A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৩৬🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসি পাগলের মাজার। মঙ্গললাভের আশায় টাকা-পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসি পাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আক্কাসের বাবার নাম মোদাব্বের মিঞা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

খাবারের কষ্টের কারণে মনে আধ্যাত্মিক শান্তি আসে না।

খোদাতা'লার ওপর প্রগাঢ় ভরসা। দিন যায় অন্য এক রঙিন কল্পনায়। কিন্তু ক্ষুধার্ত চোখ বৈরীভাবাপন্ন ব্যক্তিসুখ-উদাসীন দুনিয়ার পানে চেয়ে-চেয়ে আরো ক্ষয়ে আসে। খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে। মসজিদের বাঁধানো পুকুরপাড়ে চৌকোণ পাথরের খণ্ডটার ওপর বসে শীতল পানিতে অজু বানায়, টুপিটা খুলে তার গহ্বরে ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করে আবার পরে। কিন্তু শান্তি পায় না। মন থেকে-থেকে খাবি খায় (হিমশিম খায়), দিগন্তে ঝলকানো রোদের পানে চেয়ে চোখ পুড়ে যায় ৷

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ধর্মব্যবসায়ের দিক দিয়ে উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা বিদ্যমান।

 

 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণনায় দেখা যায়, কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ কুসংস্কার, শঠতা, প্রতারণা ও অন্ধবিশ্বাসের প্রতীক। সে মহব্বতনগর গ্রামের - অশিক্ষিত মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে ব্যবহার করে ধর্মব্যাবসা শুরু করে। তার মূল লক্ষ্য ছিল নিজের স্বার্থসিদ্ধি ও অর্থ লাভ।

 

উদ্দীপকে আমরা পীরপ্রথার স্বরূপ দেখতে পাই। পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসি পাগলের মাজার। মঙ্গললাভের আশায় টাকা-পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। 'লালসালু' উপন্যাসেও আমরা এমন ধর্মকেন্দ্রিক ব্যাবসা দেখতে পাই। মজিদ একটি পুরোন অজ্ঞাত কবরকে মোদাচ্ছের পিরের কবর বলে সেটিকে মাজারে রূপান্তর করে। এরপর থেকে গ্রামের মানুষ নানা সমস্যা নিয়ে মাজারে যায় এবং মজিদের কাছ থেকে তদবির নেয়। তারা টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিস মাজারে দান করে যায় যার পুরোটাই ভোগ করে মজিদ। যেমনটি করেছে উদ্দীপকের মাজারের খাদেম। এই ভণ্ড ধর্মব্যাবসার দিক দিয়েই উদ্দীপকের সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড উদ্দীপকে চিত্রিত খাদেমের কর্মকাণ্ডে সীমিত পরিসরে বিবৃত হয়েছে।”— মন্তব্যটি যথার্থ ।

 

‘লালসালু' উপন্যাসে দেখা যায় মহব্বতনগর গ্রামের মানুষেরা অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তারই সুযোগ গ্রহণ করে ভণ্ড, প্রতারক মজিদ। গ্রামবাসীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের ধর্মানুভূতিকে পুঁজি করে সে মাজারকেন্দ্রিক ব্যাবসা শুরু করে। এর মধ্য দিয়ে সে তার স্বার্থ : উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা পায় ।

 

'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের খ্যাতির মূলে ছিল ধর্মের অপব্যাখ্যা আর অপপ্রচার। সহজ-সরল মানুষের ধর্মানুভূতিকে কাজে লাগিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করে সে। এভাবে অল্প সময়ের মধ্যে সে অঢেল সম্পদের মালিক হয়। আলোচ্য উপন্যাসের মজিদ এবং উদ্দীপকের মাজারের খাদেম উভয়ই ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে ঠকিয়েছে। মানুষের ধর্মানুভূতিকে পুঁজি করে গড়ে, তুলেছে রমরমা পীর ব্যাবসা। শঠতা ও প্রতারণার মাধ্যমে তারা গ্রামের অশিক্ষিত সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি, “'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড উদ্দীপকে চিত্রিত খাদেমের কর্মকাণ্ডে সীমিত পরিসরে বিবৃত হয়েছে।”— মন্তব্যটি সীমিত আকারে সত্যি। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”