A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া🔢 সৃজনশীল নং ২🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি বায়ুপূর্ণ থলি রয়েছে। প্রতিটি থলি অসংখ্য বায়ুকুঠুরিতে বিভক্ত। এরা বিশেষ কৌশলে সংকুচিত ও প্রসারিত (ভেন্টিলেশন) হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হেপারিন হলো বেসোফিল থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষ পদার্থ যা রক্তনালির গাত্রে রক্ত জমাট রোধ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক হলো BMI (Body Mass Index)। দেহের মোট ওজনকে (কেজি এককে) উচ্চতার (মিটার এককে) বর্গ দিয়ে ভাগ করলে BMI পাওয়া যায়। একজন সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তির BMI ১৮.৫ - ২৪.৯ এর মধ্যে থাকে। BMI মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত বায়ুকুঠুরিটি হলো অ্যালভিওলাস। এটি ফুসফুসের গঠন ও কার্যগত একক। এটি ক্ষুদ্র বুদ বুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরি। এদের প্রাচীরে কৈশিক জালিকা নিবিড়ভাবে অবস্থান করে। পালমোনারি ধমনি থেকে এদের উৎপত্তি ঘটে এবং পুনরায় মিলে পালমোনারি শিরা গঠন করে। এদের প্রাচীর চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। এছাড়া প্রাচীরে কিছু স্থিতিস্থাপক কোলাজেন সূত্রক থাকে, যে কারণে অ্যালভিওলাসের সংকোচন-প্রসারণ ঘটে থাকে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে কিছু বিশেষ কোষ থাকে যারা সারফেকট্যান্ট নামক ডিটারজেন্টের অনুরূপ ফসফোলিপিড রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। সারফেকট্যান্ট সারফেস টেনশন হ্রাস করে অ্যালভিওলাসের স্ফীত অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে ফ্যাগোসাইটিক অ্যালভিওলার ম্যাক্রোফেজ থাকে। এ ম্যাক্রোফেজ অণুজীবসহ বহিরাগত বস্তু বিনষ্ট করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত কৌশলটি হলো মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম বা ভেন্টিলেশন কৌশল। মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের মেডুলা অবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক এক গুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পন্সের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পন্সের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়কেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত। উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে।

প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পনস ও মেডুলা প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের বক্ষগহ্বরে দুটি…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”