যুগে মানুষ হারিয়ে যায় কিন্তু তার কর্ম থাকে স্বমহিমায়। উদ্দীপকের সম্পদলোভী পাখোমের মধ্যে হীন মানসিকতা আর 'সোনার তরী' কবিতার কবির মধ্যে মহৎ মানসিকতা প্রকাশ করে। কিন্তু কালের স্রোতে দুজনই হারিয়েছে, তবে তাদের কর্ম রয়েছে।