| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মানুষের মাথার খুলিতে…’ বরিশাল বোর্ড ২০২২ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

মানুষের মাথার খুলিতে মুখমণ্ডলীয় অংশে নাসাগহ্বরের দু’পাশে চার জোড়া বিশেষ গহ্বর থাকে যা বাতাসের পরিবর্তে তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে প্রদাহের সৃষ্টি করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
ডায়াফ্রাম হলো শ্বসনে অংশগ্রহণকারী একটি ঐচ্ছিক পেশি বিশিষ্ট পর্দা যা বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বরকে পৃথক করে রাখে।
মধ্যকর্ণের সংক্রমণকে ওটিটিস মিডিয়া বলে'। কানের পর্দা ও অন্তঃকর্ণের মাঝে বিদ্যমান ইউস্টিশিয়ান নালিতে ওটিটিস মিডিয়া হয়। প্রধানত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া কিংবা ছত্রাকের সংক্রমণে এ রোগ হয়। বয়স্কদের তুলনায় শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। এ রোগের কারণে সাময়িক বা দীর্ঘস্থায়ী কানে না শোনা কিংবা কানের পর্দা ফুটো হয়ে যেতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত গহ্বরগুলো হলো সাইনাস। এ গহ্বরগুলো তরলে পূর্ণ হলে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে সাইনুসাইটিস রোগের সৃষ্টি করে। অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মানবদেহে চার ধরনের সাইনাস রয়েছে। এসব সাইনাসে সৃষ্ট সাইনুসাইটিসের অবস্থানও ভিন্ন। নিচে এদের নাম, অবস্থান ও প্রদাহের ধরন উল্লেখ করা হলো :
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রদাহ বলতে সাইনাসে সৃষ্ট প্রদাহ বা সাইনুসাইটিসকে বোঝানো হয়েছে। এই প্রদাহের ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রদাহ থেকে মুক্ত থাকতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
◉ শুষ্ক, খোলামেলা এবং যথেষ্ট আলো বাতাস আছে এমন ঘরে বসবাস করা।
◉ ধূলাবালি থেকে দূরে থাকা।
◉ ঘন ঘন ঠান্ডা না লাগানো।
◉ একটু লবণ পানি নাক দিয়ে টেনে নেওয়া এবং মুখের ওপর গরম সেক দেওয়া।
◉ গরম ভাপ নেওয়া।
◉ নিওসাইনেফ্রিন ব্যবহার করা।
◉ প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক, হিস্টাসিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা।
এছাড়াও যদি রোগ এড়ানো না যায় তাহলে নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া। এ নিয়মগুলো মেনে চললে সাইনুসাইটিস থেকে মুক্ত থাকা যায়।