| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মাদার তেরেসা অকৃত্রিম…’ সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ ২০২৬ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

মাদার তেরেসা অকৃত্রিম মাতৃস্নেহের আধার ছিলেন। আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত হয়েও তিনি তাঁর কাজের জন্য সারা পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতায় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান করেন। পরবর্তীতে এই চ্যারিটি হোম সমগ্র পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করে। এই কাজের জন্য ১৯৭৯ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি সেবার কাজে ব্যয় করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁর নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের বিলীন হয়ে যাওয়া এবং মহৎকর্মের মাধ্যমে মানুষের বেঁচে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতার কবি তাঁর কবিতার মহৎকর্মের মাধ্যমে পৃথিবীতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকতে চান। কারণ মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব একসময় বিলীন হয়ে যায় কিন্তু মানুষ তার মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বুকে অমর হয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে মাদার তেরেসার অকৃত্রিম মাতৃস্নেহ ও মানবতার সেবার কথা বলা হয়েছে। তিনি পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। তিনি নেই কিন্তু তাঁর সেই কর্মের জন্য তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে পৃথিবীবাসী। মহাকাল তাঁর শরীরকে রাখেনি, তাঁর কর্মকে রেখেছে। এ বিষয়টি 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে কৃষকের হারিয়ে যাওয়া ও তার সোনার ফসল রক্ষা পাওয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ কৃষক তরিতে ঠাঁই না পেলেও তার ধান সোনার তরিতে ঠাঁই পায়। মহাকালের স্রোতে মানুষের হারিয়ে যাওয়া এবং কর্ম টিকে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের বিলীন হয়ে যাওয়া এবং মহৎকর্মের মাধ্যমে মানুষের বেঁচে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের মাদার তেরেসার জীবনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতার কবি তাঁর কবিতার মহৎকর্মের মাধ্যমে পৃথিবীতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকতে চান। কারণ মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব একসময় বিলীন হয়ে যায় কিন্তু মানুষ তার মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বুকে অমর হয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে মাদার তেরেসার অকৃত্রিম মাতৃস্নেহ ও মানবতার সেবার কথা বলা হয়েছে। তিনি পৃথিবীর দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জন্য কাজ করেন। তিনি নেই কিন্তু তাঁর সেই কর্মের জন্য তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে পৃথিবীবাসী। মহাকাল তাঁর শরীরকে রাখেনি, তাঁর কর্মকে রেখেছে। এ বিষয়টি 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে কৃষকের হারিয়ে যাওয়া ও তার সোনার ফসল রক্ষা পাওয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ কৃষক তরিতে ঠাঁই না পেলেও তার ধান সোনার তরিতে ঠাঁই পায়। মহাকালের স্রোতে মানুষের হারিয়ে যাওয়া এবং কর্ম টিকে থাকার বিষয়টি উদ্দীপকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।