A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের একটি পরিপাক…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬৫🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবদেহের একটি পরিপাক অঙ্গের কার্যসাধনে কার্ডিয়াক ও পাইলোরিক স্ফিংক্টারস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাদ্যের যান্ত্রিক পরিপাক ও রাসায়নিক ভাঙ্গনের জন্য উক্ত অঙ্গটি অত্যন্ত কার্যকর।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাকস্থলির ছন্দবদ্ধ আন্দোলনই হলো পেরিস্ট্যালসিস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানবদেহের দুটি গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি কোষের নাম হলো-
i. প্যারাইটাল কোষ এবং
ii. গ্যাস্ট্রিক চিফ কোষ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো পাকস্থলি। নিচে চিহ্নিত চিত্রসহ পাকস্থলির গঠন বর্ণনা করা হলো-
মানুষের পাকস্থলি নিম্নলিখিত পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত:

১. কার্ডিয়া : অন্ননালি সংলগ্ন পাকস্থলির অংশকে কার্ডিয়া বলে। এতে অন্ননালি উন্মুক্ত হয় এবং এটি কার্ডিয়াক স্ফিংটার নামক পেশিবলয় ধারণ করে।

২. ফান্ডাস : পাকস্থলির কার্ডিয়ার নিচের ও বাম পাশের গম্বুজাকৃতির উঁচু অংশকে ফান্ডাস বলে। পরিপাকের সময় সৃষ্ট গ্যাস ফান্ডাসে জমা থাকে।

৩. দেহ বা কর্পাস : পাকস্থলির প্রধান অংশকে দেহ বা কর্পাস বলে। এটি পাকস্থলির সর্ববৃহৎ অংশ এবং এখানে অধিকাংশ খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

৪. অ্যান্ট্রাম: পাকস্থলির ফান্ডাসের নিচের বাঁকা অংশকে অ্যান্ট্রাম বলে। অন্ত্রে প্রবেশের পূর্বে এখানে খাদ্য সাময়িকভাবে জমা থাকে।

৫. পাইলোরাস: অন্ত্রের ডিওডেনাম সংলগ্ন পাকস্থলির অংশকে পাইলোরাস বলে। এটি পাইলোরিক স্ফিংটার নামক পেশিবলয় ধারণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উল্লেখিত অঙ্গটি হলো পাকস্থলি। অস্বাভাবিক সময়ের অনাহারে পাকস্থলির শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন নিচে আলোচনা করা হলো:

পাকস্থলির অন্তঃপ্রাচীরে বিদ্যমান বিভিন্ন কোষ থেকে HCI ও বিভিন্ন পরিপাক এনজাইম নিঃসৃত হয়। এগুলো এতই শক্তিশালী যে এরা ধাতব পদার্থ ও জীবিত কোষকে বিগলিত করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু পাকস্থলি নিজে পরিপাক না হয়ে অস্বাভাবিক সময়ের অনাহারে নিম্নোক্তভাবে অভিযোজিত করে।

১. মিউকাস আবরণ: পাকস্থলির অন্তঃপ্রাচীরের এপিথেলিয়াল কোষ থেকে নিঃসৃত মিউকাস আবরণ HCI ও বিভিন্ন পরিপাক এনজাইমের মাঝে ভৌত প্রতিবন্ধক তৈরি করে।

২. আঁটসাঁট সংযুক্তি: পাকস্থলির অন্তঃপ্রাচীরে বিদ্যমান
এপিথেলিয়াল কোষগুলোর আঁটসাঁট সংযুক্তি HCI কিংবা পরিপাক এনজাইম পাকস্থলির কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

৩. কোষের প্রতিস্থাপন: পাকস্থলির অন্তঃপ্রাচীরে বিদ্যমান এপিথেলিয়াল কোষগুলো 3-6 দিন বাঁচে। এগুলো সর্বদা নতুন কোষ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে পাকস্থলির সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

৪. এনজাইম সক্রিয়করণ: পরিপাক রসে বিদ্যমান নিষ্ক্রিয় প্রো- এনজাইম পেপসিনোজেন ও প্রোরেনিন পাকস্থলিতে HCI এর সংস্পর্শে সক্রিয় পেপসিন ও রেনিনে পরিণত হয়। এতে অনেক HCI প্রশমিত হয়।

৫. বাইকার্বনেট নিঃসরণ: পাকস্থলির অন্তঃগাত্র হতে নিঃসৃত বাইকার্বনেট ক্ষারীয় দ্রবণ HCI কে প্রশমিত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের একটি পরিপাক…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”