A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহে বক্ষ গহ্বরে…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ৮৪🏢 প্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবদেহে বক্ষ গহ্বরে সঞ্চালনক্ষম অঙ্গটির কার্যকারিতা কিছু কপাটিকা ও নোড এর সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লসিকা হচ্ছে দেহের টিস্যু রস। দেহের সমস্ত টিস্যু রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালিকায় প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে সম্মিলিতভাবে লসিকা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে প্রক্রিয়ায় হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত করোনারি ধমনির মাধ্যমে হৃদপেশিতে সরবরাহ হয় এবং হৃদপেশি থেকে করোনারি সাইনাসের মধ্যে দিয়ে হৃৎপিন্ডের ডান অলিন্দে ফিরে আসে তাকে করোনারি সংবহন বলে। উক্ত প্রক্রিয়া করোনারি ধমনি ও করোনারি সাইনাসের মধ্য দিয়ে সংঘটিত হয় বলে একে করোনারি সংবহনতন্ত্র বলে। করোনারি সংবহনের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের দেয়ালের কোষসমূহের O2, পুষ্টি, খনিজ লবণ ইত্যাদির চাহিদা পূরণ করে এবং বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে প্রক্রিয়ায় হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত করোনারি ধমনির মাধ্যমে হৃদপেশিতে সরবরাহ হয় এবং হৃদপেশি থেকে করোনারি সাইনাসের মধ্যে দিয়ে হৃৎপিন্ডের ডান অলিন্দে ফিরে আসে তাকে করোনারি সংবহন বলে। উক্ত প্রক্রিয়া করোনারি ধমনি ও করোনারি সাইনাসের মধ্য দিয়ে সংঘটিত হয় বলে একে করোনারি সংবহনতন্ত্র বলে। করোনারি সংবহনের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের দেয়ালের কোষসমূহের O2, পুষ্টি, খনিজ লবণ ইত্যাদির চাহিদা পূরণ করে এবং বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণই হলো হৃৎপিন্ডের মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ। হৃৎপিন্ডের এ নিয়ন্ত্রণে নোড ও পেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে হৃৎপিণ্ডের নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিশ্লেষণ করা হলো- 

শর্করা পরিপাক:

১. অ্যামাইলেজ এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন জাতীয় জটিল শর্করাকে মল্টোজে পরিণত করে।

২. মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ জাতীয় শর্করাকে গ্লুকোজে পরিণত করে।

আমিষ পরিপাক:

১. ট্রিপসিন: এ এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোন জাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে।

২. কাইমোট্রিপসিন: এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোন জাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেটাইডে পরিণত করে।

৩. কার্বক্সিপেপটাইডেজ: এ এনজাইম পলিপেপটাইডের প্রান্তীয় লিঙ্কেজকে সরল পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে।

৪. অ্যামিনোপেপটাইডেজ: এ এনজাইম পলিপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।

৫. ট্রাইপেপটাইডেজ: এ এনজাইম ট্রাইপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।

৬. ডাইপেপটাইডেজ: এ এনজাইম ডাইপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।

৭. কোলাজিনেজ: এ এনজাইম কোলাজেন জাতীয় প্রোটিনকে সরল পেপটাইডে রূপান্তরিত করে।

৮. ইলাস্টেজ: এ এনজাইম যোজক টিস্যুর প্রোটিন ইলাস্টিনকে ভেঙে পেপটাইড উৎপন্ন করে।

লিপিড পরিপাক:

১. লাইপেজ এনজাইম চর্বি (লিপিড) কে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিডে রূপান্তরিত করে।

২. কোলেস্টেরল এস্টারেজ এনজাইম কোলেস্টেরল এস্টারকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিডে পরিণত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহে বক্ষ গহ্বরে…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”