A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মানুষের দেহে মোচাকৃতির…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ৩৩🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মানুষের দেহে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে যা চার প্রকোষ্ঠে বিভক্ত ও কপাটিকাযুক্ত এবং অঙ্গটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানুষের হৃৎপিণ্ডে অবস্থিত সাইনোঅ্যাট্রিয়াল নোড বিশেষ ধরনের কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছ দ্বারা গঠিত এবং স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃদস্পন্দন সৃষ্টি করে সেটিই হলো পেসমেকার।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লোহিত কণিকার অধিকাংশ রক্তকণিকায় প্রয়োজনীয় কোষ অঙ্গাণু থাকে না, যেমন- নিউক্লিয়াস, সেন্ট্রিওল, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি ইত্যাদি কোষাংশ নেই। শ্বেতকণিকা ও অণুচক্রিকাতেও অনেক কোষ অঙ্গাণু অনুপস্থিত থাকে। তাছাড়া রক্তকণিকাগুলো বিভাজিত হয়ে নতুন রক্তকণিকা তৈরি করতে পারে না। এগুলো মূলত অস্থিমজ্জার স্টেমকোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং ঘন সংবদ্ধ হয়ে অভিন্ন স্তর সৃষ্টির পরিবর্তে তরল মাতৃকায় ভেসে বেড়ায়। তাই রক্ত কণিকাগুলোকে রক্তকোষ বলা হয় না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লোহিত কণিকার অধিকাংশ রক্তকণিকায় প্রয়োজনীয় কোষ অঙ্গাণু থাকে না, যেমন- নিউক্লিয়াস, সেন্ট্রিওল, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি ইত্যাদি কোষাংশ নেই। শ্বেতকণিকা ও অণুচক্রিকাতেও অনেক কোষ অঙ্গাণু অনুপস্থিত থাকে। তাছাড়া রক্তকণিকাগুলো বিভাজিত হয়ে নতুন রক্তকণিকা তৈরি করতে পারে না। এগুলো মূলত অস্থিমজ্জার স্টেমকোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং ঘন সংবদ্ধ হয়ে অভিন্ন স্তর সৃষ্টির পরিবর্তে তরল মাতৃকায় ভেসে বেড়ায়। তাই রক্ত কণিকাগুলোকে রক্তকোষ বলা হয় না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিন্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণই হলো হৃৎপিণ্ডের মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ। হৃৎপিণ্ডের এ নিয়ন্ত্রণে নোড ও পেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে হৃৎপিন্ডের নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিশ্লেষণ করা হলো-

প্রকৃতপক্ষে এ নিয়ন্ত্রণ কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে সংকোচন প্রসারণ ঘটিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এদেরকে সংযোগ টিস্যুও বলে। টিস্যুগুলো হলো সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN), অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড (AVN) ও পারকিনজি তন্তু।

SA Node ডান অলিন্দের প্রাচীরে, ডান অলিন্দ ও সুপিরিয়র ভেনাক্যাভার ছিদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ডান অলিন্দে বিদ্যমান SA Node বা পেসমেকার নামক কলা থেকে সৃষ্ট উদ্দীপনা বা বৈদ্যুতিক সংকেত বা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে গিয়ে অলিন্দের সংকোচন ঘটায়। SA Node কে পেসমেকার বলা হয় কারণ প্রতিটি উত্তেজনার ঢেউ এখানেই সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তী উত্তেজনার ঢেউ সৃষ্টির উদ্দীপক হিসেবেও এটি কাজ করে।
আবার ডান অলিন্দের নিলয় প্রাচীরে বিদ্যমান AV Node কলা কর্তৃক অলিন্দের প্রাচীর থেকে হৃদ উদ্দীপনা বা ইলেকট্রিক সিগন্যাল পরোক্ষভাবে গৃহীত হয়। AV Node কে সংরক্ষিত পেসমেকার বলে। কোনো কারণে SA Node ইলেকট্রিক সিগন্যাল সৃষ্টিতে ব্যর্থ হলে AV Node তা সৃষ্টি করে। আন্তঃনিলয় প্রাচীরে অবস্থিত বান্ডেল অব হিজ কলা কর্তৃক হৃদ উদ্দীপনা বা বৈদ্যুতিক সংকেত গৃহীত হয় এবং বান্ডল অব হিজ এর ডান ও বাম শাখা বরাবর প্রবাহিত হয়ে পার্কিনজি তরু এর মাধ্যমে নিলয়ের প্রাচীরে সঞ্চারিত হয়। এতে রক্তপূর্ণ নিলয়ের সংকোচন ঘটে।
অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মানুষের দেহে মোচাকৃতির…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”