| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের বক্ষগহ্বরের বা-দিকে…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

মানবদেহের বক্ষগহ্বরের বা-দিকে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ রয়েছে। সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে অঙ্গটি সমগ্রদেহে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
অ্যানজাইনা হলো এক প্রকার হৃৎপিন্ডজনিত বুক ব্যথা। হৃদপেশি যখন সমৃদ্ধ পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ পায় না তখন এ ব্যথা অনুভূত হয়।
রক্তের ঈষৎ ক্ষারধর্মী হালকা হলুদ বর্ণের অকোষী তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে। এটি একটি বহিঃকোষীয় তরল যেখানে বিপুল পরিমাণ আয়ন, জৈব ও অজৈব বস্তুর সমাহার থাকে। রক্তরসের ঘনত্ব 1.025g/ml এবং pH = 7.4। রক্তের মোট আয়তনের 55% হলো রক্তরস।
রক্তের ঈষৎ ক্ষারধর্মী হালকা হলুদ বর্ণের অকোষী তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে। এটি একটি বহিঃকোষীয় তরল যেখানে বিপুল পরিমাণ আয়ন, জৈব ও অজৈব বস্তুর সমাহার থাকে। রক্তরসের ঘনত্ব 1.025g/ml এবং pH = 7.4। রক্তের মোট আয়তনের 55% হলো রক্তরস।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো মানব হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিন্ডের কার্যাবলি চক্রাকারে সম্পন্ন হয়। নিচে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-
১. অলিন্দের ডায়াস্টোল: ডান ও বাম অলিন্দ একই সাথে প্রসারিত হয়। এই সময় ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ থাকে এবং ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরার মাধ্যমে সমৃদ্ধ রক্ত ডান অলিন্দে এবং পালমোনারি শিরার মাধ্যমে সমৃদ্ধ রক্ত বাম্ অলিন্দে প্রবেশ করে। ০.৭ সেকেন্ডে অলিন্দদ্বয় রক্ত দ্বারা পূর্ণ হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে অলিন্দের সিস্টোল শুরু হয়।
২. অলিন্দের সিস্টোল : এ ধাপের শুরুতে ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা খুলে যায়। ডান ও বাম অলিন্দ একত্রে দ্রুত সংকুচিত হয় এবং এতে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে মাত্র ০.১ সেকেন্ড।
৩. নিলয়ের সিস্টোল: এ সময় নিলয় দুটি রক্তপূর্ণ অবস্থায় সংকুচিত হয়। ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা সজোরে বন্ধ হয় এবং সেমিলুনার কপাটিকা খুলে যায়। এতে লাব (lub) সদৃশ প্রথম শব্দের সৃষ্টি হয়। নিলয় মধ্যবর্তী চাপ বৃদ্ধি পায় এবং নিলয় থেকে রক্ত নিলয়ের বাইরে নির্গত হয়। ডান নিলয় থেকে সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারী ধমনিতে এবং বাম নিলয় থেকে সমৃদ্ধ রক্ত অ্যাওটায় প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে ০.৩ সেকেন্ড।
৪. নিলয়ের ডায়াস্টোল: নিলয়ের সিস্টোল শৈষ হওয়ার সাথে সাথে এর ডায়াস্টোল শুরু হয়। এ সময় বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খুলে অলিন্দ থেকে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। একই সাথে সেমিলুনার কপাটিকাগুলো সজোরে বন্ধ হয় এবং এ সময় ড্যাব সদৃশ শব্দের সৃষ্টি হয়। এ ধাপে সময় লাগে ০.৫ সেকেন্ড।
এভাবেই হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন চাক্রিক গতিতে সম্পন্ন হয়।