A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িং-এর শীতকালে পরিস্ফুটন বন্ধ থাকে। এ সময়কালটি ডায়াপজ নামে পরিচিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হ্যাচারি পোনা অপেক্ষা প্রাকৃতিক পোনার চাহিদা বেশি। কারণ হ্যাচারিতে যেসব মাছের পোনা উৎপন্ন করা হয় তার জীবনীশক্তি কম, স্বাদ কম এবং বৃদ্ধিও দ্রুত হয় না। অপরদিকে প্রাকৃতিকভাবে যেসব পোনা পাওয়া যায় তার জীবনীশক্তি বেশি, স্বাদ বেশি এবং এসব পোনার বৃদ্ধিও দ্রুত হয়। যেমন- হালদা নদী বাংলাদেশের কেবলমাত্র রুইমাছের প্রজনন কেন্দ্র। এ নদীর মাছের ডিম থেকে ফোটানো পোনার বৃদ্ধি যতো দ্রুত ও বেশি হয় অন্য কোনো জায়গা থেকে সংগৃহীত পোনার তা হয় না, হ্যাচারিতে তো হয়ই না। এ কারণে হ্যাচারি পোনা অপেক্ষা প্রাকৃতিক পোনার চাহিদা বেশি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'ক' চিত্রে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে। শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। X হলো শুক্রাণু। শুক্রাণু (X) সৃষ্টির প্রক্রিয়া নিচে বর্ণনা করা হলো-

সেমিনিফেরাস নালিকার বাইরের দিকের কোষস্তরের নাম জার্মিনাল এপিথেলিয়াল। এসব কোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে অনেক স্পার্মাটোগোনিয়া সৃষ্টি করে যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রাইমারি স্পার্মাটোসাইটে পরিণত হয়। প্রাইমারি স্পার্মাটোসাইটকে প্রথমে মিয়োটিক বিভাজন (মিয়োসিস-১) ঘটলে হ্যাপ্লয়েড সেকেন্ডারি স্পার্মাটোসাইট উৎপন্ন হয়। সেকেন্ডারি স্পার্মাটোসাইট দ্বিতীয় মিয়োটিক বিভাজনের (মায়োসিস-২) মাধ্যমে স্পার্মাটিড উৎপন্ন করে । প্রত্যেকটি স্পার্মাটিড রূপান্তরিত হয়ে একেকটি শুক্রাণু গঠন করে। পরিণত শুক্রাণুর তিনটি অংশ থাকে যেমন-মাথা, গ্রীবা ও লেজ। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র দুটি X এবং Y হলো শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু। স্বাভাবিকভাবে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের ফলে যৌন জনন সম্পন্ন করে মানব জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। কোনো কারণে স্বাভাবিকভাবে ‘X' ও 'Y' মিলিত হতে না পারলে জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কৃত্রিম গর্ভধারণ তথা আইভিএফ (IVF) পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়। যদি স্বামী ও স্ত্রীর শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত না হতে পারে সেক্ষেত্রে কৃত্রিম পদ্ধতিতে দেহের বাইরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের মাধ্যমে প্রজনন ঘটানো সম্ভব। 

পদ্ধতির শুরুতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। তারপর সেটিকে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য গবেষণাগারে সংরক্ষণ করা হয়। একই সময়ে স্বামীর অসংখ্য শুক্রাণু সংগ্রহ করে তা থেকে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সজীব ও অতি ক্রিয়াশীল একঝাঁক শুক্রাণু। তারপর শুক্রাণুগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হয় ডিম্বাণুবাহী টেস্ট টিউবে (পেট্রিডিশ) যেখানে নিষেক সম্পন্ন হয়। ডিম্বাণু ও শুক্রাণুবাহী টেস্ট টিউবটিকে সংরক্ষণ করা হয় মাতৃগর্ভের অনুরূপ পরিবেশের একটি ইনকিউবিটরে। এর মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়। জরায়ুতে ভূণ সংস্থাপন সম্পন্ন হওয়ার পরে ঘটনা ঘটতে থাকে স্বাভাবিক গর্ভধারণের মতোই। মাতৃগর্ভে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিষেকের ফলে যেভাবে ভ্রূণ বেড়ে উঠে, তেমন করেই বেড়ে উঠে টেস্টটিউব বেবিও। বাচ্চার প্রসবও স্বাভাবিকভাবে হতে পারে অথবা প্রয়োজন হতে পারে সিজারিয়ান অপারেশনের। জন্ম নেওয়া শিশুরা অস্বাভাবিক কিছু নয়, তারাও অন্যান্য শিশুর মতোই স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে।

পরিশেষে বলা যায় যে, পুরুষ ও নারীর প্রজনন অক্ষমতা বা বন্ধ্যাত্ব দূর করে পিতৃ ও মাতৃত্বের বাসনা পূর্ণ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে আইভিএফ পদ্ধতি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”