| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘M → ক্রোমোসোমগুলো…’ রংপুর ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

M → ক্রোমোসোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের মধ্যবর্তী (বিষুবীয়) অঞ্চলে অবস্থান করে।
N → ক্রোমোসোমগুলো “X” আকৃতিতে থাকে এবং এদের মধ্যে জিনগত অংশের বিনিময় ঘটে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ২
যে ভাজক টিস্যুর কোষসমূহ উদ্ভিদদেহের ত্বক সৃষ্টি করে তাকে প্রোটোডার্ম বলে।
যে অণু জীবকোষের সফল রাসায়নিক বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে তাকে মাস্টার মলিকিউল বলে। DNA. জীবকোষের সকল ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। জীবকোষের সব ধরনের জৈবিক সংকেত বহন করার ক্ষমতা রাখে। এমনকি জীবকোষের জৈবিক সংকেত প্রেরক হিসেবে কাজ করে। এ কারণে DNA ই হলো মাস্টার মলিকিউল।
উদ্দীপকের M হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়। নিচে মেটাফেজ চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
মেটাফেজ পর্যায়ের প্রথমেই ক্রোমোসোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে এসে অবস্থান করে। স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের অবস্থানকে মেটাকাইনেসিস বলা হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমাটিডগুলো সবচেয়ে বেশি মোটা, খাটো ও স্পষ্ট দেখা যায়। তাই মেটাফেজ পর্যায়ে কোষে অবস্থিত ক্রোমোসোমের সংখ্যা, আকার ও আকৃতি নির্ণয় করা যায়। মেটাফেজ পর্যায়ের শেষের দিকে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।
উদ্দীপকের N প্রক্রিয়াটি হলো ক্রসিংওভার। এর ফলে জীবে বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ের বাইভ্যালেন্টের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড একই স্থানে ভেঙে দিয়ে পরস্পর অংশ বিনিময় করে এবং ঐ স্থানে পরস্পর জোড়া লেগে 'X' আকৃতির সৃষ্টি করে। অংশ বিমিয়কে ক্রসিংওভার এবং জোড়া লাগা স্থানকে কায়াজমা বলে।
২. জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন সাধিত হয়।
৩. বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টিকুলে আসে বৈচিত্র্য, সৃষ্টি হয় নতুন পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা। আবার কখনো সৃষ্টি হয় নতুন প্রজাতি।
৪. ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নত বৈশিষ্ট্য নতুন প্রকরণ সৃষ্টি করা যায়। এভাবেই ফসলি উদ্ভিদের ক্রমাগত উন্নতি সাধন করা হয়।
৫. কৃত্রিম উপায়ে ক্রসিংওভার ঘটিয়ে বংশগতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব। কাজেই প্রজননবিদ্যায় ক্রসিংওভারের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।
৬. গবেষণার ক্ষেত্রেও ক্রসিংওভারের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, ক্রোমোসোমে জিনের রেখাকার বিন্যাস প্রমাণে বা ক্রোমোসোম ম্যাপিং-এ ক্রসিংওভার বৈশিষ্ট্য ব্যবহৃত হয়।
উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, এভাবেই ক্রসিংওভারের ফলে ক্রোমোসোমের খন্ডাংশের বিনিময় ঘটে এবং ক্রোমোসোমে নতুন জিনের সংযোজন ঘটে। আর জিনগত পরিবর্তনের ফলে জীবের বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন হয়, যা জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি করে।