A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবো না বাধা,…’ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — বিদ্রোহী🔢 সৃজনশীল নং ২৫🏢 প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবো না বাধা, মানবো না ক্ষতি
চোখে যুদ্ধের দৃঢ় সম্মতি
রুখবে কে আর এ অগ্রগতি, সাধ্য কার?
রুটি দেবে নাকো? দেবে না অন্ন?
এ লড়াইয়ে তুমি নও প্রসন্ন
চোখ-রাঙানিকে করি না গণ্য, ধারি না ধার।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কবি কোনো আইন মানেন না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষের শাসকদের শাসনক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দিয়ে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও বিদ্রোহ প্রকাশ করতে কবি নিজেকে 'অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল' বলেছেন।

'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজের শক্তির বহুমাত্রিকতাকে বিভিন্ন অনুষঙ্গে তুলে ধরেছেন। সেগুলো দিয়ে তিনি মানবসমাজে চলমান সমস্ত অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার অবসান করতে চেয়েছেন। যারা মানুষের অধিকার হরণ করে, মানুষকে তার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে তারা মানুষের শত্রু। সেই শত্রুদের তৈরি করা কোনো নিয়ম কবি মানেন না। কারণ সেই নিয়ম মানুষের জন্য অকল্যাণের, অমঙ্গলের। কবি সেই শাসক-শোষকদের ঘৃণা করেন। তাদের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদী, বিদ্রোহী। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী কবি তাই দৃঢ়ভাবে শত্রু শোষকের জারি করা বিধি-বিধানের বিরুদ্ধাচরণ করেন। তিনি তাদের সমস্ত নিয়ম-কানুন-শৃঙ্খলকে অস্বীকার করেন, দ'লে যান। কবি সত্য-সুন্দর ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য শোষক-শাসকদের বিরুদ্ধে জাগরণ ঘটাতে চান। এসব কারণেই কবি নিজেকে 'অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল' বলেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সংগ্রামী চেতনার দিকটি নির্দেশ করেছে।

'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি সকল অন্যায়-অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এই চেতনা মূলত সংগ্রামী চেতনাকেই নির্দেশ করে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে সব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে, নিজের ক্ষতি হবে এই ভয়কে জয় করে দেশের কল্যাণে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মনোভাব ব্যক্ত হয়েছে, 'বিদ্রোহী' কবিতায়ও কবির মূল সুর অত্যাচারী শোষকের বিরুদ্ধে মাথানত না করার। কবি সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। 'আমি' প্রতীকে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর হাত থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করার জয়গান গেয়েছেন। তাঁর বিদ্রোহী চেতনার প্রবলতা শাসকশ্রেণির ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চেতনা 'বিদ্রোহী' কবিতার সংগ্রামী চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উভয় ক্ষেত্রে সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ পেলেও অন্যান্য দিক অনুপস্থিত থাকায় “চেতনাগত মিল থাকলেও উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি"- মন্তব্যটি যথার্থ।

'বিদ্রোহী' কবিতায় আত্মজাগরণের উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। তিনি সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পুরাণের উৎস থেকে উপাদান সংগ্রহ করে নিজের বিদ্রোহী সত্তার অবয়ব রচনা করেছেন।

উদ্দীপকের করিতাংশে বিদ্রোহের বাণী পরিলক্ষিত হয়েছে। বিদ্রোহীরা কোনো বাধা মানবে না, দেশমাতার কোনো ক্ষতি হতে দেবে না। তারা শাসকের রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না, বরং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা করে। 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবির সদম্ভআত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। এ কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে ঔপনবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে কবির বিদ্রোহ ও ক্ষোভ। তিনি সকল অন্যায়, অবিচার ও শোষণ মুছে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। এজন্য তিনি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পুরাণের শক্তি থেকে উপাদান সংগ্রহ করে নিজের বিদ্রোহী সত্তার ভিত রচনা করেছেন। একদিকে তিনি ধ্বংস করে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করবেন, অপরদিকে তিনি শান্তির বার্তা দিয়ে প্রশান্ত করবেন জনসাধারণকে। তিনি উৎপীড়িত জনতার ক্রন্দনরোল প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত শান্ত হবেন না। উদ্দীপকে বিদ্রোহের বিষয়টি থাকলেও এ কবিতায় আলোচিত অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবো না বাধা,…’ ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – বিদ্রোহী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”