| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের বক্ষগহ্বরের বা-দিকে…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

মানবদেহের বক্ষগহ্বরের বা-দিকে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ রয়েছে। সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে অঙ্গটি সমগ্রদেহে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
অ্যানজাইনা হলো এক প্রকার হৃৎপিণ্ডজনিত বুক ব্যথা। হৃদপেশি যখন O₂ সমৃদ্ধ পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ পায় না তখন এ ব্যথা অনুভূত হয়।
রক্তরস বা প্লাজমা হচ্ছে রক্তের ঈষৎ ক্ষারধর্মী হালকা হলুদ বর্ণের অকোষীয় তরল অংশ। এতে পানির পরিমাণ ৯০ ৯২% এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থের পরিমাণ ৮ - ১০%। প্লাজমা রক্তকণিকাসমূহ ধারণ করে এবং রক্তের তারল্যতা রক্ষা করে। রক্তের pH 7.8 এবং রক্তের ৫৫% হলো রক্তরস। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৩ লিটার রক্তরস থাকে। রক্তরসে পুষ্টিদ্রব্য (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড), প্লাজমা প্রোটিন (অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন), বিভিন্ন ধরনের আয়ন , রেচন পদার্থ (ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন), বিভিন্ন হরমোন, এনজাইম, ভিটামিন, হেপারিন ইত্যাদি থাকে।
রক্তরস বা প্লাজমা হচ্ছে রক্তের ঈষৎ ক্ষারধর্মী হালকা হলুদ বর্ণের অকোষীয় তরল অংশ। এতে পানির পরিমাণ ৯০ ৯২% এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থের পরিমাণ ৮ - ১০%। প্লাজমা রক্তকণিকাসমূহ ধারণ করে এবং রক্তের তারল্যতা রক্ষা করে। রক্তের pH 7.8 এবং রক্তের ৫৫% হলো রক্তরস। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৩ লিটার রক্তরস থাকে। রক্তরসে পুষ্টিদ্রব্য (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড), প্লাজমা প্রোটিন (অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন), বিভিন্ন ধরনের আয়ন , রেচন পদার্থ (ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন), বিভিন্ন হরমোন, এনজাইম, ভিটামিন, হেপারিন ইত্যাদি থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো মানব হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন তথা হৃদস্পন্দন চক্রাকার গতিতে সম্পন্ন হয় যাকে হৃদচক্র বলে। মানুষের হৃৎপিণ্ডের হৃদচক্র চারটি ধাপে সংঘটিত হয়। নিচে এই চক্রাকার প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করা হলো-
১. অলিন্দের ডায়াস্টোল: ডান ও বাম অলিন্দ একই সাথে প্রসারিত হয়। এই সময় ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ থাকে এবং ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরার মাধ্যমে CO₂ সমৃদ্ধ রক্ত ডান অলিন্দে এবং পালমোনারি শিরার মাধ্যমে O₂ সমৃদ্ধ রক্ত বার্ম অলিন্দে প্রবেশ করে। ০.৭ সেকেন্ডে অলিন্দদ্বয় রক্ত দ্বারা পূর্ণ হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে অলিন্দের সিস্টোল শুরু হয়।
২. অলিন্দের সিস্টোল: এ ধাপের শুরুতে ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা খুলে যায়। ডান ও বাম অলিন্দ একত্রে দ্রুত সংকুচিত হয় এবং এতে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে মাত্র ০.১ সেকেন্ড।
৩. নিলয়ের সিস্টোল: এ সময় নিলয় দুটি রক্তপূর্ণ অবস্থায় সংকুচিত হয়। ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা সজোরে বন্ধ হয় এবং সেমিলুনার কপাটিকা খুলে যায়। এতে লাব (lub) সদৃশ প্রথম শব্দের সৃষ্টি হয়। নিলয় মধ্যবর্তী চাপ বৃদ্ধি পায় এবং নিলয় থেকে রক্ত নিলয়ের বাইরে নির্গত হয়। ডান নিলয় থেকে CO₂ সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারী ধমনিতে এবং বাম নিলয় থেকে O₂ সমৃদ্ধ রক্ত অ্যাওর্টায় প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে ০.৩ সেকেন্ড।
৪. নিলয়ের ডায়াস্টোল: নিলয়ের সিস্টোল শেষ হওয়ার সাথে সাথে এর ডায়াস্টোল শুরু হয়। এ সময় বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খুলে অলিন্দ থেকে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। একই সাথে সেমিলুনার কপাটিকাগুলো সজোরে বন্ধ হয় এবং এ সময় ড্যাব সদৃশ শব্দের সৃষ্টি হয়। এ ধাপে সময় লাগে ০.৫ সেকেন্ড। এভাবেই হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন চাক্লিক গতিতে সম্পন্ন হয়।