A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘লিমা ও সীমা…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৩০🏫 বোর্ড কুমিল্লা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

লিমা ও সীমা উভয়েই জ্বরে আক্রান্ত। তারা ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে, ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করে দেখলেন যে, লিমার রক্তে অনুচক্রিকা অনেক কমে গেছে এবং সীমার রক্তে লাইসোলেসিথিন এবং হিমোলাইসিন বিদ্যমান।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আদি পোষক থেকে পরে নতুন পোষক প্রগতিতে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে বলা হয় ইমার্জিং ভাইরাস। উদাহরণঃ HIV, SARS, Ebola

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে কোষে কোন আবরণীবেষ্টিত নিউক্লিয়াস, আবরণী বেষ্টিত অঙ্গাণু থাকে না তা হলো আদি কোষ। আদিকোষে একটি মাত্র বৃত্তাকার DNA থাকায় সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে অবস্থান করে এদের 90s। আদি কোষ অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। তাই E.coli কে আদিকোষী জীব বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লিমার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে, রক্তের অঅণুচক্রিকা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার লক্ষণ ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ।

ডেঙ্গু রোগের কারণঃ ডেঙ্গু একটি ভাইরাস গঠিত রোগ। এই ভাইরাসের নাম ফ্ল্যাভিভাইরাস বা ডেঙ্গী ভাইরাস। এটি একটি RNA ভাইরাস। এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. নামক মশকী (স্ত্রী মশা) আর এর পোষক দেহ হল মানুষ। প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়।

রোগের লক্ষণঃ 

সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরঃ প্রথমে শীত শীত ভাব হয়ে হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর দেখা দেয়। জ্বর ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে। সাধারণত স্ত্রী ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়। রোগীর সমস্ত শরীরে ( মাংস পেশি, পিঠ, কোমড়, ঘাড়, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায়) ব্যথা হয়। মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। শরীরে লালচে রঙএর র‍্যাশ (দানা) দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব ও খাবারে অরুচি হতে পারে।

হমোজেরিক ডেঙ্গুজ্বরঃ সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরে জটিলতা থেকে হমোজেরিক ডেঙ্গুজ্বর দেখা দেয়। এতে কয়েকদিন পর রোগীর নাক, মুখ, দাঁতের মাড়ি ও ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ দেখ দেয়। পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে, রক্ত বমি হতে পারে, চোখে রক্ত জমাট হতে পারে। রক্তে প্লেটলেট ভীষ্ণ হ্রাস পায় এবং রক্ত জনাট বাঁধতে পারে না। সঠিক চিকিৎসা না হলে মৃত্যু ঘটতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ম্যালেরিয়া একটি ভয়াবহ রোগ। Anopheles গণভুক্ত মশকীরা রোগের জীবাণু একদেহ হতে অন্যদেহে বিস্তার ঘটায়। এ রোগে রক্তের লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়, তাই রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। উপযুক্ত চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। Plasmodium vivax মূলত ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী। এর জীবন চক্র সম্পন্ন করতে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয়, যথা-মানুষ ও মশকী।

মানুষের যকৃত ও লোহিত রক্ত কণিকায় ম্যালেরিয়ার পরজীবী অযৌন পদ্ধতিতে জীবন চক্র সম্পন্ন করে। এ জীবন চক্রে 'সাইজন্ট' নামক বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট একটি বিশেষ দশা বিদ্যমান। এ ধরনের জীবন চক্রকে সাইজোগনি বলে। মানবদেহে সংঘটিত সাইজোগনিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।

স্ত্রী Anopheles মশকীই ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম। রক্তপান করার সময় মশকীর দেহে বিভিন্ন দশার জীবাণু প্রবেশ করলেও একমাত্র গ্যামিটোসাইটগুলো বেঁচে থাকে, অন্যান্য দশায় জীবাণুগুলো মশকীর এনজাইমের ক্রিয়ায় নষ্ট হয়ে যায়। গ্যামিটোসাইটগুলো গ্যামিটোগনি ও স্পোরোগনি ধাপের মাধ্যমে অবশেষে স্পোরোজয়েট উৎপন্ন করে মশকীর লালাগ্রন্থিতে অবস্থান করে। এ মশকী কোনো মানুষকে দংশন করলে মানুষ এ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়।

সুতরাং একথা বলা যায় যে, উদ্দীপকের সীমা ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত এবং তার জন্য দায়ী এই plasmodium vivax নামক পরজীবী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘লিমা ও সীমা…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”