A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানব ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের…’ a – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — মানব জীবনের ধারাবাহিকতা🔢 সৃজনশীল নং ১৮🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানব ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের ভিডিও ক্লিপে ব্লাস্টুলা ও গ্যাস্টুলা দশার ছবি দেখিয়ে শিক্ষক বললেন, প্রথম গঠনটি জরায়ুতে প্রতিস্থাপন হওয়ার পর পরবর্তী গঠনটিতে উপনীত হয় এবং এর স্তরগুলোই মানবদেহের বিভিন্ন অংশ তৈরি করে।  [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৬]

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শুক্রাণু নিউক্লিয়াস ও ডিম্বাণু নিউক্লিয়াসের একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়াই নিষেক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদিত হয় তাকে গ্যামিটোজেনেসিস বলে। গ্যামিটোজেনেসিস দুটি পৃথক ধরনের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনন মাতৃকোষ হতে স্ত্রী জনন অঙ্গে ডিম্বাণু ও পুরুষের জনন অঙ্গে শুক্রাণু তৈরি হয়। এক্ষেত্রে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃজনন কোষ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) জনন কোষ উৎপন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম গঠনটি ব্লাস্টুলা। ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের ফলে ব্লাস্টুলা নামক গঠনটি যেভাবে জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে যে প্রক্রিয়ায় জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্লান্টেশন বলে। নারীর ডিম্বাণু ডিম্বনালির ঊর্ধ্বপ্রান্তে নিষিক্ত হয়ে জাইগোটে পারিণত হয়। এটি দ্রুত বিভক্ত হয়ে মরুলা নামক একটি নিরেট কোষপুঞ্জের সৃষ্টি করে এবং ডিম্বনালির সিলীয় আন্দোলন ও ক্রমসংকোচনের ফলে নিম্নগামী হয়। জাইগোটের পর্যায়ক্রমিক মাইটোসিস বিভাজনকে ক্লিভেজ বলে। নিরেট কোষপুঞ্জটি ডিম্বনালি থেকে সংগৃহীত তরলে পূর্ণ অন্তঃস্থ গহ্বর (ব্লাস্টোসিল) সমন্বিত ও এক কোষস্তরীয় ব্লাস্টোসিস্টে পরিণত হয়। ব্লাস্টোসিস্টে প্রায় ১০০টির মতো কোষ থাকে। ৪-৫ দিনের ভেতর ব্লাস্টোসিস্ট জরায়ুতে এসে পৌঁছালে দু'দিনের মধ্যে এর জোনা পেলুসিডা আবরণ অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন ট্রফোব্লাস্ট কোষ ও জরায়ুর এন্ড্রোমেট্রিয়াম কোষের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। ব্লাস্টোসিস্ট এন্ডোমেট্রিয়ামের যেখানে প্রোথিত হবে সেখানকার আবরণী টিস্যু ট্রফোব্লাস্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে বিগলিত হয়। তখন ব্লাস্টোসিস্টটি সেখানে মুক্ত হয়। এভাবে নিষেকের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে অবদ্ধ হয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের দ্বিতীয় গঠনটি গ্যাস্টুলা যা ভ্রূণ পরিস্ফুটনের একটি ধাপ। ব্লাস্টুলা বিকশিত হয়ে ভ্রূণের পরবর্তী দশা গ্যাস্ট্রুলা গঠন করে। গ্যাস্টুলেশন দশায় ভ্রূণীয় তিনটি স্তর বিদ্যমান। স্তরগুলো হলো- এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম এবং এন্ডোডার্ম। গ্যাস্ট্রুলেশন' দশায় বিদ্যমান এসব স্তরগুলোকে ভ্রূণীয় স্তর বলা হয়। কোনো কোনো প্রাণীর ভ্রূণীয় অবস্থায় দুটি বা তিনটি স্তর গঠন করে। এসব স্তরগুলো পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ প্রাণী গঠন করে। তাই ভ্ৰূণীয় দশায় বিদ্যমান বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তন ছাড়া পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠন অসম্ভব। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো—

গ্যাস্ট্রুলেশন দশায় বিদ্যমান স্তরসমূহ হতে পরবর্তী উৎপন্ন কোষগুলো গুচ্ছে গুচ্ছে পৃথক হয়ে প্রাথমিক অঙ্গকুঁড়ি গঠন করে। নির্দিষ্ট প্রাথমিক অঙ্গকুঁড়ি থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর নির্দিষ্ট অঙ্গ গঠিত হয়। ভূণীয় স্তরগুলো এক্টোডার্ম হতে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর চুল, নখ, এপিথেলিয়াল গ্রন্থিসমূহ মুখের ভেতরের আচ্ছাদন, দাঁতের এনামেল, চোখের লেন্স, অন্তঃকর্ণ, নাসিকা এবং অলফ্যাক্টরি এপিথেলিয়াম গঠন করে। স্নায়ুতন্ত্র ও সংবেদী অঙ্গসমূহ পরিপাক নালির অন্তঃআবরণ, পিটুইটারি গ্রন্থি ইত্যাদি গঠিত হয়। ভ্রূণীয় স্তরের মেসোডার্ম হতে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর ত্বকের ডার্মিস, মেরুদণ্ড, কংকালতন্ত্র, পেশি কলা, যোজক কলা, লসিকা গ্রন্থি ও লসিকা বৃক্কের কর্টেক্স, দাঁতের ডেন্টিন ও চোখের বিভিন্ন অংশ, রেচন ও জননাঙ্গ, লসিকাগ্রন্থি দেহ গহ্বরের অন্ত্র প্রাচীর গঠন করে।

ভ্রূণীয় স্তরের এন্ডোডার্ম হতে পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ, অধিকাংশ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি, অগ্ন্যাশয়, মধ্যকর্ণ, শ্বসনতন্ত্র, রেচন ও জননতন্ত্রের কিয়দংশ, কঙ্কালতন্ত্র ও পেশিসমূহ, রক্ত ও রক্তনালি গঠিত হয়। ভ্রূণ পরিস্ফুটনের গ্যাস্টলেশন দশায় বিদ্যমান বিভিন্ন ভ্রূণীয় স্তরের পরিবর্তনের ফলে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর দেহ গঠিত হয়। সুতরাং গ্যাস্টুলেশন দশার বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তন দ্বারা পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর দেহ গঠন অসম্ভব। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানব ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের…’ a – মানব জীবনের ধারাবাহিকতা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”