A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের তন্ত্রসমূহের মধ্যে…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — চলন ও অঙগচালনা🔢 সৃজনশীল নং ৪🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানবদেহের তন্ত্রসমূহের মধ্যে অন্যতম কঙ্কালতন্ত্র যা অস্থি ও তরুণাস্থির সমন্বয়ে গঠিত। এই তন্ত্রটি দৈহিক কাঠামো গঠন, চলনসহ নানাবিধ কাজ সম্পন্ন করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

টেনডন (Tendon) : টেনডন হলো ঘন, মজবুত, শ্বেত বর্ণের নমনীয় ও অস্থিতিস্থাপক তন্তুময় যোজক টিস্যু যেগুলো মাংসপেশির প্রান্তে অবস্থান করে পেশি ও অস্থির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অস্থিভঙ্গ হচ্ছে এমন এক চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে রোগী অভিন্ন হাড়ের কোথাও ভেঙ্গে যাওয়াজনিত অসুস্থতায় ভোগে । প্রচন্ড শক্তি, চাপ কিংবা বিভিন্ন অসুখে (অস্টিওপোরোসিস, অস্থিক্যান্সার ইত্যাদি) ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ায় অস্থিভঙ্গ অবস্থার সৃষ্টি হয় ।

হাড় ভেঙ্গেছে কিনা তা কি করে বুঝা যাবে-

১. আঘাতপ্রাপ্ত অঙ্গ নড়াবার চেষ্টা করলে খুব ব্যথা লাগে।

২. রোগী একেবারেই আঘাতপ্রাপ্ত অঙ্গ নাড়াতে পারে না ।

৩. আঘাতপ্রাপ্ত অংশে মৃদু চাপ দিলে বা হাত দিলে খুব ব্যথা অনুভব করে ।

৪. যে স্থানে বেশি ব্যথা হয় সেই অঙ্গের আকারের পরিবর্তন দেখা যায় ।

৫. রোগীর অচল অবস্থা এবং আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ফোলা ফোলা লাগে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত তন্ত্রের প্রথম উপাদানটি হলো অস্থি, এর গাঠনিক একক হ্যভ্যারসিয়ান তন্ত্র।

 

নিরেট অস্থির ম্যাট্রিক্স কতকগুলো (৫-১৫টি) সাজানো । স্তরগুলোকে ল্যামেলি (lamellae) বলে। ল্যামেলি একটি সুস্পষ্ট নালির চারদিকে চক্রাক বিন্যস্ত। কেন্দ্রীয় এ নালিটি হচ্ছে হ্যাভারসিয়ান নালি (haversian canal)। প্রতিটি হ্যাভারসিয়ান নালি ও বেষ্টনকারী ল্যামেলির সমন্বয়ে একটি হ্যাভারসিয়ান তন্ত্র (haversian system) বা অস্টিওন (osteon) গড়ে উঠে। প্রত্যেক ল্যামেলায় (একবচন) ল্যাকুনা (lacuna) নামে কতকগুলো ক্ষুদ্র গহ্বর পাওয়া যায় । অস্থিকোষ ল্যাকুনার ভিতরে অবস্থান করে । প্রতিটি ল্যাকুনার চারদিক থেকে সূক্ষ্ম কতকগুলো নালিকা বেরোয়। এদের ক্যানালিকুলি (canaliculi) বলে । এসব নালিকার মাধ্যমে একটি হ্যাভারসিয়ান তন্ত্রের বিভিন্ন ল্যাকুনা পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। অস্থির অভ্যন্তরে হ্যাভারসিয়ান নালিগুলো পরস্পরের আড়াআড়ি নালি দিয়ে যুক্ত থাকে । এসব নালিকে বলে ভকম্যানস ক্যানাল (Volkmann's canal) । হ্যাভারসিয়ান তন্ত্রসমূহের অন্তর্বর্তীস্থানে কঠিন মাতৃকা ও অস্থিকোষ উপস্থিত থেকে অস্থি সুদৃঢ় করে । অস্থির কেন্দ্রস্থলে যে গহ্বর থাকে তার নাম মজ্জা গহ্বর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে কঙ্কালতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে। এই তন্ত্রটি দৈহিক কাঠামো গঠন, চলনসহ নানাবিধ কাজ সম্পন্ন করে। নিচে এর কাজগুলো বিশদভাবে বর্ণনা করা হল:

কঙ্কালতন্ত্রের কাজ :

ক. যান্ত্রিক কাজ (Mechanical functions)

১. দৈহিক কাঠামো গঠন : কঙ্কালতন্ত্র মানবদেহের কাঠামো গঠন ও নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে ।

২. সুরক্ষা : মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাদি যেমন মস্তিষ্ক, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড, সুষুমাকাণ্ড প্রভৃতি বিশেষভাবে কঙ্কালে সুরক্ষিত থাকে ।

৩. সংযোগতল সৃষ্টি : দেহের অধিকাংশ পেশি, লিগামেন্ট ও টেনডন কঙ্কালে সংযুক্ত থেকে বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায়

৪. চলন : অস্থিসন্ধি গঠন এবং পেশির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কঙ্কালতন্ত্র মানুষের চলনে প্রধান ভূমিকা রাখে।

 ৫. ভারবহন : পেশিসমূহ কঙ্কালের সাথে আটকে থেকে দেহের ভারবহন করে ।

 

খ. শারীরবৃত্তীয় কাজ (Physiological functions)

৬. রক্ত কণিকা উৎপাদন : পরিণত মানবদেহের রক্ত উৎপাদনকারী প্রধান টিস্যু হচ্ছে লাল অস্থিমজ্জা । স্টার্নাম, পাঁজর, কশেরুকা, করোটি এবং ফিমার ও হিউমেরাসের মস্তকে অবস্থিত অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত কণিকা উৎপন্ন হয় । অস্থিমজ্জা থেকে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে প্রায় ২৬ লক্ষ লোহিত কণিকা সৃষ্টি হয়। অবিরামভাবে লোহিত কণিকা উৎপাদন ছাড়াও লাল অস্থিমজ্জা অণুচক্রিকা উৎপন্ন করে এবং ম্যাক্রোফেজ ধারণ করে।

৭. নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ও শ্রবণ : বক্ষপিঞ্জর নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে এবং মধ্যকর্ণের কর্ণাস্থি শ্রবণে সহায়তা করে।

৮.রোগ প্রতিরোধ : অস্থির (রেটিক্যুলো এন্ডোথেলিয়ালতন্ত্র দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়।

৯. খনিজ লবণ সঞ্চয় ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম সঞ্চয় করে এবং প্রয়োজনে রক্তে সরবরাহ করে।

১০. চাপ ও আয়নিক সমতা রক্ষা : দেহের অভ্যন্তরীণ চাপ নিয়ন্ত্রণে ও আয়নিক সমতা রক্ষায় অস্থিসমূহ কাজ করে।

 ১১. হরমোনাল নিয়ন্ত্রণ : অস্থির কোষ থেকে অস্টিওক্যালসিন) (osteocalcin) নামক হরমোন ক্ষরিত হয় যা দেহে

রক্তের চিনি ও চর্বির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

 ১২. রাসায়নিক শক্তি : মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু লোহিত অস্থিমজ্জা পরিবর্তিত হয়ে পীত অস্থিমজ্জা (yellow bone marrow) গঠন করে । পীত অস্থিমজ্জায় প্রচুর পরিমাণে অ্যাডিপোজ কোষ (adepose cell) থাকে যেগুলো দেহের সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তির আধার হিসেবে ভূমিকা রাখে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানবদেহের তন্ত্রসমূহের মধ্যে…’ সিলেট বোর্ড ২০২২ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”