| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মানুষের চার সপ্তাহ…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

মানুষের চার সপ্তাহ বয়সের ভ্রূণে একটি অঙ্গে স্পন্দন শুরু হয় (Ref: Langman, Human Embryology) এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারাজীবন চলতে থাকে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
মানুষের রক্ত বাহিকার প্রাচীরে বিশেষ সংবেদী স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। এ সংবেদী স্নায়ু প্রান্তকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে।
Edema হলো শরীরের টিস্যুতে অতিরিক্ত তরল জমা হওয়ার একটি অবস্থা, যার ফলে শরীরের কোনো অংশে ফোলা দেখা দেয়। এটি সাধারণত ত্বকের নিচে, বিশেষ করে পায়ে, পায়ের গোড়ালিতে বা হাতে বেশি দেখা যায়। হৃদযন্ত্রের সমস্যা, কিডনির অসুখ, লিভারের অসুখ, আলসার বা ইনফেকশন, গর্ভাবস্থা, দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে বা বসে থাকা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে edema হতে পারে।
Edema হলো শরীরের টিস্যুতে অতিরিক্ত তরল জমা হওয়ার একটি অবস্থা, যার ফলে শরীরের কোনো অংশে ফোলা দেখা দেয়। এটি সাধারণত ত্বকের নিচে, বিশেষ করে পায়ে, পায়ের গোড়ালিতে বা হাতে বেশি দেখা যায়। হৃদযন্ত্রের সমস্যা, কিডনির অসুখ, লিভারের অসুখ, আলসার বা ইনফেকশন, গর্ভাবস্থা, দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে বা বসে থাকা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি কারণে edema হতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। এ অঙ্গটির দ্বারা স্বয়ংক্রিয় স্পন্দন সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে কৃত্রিম যন্ত্র অর্থাৎ কৃত্রিম পেসমেকারের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা যায়।নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
হৃৎপিণ্ডে বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হৃদস্পন্দন সম্পন্ন হয়। এ প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হলে দেহে কম্পিউটারাইজড বৈদ্যুতিক যন্ত্র তথা কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করা হয়। অসুস্থ ও দুর্বল হৃৎপিণ্ডে বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্বাভাবিক স্পন্দন হার ফিরিয়ে আনার ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বুকে বা উদরের চামড়ার নিচে পেসমেকার নামক এই ছোট যন্ত্রকে স্থাপন করা হয়। একটি লিথিয়াম ব্যাটারি, কম্পিউটারাইজড জেনারেটর ও শীর্ষে সেন্সরযুক্ত কতগুলো তার নিয়ে একটি পেসমেকার গঠিত হয়। সেন্সরগুলোকে ইলেকট্রোড বলে। ব্যাটারি জেনারেটরকে শক্তি সরবরাহ করে। এ দুটি জিনিস একটি পাতলা ধাতব বাক্সে আবৃত থাকে। তারগুলোর সাহায্যে জেনারেটরকে হৃৎপিণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ইলেকট্রোডগুলো হৃৎপিন্ডের বৈদ্যুতিক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করে তারের মাধ্যমে জেনারেটরে প্রেরণ করে। যখন পেসমেকারটি হৃদস্পন্দন খুঁজে না পায়, তখন এটি সংক্ষিপ্ত ক্ষুদ্র ভোল্টের স্পন্দন দ্বারা নিলয়কে উত্তেজিত করে গতি সঞ্চার করে। ফলে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকে।