| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘M প্রক্রিয়া =…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৩ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

M প্রক্রিয়া = বিপাকীয় শক্তির সহায়তায় উদ্ভিদ মাটিস্থ দ্রবণ হতে আয়ন শোষন করে।
N প্রক্রিয়া = উদ্ভিদদেহ হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
ক্লোরোফিল অণুসমূহ এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রন গ্রহিতাসমূহ একসাথে ১টি ইউনিট হিসেবে অবস্থান করে। এই ইউনিটকে ফটোসিস্টেম বলে।
ETS এ ATP তৈরির প্রক্রিয়াকে অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন বলা হয়। ETS মাইটোকন্ড্রিয়ার ক্রিস্টিতে ঘটে। গ্লাইকোলাইসিস অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি এবং ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন NADPH + H+ এবং FADH2, ETS এর মাধ্যমে Oxidised হয়ে পুণরায় NAD ও FAD এ পরিণত হয়। ETS - এ ইলেকট্রন প্রবাহকালে প্রতি NADH + H+ হতে তিনটি এবং প্রতি FADH2 হতে দুটি ATP উৎপন্ন হয়। ETS এ ATP উৎপন্ন প্রক্রিয়া হল অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন।
উদ্দীপকের আয়ন পরিশোষণের সক্রিয় পরিশোষণের প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট আধুনিক মতবাদ
প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্টঃ
আধুনিক ধারনায়, কোষঝিল্লীর উভয় দিকে একটি তড়িৎ রাসায়নিক নতিমাত্রা (Electrochemical gradient) সৃষ্টির মাধ্যমে আয়নগুলো কোষের ভিতরে স্থানান্তরিত হয়।
এ আধুনিক মতবাদ অনুসারে, আয়ন নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্রোয়িন বাহক দ্বারা বাহিত হয়ে বাইরের দ্রবণ কোষের ভিতরের দ্রবণে প্রবেশ করে।এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রোটিন নির্দিষ্ট আয়নের বাহক হিসেবে কাজ করে।
ধারণা করা হয় কোষঝিল্লীর ভেতরের তলের দিকে ATP-ase এনজাইমের ক্রিয়ায় ATP ভেঙ্গে শক্তি নির্গত যার প্রভাবে প্রোটন (H+) কোষের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। একে প্রোটন পাম্প বলে।
প্রোটন পাম্পের কারনে কোষের বাইরের সাথে ভেতরের দিকে pH gradient (বাইরে pH কম) এবং Potential gradient (বাইরে +ve চার্জ বেশি, কোষের ভিতরে +ve চার্জ কম) তৈরি হয় যাকে Electrochemical potential gradient বা proton motive force বলে।
চিত্রঃ প্রোটন অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট অনুযায়ী আয়ন শোষণ
কোষ পর্দার অভ্যন্তরে Proton motive force তৈরি হলেই বাহক প্রোটিন গুলো সক্রিয় হয় এবং ক্যাটায়নগুলীকে বহন করে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরে নিয়ে আসে। প্রোটনও বাইরের থেকে ভেতরে ঢুকতে চায়, আবার সে সময় আয়নগুলো প্রোটিনের সাথে (প্রোটন ও অ্যানায়ন একসঙ্গে) প্রোটিন বাহকের মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এজন্য একে প্রোটিন অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্টএ ধারণাটি Mitchel (1968) এর কেমি-অসমোটিক মডেলের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। বলা হয়।
'N' প্রক্রিয়াটি প্রস্বেদন প্রক্রিয়া।
প্রস্বেদনের মাধ্যমে শিকড় থেকে অঙ্কুর পর্যন্ত ডাল এবং পুষ্টি পরিবহনের জন্য চালিকা শক্তি প্রদান করে।
ফলস্বরূপ কৃষি প্রজাতির ফলন এবং বেঁচে থাকা প্রভাবিত করে এবং বৈশ্বিক কার্বন এবং হাইড্রালজিক্যাল চক্রের উপর প্রভাব ফেলে।
হাইড্রালজিক্যাল চক্রের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
পাতা সূর্য থেকে প্রতি মিনিটে প্রচুর শক্তি শোষণ করে যা বিভিন্ন বিক্রিয়ায় খরচ হয় অতিরিক্ত তাপ প্রস্বদনের মাধ্যমে বের হয় নতুন গাছ অধিক তাপে মারা যেত। প্রস্বদন না হলে বিপুল পরিমাণে পানি পাওয়া যেত না ফলে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খদ্য তৈরি হত না, গ্যাসীয় ভারসাম্য রক্ষা পেত না,পরিবেশের তাপমাত্রা ভারসাম্যহীণতায় ভুগতো এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ণ বেড়ে যেত।
সুতরাং বলা যায়, পরিবেশের তাপমাত্রা ও গ্যাসীয় ভারসাম্য রক্ষায় 'N' প্রক্রিয়া অর্থাৎ প্রস্বেদনের গুরুত্ব অপরিসীম।