A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মায়ের ভাষার মান…’ নটরডেম কলেজ ২০২৫ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ২৯🏢 প্রতিষ্ঠান নটরডেম কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মায়ের ভাষার মান বাঁচাতে/প্রাণ দিল আজ যারা,

ওদের ভাষা প্রাণ পেল আজ/ওরা যে বাক্হারা।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• কবি এবং কবির মতো বহু লোক রাতিদিন ঘাতকের আস্তানায় ভূলুণ্ঠিত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'মানবিক বাগান' বলতে মানবীয় জগৎকে বোঝানো হয়েছে।
• 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও সংগ্রামী চেতনার কবিতা। এই কবিতায় স্মৃতির আবরণে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় দিনের কথা উল্লেখ করেছেন কবি। ১৯৬৯ সালে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বৈষম্যমূলক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে গণআন্দোলনন সূচিত হয়েছিল। প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। কবি রাজপথের সেই অগণিত মানুষের সচেতন গণজাগরণকে 'মানবিক বাগান' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
মানবিক বাগান বলতে কবি মনুষ্যত্ব, ন্যায় ও মঙ্গলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ জনসাধারণের জগৎকে বুঝিয়েছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার স্মৃতিকাতরতায় ভাষা আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল দিনগুলো স্মরণের দিকটিকে তুলে ধরেছে।
• বাঙালির সংগ্রামী জীবনের ইতিহাসে একুশ এক গৌরবময় অধ্যায়। এখান থেকে প্রেরণা নিয়ে প্রতিটি বাঙালি তাদের পরবর্তী সংগ্রামকে বেগবান করেছে। একুশের চেতনা এ জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে। 
• উদ্দীপকে ভাষাশহিদদের আত্মত্যাগকে প্রকাশ করা হয়েছে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার মাতৃভাষা
বাংলাকে বাঁচাতে রাজপথে রক্ত ঝরিয়েছে। মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে পৃথিবীর বুকে প্রথম কোনো জাতি জীবন দিয়েছে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত দিনগুলোকে স্মরণ করেছেন। বাংলা ভাষার জন্য সেদিন রাজপথে রক্ত দিয়েছিলেন ভাষাসৈনিকরা। এ কবিতায় কবি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকে বেগবান করার লক্ষ্যে ১৯৫২ সালের ভাষাশহিদদের সংগ্রামী জীবনকে প্রতীকী তাৎপর্য দান করেছেন। বিষয়টি উদ্দীপকের ভাষাশহিদদের সংগ্রামী জীবনের দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• হ্যাঁ, উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করেছে।
• বাঙালি জাতির ইতিহাস এই ভূখণ্ডে লড়াই করে টিকে থাকার ইতিহাস, কৈবর্ত বিদ্রোহ থেকে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, সূর্যসেনের সশস্ত্র সংগ্রাম থেকে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধ- বাঙালির বীরত্বের গৌরবগাথা।
• উদ্দীপকে মাতৃভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বাংলার দামাল ছেলেদের অকাতরে রক্ত ঢেলে দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। মায়ের ভাষার মান বাঁচাতে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি দামাল ছেলেরা। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাজপথে সংগ্রামরত অবস্থায় সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার অকাতরে শহিদ হন, যা পরবর্তী সকল আন্দোলনের প্রেরণা হয়ে ওঠে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি স্মৃতিকাতরতার আবরণে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের প্রেরণা হিসেবে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে শহিদদের প্রতীকী তাৎপর্যে উদ্ভাসিত করে। সালাম-বরকতের প্রেরণায় উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানকে স্থাপন করেন কবি।
• উদ্দীপকে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ভাষাশহিদের আত্মদানের বিষয়টিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। মায়ের ভাষার মান রক্ষায় তারা অকাতরে জীবন উৎসর্গ করেছেন। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি বায়ান্নর গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিকে ধারণ করেছেন। পতাকা হাতে সালাম-বরকতের গাঢ় উচ্চারণের আবৃত্তি উনসত্তরের গণআন্দোলনের প্রেরণা জোগায়। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মায়ের ভাষার মান…’ নটরডেম কলেজ ২০২৫ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”