A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের O২ সমৃদ্ধ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ২৬🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবদেহের O২ সমৃদ্ধ রক্ত অ্যাওর্টা দিয়ে সমগ্রদেহে এবং CO২

সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারী ধমনি দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছায়। এক্ষেত্রে

মধ্যমনি হিসেবে একটি অঙ্গ ভূমিকা পালন করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানুষের রক্ত বাহিকার প্রাচীরে বিশেষ সংবেদী স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। এ সংবেদী স্নায়ু প্রান্তকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রক্তকণিকাগুলোর মধ্যে বর্ণের ভিন্নতার কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. লোহিত কণিকার মধ্যে হিমোগ্লোবিন উপস্থিত থাকার কারণে লোহিত কণিকা লাল বর্ণ দেখায়।

২. শ্বেত কণিকায় হিমোগ্লোবিন অনুপস্থিত থাকার ফলে শ্বেতকণিকা সাদা দেখায়। এখানে কিছু ক্ষারধর্মী শ্বেতকণিকা থাকে।

৩. অণুচক্রিকাতে হিমোগ্লোবিন অনুপস্থিত থাকে তাই অণুচক্রিকা বর্ণহীন দেখায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রক্তকণিকাগুলোর মধ্যে বর্ণের ভিন্নতার কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. লোহিত কণিকার মধ্যে হিমোগ্লোবিন উপস্থিত থাকার কারণে লোহিত কণিকা লাল বর্ণ দেখায়।

২. শ্বেত কণিকায় হিমোগ্লোবিন অনুপস্থিত থাকার ফলে শ্বেতকণিকা সাদা দেখায়। এখানে কিছু ক্ষারধর্মী শ্বেতকণিকা থাকে।

৩. অণুচক্রিকাতে হিমোগ্লোবিন অনুপস্থিত থাকে তাই অণুচক্রিকা বর্ণহীন দেখায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রাণীটি মানুষ ও Actinopterygii হলো রুই মাছ। রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র লক্ষ করলে দেখা যায় যে, হৃৎপিণ্ড থেকে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত প্রথমে ফুলকায় যায়। ফুলকায় CO2 ত্যাগের পর রক্ত O2 সমৃদ্ধ হয়। এই রক্ত সমগ্র দেহ পরিভ্রমণপূর্বক কোষে O2 সরবরাহ করে এবং কোষে উৎপন্ন CO2 গ্রহণপূর্বক পুনরায় হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে ।

দেখা যাচ্ছে, রক্ত রুই মাছের সমগ্র দেহ পরিভ্রমণ করতে একবার হৃৎপিণ্ড অতিক্রম করে। তাই এটাকে এক চক্রীয় সংবহনতন্ত্র বলা হয়। অন্যদিকে, মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র লক্ষ করলে দেখা যায় যে, ক্রমাগত সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে মানুষের হৃৎপিণ্ড সারা দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে তা হূৎপিণ্ডের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠ হয়ে অবশেষে আবার সমস্ত দেহে ছড়িয়ে পড়ে। হৃৎপিণ্ডে প্রসারণ বা ডায়াস্টোলের সময় দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত মহাশিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে। আবার হূৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোলের সময় হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত মহাধমনির মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের বাইরে সঞ্চালিত হয়। এভাবে হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

রক্ত মানুষের সমগ্র দেহ পরিভ্রমণ করতে দুইবার হৃৎপিণ্ড অতিক্রম করে। তাই এই তন্ত্রটিকে দ্বিচক্রীয় রক্ত সংবহনতন্ত্র বলা হয়। অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, রুই মাছের রক্ত সংবহন পদ্ধতি মানুষের রক্ত সংবহন পদ্ধতি অপেক্ষা ভিন্নতর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের O২ সমৃদ্ধ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২১ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”