A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানুষের বক্ষগহ্বরের উভয়পাশে…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১০৭🏢 প্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানুষের বক্ষগহ্বরের উভয়পাশে O2 ও CO2 গ্যাস বিনিময়কারী একটি বিশেষ অঙ্গ আছে যা দেখতে স্পঞ্জের মতো ও নরম।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ফুসফুস দ্বিস্তরী যে পাতলা আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে তাই প্লুরা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

স্বরযন্ত্রের উপরিভাগে অবস্থিত জিহ্বাকৃতির ঢাকনাকে উপজিহ্বা বলে। উপজিহ্বাকে এপিগ্লটিসও বলা হয়। এটা তরুণাস্থি দ্বারা গঠিত। খাদ্যগ্রহণ করার সময় এপিগ্লটিস স্বরযন্ত্রকে ঢেকে রাখে যাতে খাদ্যকণা স্বরযন্ত্রে প্রবেশ করতে না পারে এবং খাদ্যকণা সরাসরি খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে। যদি কোনো কারণবশত কোনো খাদ্যকণা শ্বাসনালির মধ্যে প্রবেশ করে, তবে দম বন্ধ হয়ে কাশি আরম্ভ হয় এবং খাদ্যদ্রব্য শ্বাসনালি হতে বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো ফুসফুস যার ক্ষুদ্রতম একক হলো অ্যালভিওলাস। নিচে অ্যালভিওলাসের গঠন বর্ণনা করা হলো-অ্যালভিওলাস অত্যন্ত ক্ষুদ্র আকৃতির বুদবুদ সদৃশ এক প্রকার বায়ু থলি। এরা গ্যাস আদান-প্রদানকারী তল গঠন করে। মানুষের দুটি ফুসফুসে ৭০ কোটির বেশি অ্যালভিওলাস থাকে এবং এরা প্রায় ৭০-৯০ বর্গমিটার আয়তন তলের সৃষ্টি করে। অ্যালভিওলাসের ব্যাস ০.২ মি.মি. এবং এর প্রাচীর মাত্র ০.০০০১ মি.মি. বা ০.১ মাইক্রোমিটার পুরু। অ্যালভিওলাসের বাইরের দিকে প্রচুর পরিমাণে কৈশিক জালক নিবিড়ভাবে অবস্থান করে।

এরা পালমোনারি ধমনি থেকে উৎপন্ন হয় এবং পুনরায় মিলে পালমোনারি শিরা গঠন করে। প্রত্যেকটি অ্যালভিওলাসের প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা, চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম কোষ দ্বারা গঠিত। যার জন্য অতি সহজেই গ্যাসের ব্যাপন ঘটাতে পারে। অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে কোলাজেন ও স্থিতিস্থাপক সূত্রক থাকে।

স্থিতিস্থাপক সূত্রের জন্য নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের সময় অ্যালভিওলাস সহজেই প্রসারিত হতে পারে এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। অ্যালভিওলাস প্রাচীরে কিছু বিশেষ কোষ প্রাচীরের অন্তঃতলে ডিটারজেন্টের মতো রাসায়নিক পদার্থ ক্ষরণ করে। এ পদার্থকে সারফেকট্যান্ট বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় গ্যাসটি হলো CO2। নিচে CO2 গ্যাসের পরিবহন বিশ্লেষণ করা হলো-

শর্করা জারণের সময় কোষে CO2 সৃষ্টি হয়। এ CO2 দেহের জন্য ক্ষতিকর। কোষ থেকে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বায়ুতে মুক্ত হয়। নিচে বর্ণিত তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়।
i. ভৌত দ্রবণরূপে: প্রতি ১০০ মি.লি. রক্তে ০.৩ মি.লি. O2 ভৌত দ্রবণরূপে পরিবাহিত হয়।
ii. কার্বামিনো যৌগরূপে: CO2 লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন অংশের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে CO₂ যুক্ত করে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। CO₂ এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বামিনো প্রোটিন গঠন করে। মোট CO2-এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বামিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়।

iii. বাইকার্বোনেট যৌগরূপে: অধিকাংশ CO2-ই রক্তে বাইকার্বনেট রূপে পরিবাহিত হয় দুই ভাবে-

যথা-

১. NaHCO3 রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং

২. KHCO3 রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে

এক্ষেত্রে CO2 ব্যাপন প্রক্রিয়ার লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং কার্বনিক এনহাইড্রেজ এনজাইমের সহায়তায় পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক অ্যাসিড (H2CO3) সৃষ্টি করে। এ কার্বনিক অ্যাসিডের অধিকাংশই ভেঙে H+ এবং HCO3− আয়নে পরিণত হয়। HCO3− লোহিত কণিকার K+-এর সাথে সংযুক্ত হয়ে পটাশিয়াম বাইকার্বনেট (KHCO3) গঠন করে। কিছু HCO3− লোহিত কণিকা থেকে বের হয়ে রক্তরসে চলে আসে এবং Na+ এর সাথে সংযুক্ত হয়ে সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3) গঠন করে।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানুষের বক্ষগহ্বরের উভয়পাশে…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”