A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মি. আলম একজন…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মি. আলম একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। সৎ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে তার ব্যবসা দিন দিন বাড়তে থাকে। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দেন এবং শ্রমিকদের কল্যাণে একটি তহবিলও গঠন করেন। তিনি তার এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক। তিনি রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নিয়মিত কর দেন। সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যাপারেও তিনি বেশ আন্তরিক। তার এলাকায় তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মৌলিক মানবাধিকারসমূহ ঘোষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সকল অধিকার নাগরিক রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেয় সেগুলোকে রাজনৈতিক অধিকার বলা হয়।
রাজনৈতিক অধিকারগুলো সংবিধান অথবা আইন দ্বারা স্বীকৃত হয়। রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অধিকার কেবল নাগরিকরাই ভোগ করতে পারে। বিদেশিরা এ অধিকার ভোগ করতে পারে না। নির্বাচন করা ও নির্বাচিত হওয়া, স্বাধীনভাবে ভোট দান, সরকারি চাকরি লাভ, বিদেশে অবস্থানকালে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা লাভ করা এবং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা প্রভৃতি রাজনৈতিক অধিকারের উদাহরণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের মি. আলমের ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
সুশাসন আধুনিক বিশ্বে একটি গতিশীল ও চলমান সামাজিক ধারণা। সাধারণত একটি দেশের সকল স্তরের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চা বা প্রয়োগ পদ্ধতিকে সুশাসন বলে। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করে। এগুলো হলো- দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো ও অংশগ্রহণ। কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে প্রশাসনের সর্বস্তরে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত হয় সেই সাথে সমতা, ন্যায়পরায়ণতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
উদ্দীপকের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মি. আলম সততা ও দক্ষতা দিয়ে দিনদিন তার ব্যবসার উন্নতি করছেন। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দেন এবং তাদের কল্যাণে একটি তহবিলও গঠন করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একজন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে তিনি নিয়মিত কর দেন, সন্তানদের লেখাপড়া করানোর ব্যাপারে আন্তরিক, এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক। মি. আলমের উল্লিখিত কার্যাবলির কারণে এলাকায় তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। একই সাথে তিনি একজন সুনাগরিক। প্রকৃতপক্ষে কোনো রাষ্ট্রে সুনাগরিকের সংখ্যা যত বেশি হবে, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও তত বাড়বে। তাই বলা যায়, মি. আলমের মতো সুনাগরিকের ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
সাধারণত সদ্য স্বাধীন, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব লক্ষ করা যায়। ফলে নির্বাচিত সরকারের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিরোধী দলগুলো সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করে। এর ফলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় এবং আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অস্থিরতা বিরাজ করে। এই ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতি সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধক। এছাড়া অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহে জবাবদিহিতার অভাব লক্ষ করা যায়। এখানে সরকারের শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করে না।
সেইসাথে প্রশাসন কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার প্রাধান্য, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাব, আমলাদের কাজে অবাঞ্ছিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, রাজনীতিকরণ ইত্যাদি কারণে আমলারা ক্রমশ অযোগ্য ও অদক্ষ হয়ে পড়ে। ফলে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ন্যায়পরায়ণ আচরণ, নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ এবং নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকা জরুরি। কিন্তু অনেক রাষ্ট্রেই এরূপ অবস্থা বিদ্যমান নেই। উল্লিখিত এ সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ছাড়াও নিয়োগ, বদলি, পদায়ন,
সুযোগ-সুবিধা বণ্টন, সম্মান-পদবি-খেতাব প্রদান প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন সরকার বা গোষ্ঠী স্বজনপ্রীতির আশ্রয় গ্রহণ করে। ফলে যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী ব্যক্তিদের সেবা ও সহযোগিতা থেকে রাষ্ট্র তথা প্রশাসন বঞ্চিত হয়। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া অকার্যকর জাতীয় সংসদ, দারিদ্রদ্র্য, ক্ষমতার ভারসাম্যের অভাব, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার অভাব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অভাব প্রভৃতি কারণেও একটি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ব্যাহত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, বিভিন্ন কারণে কোনো দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে সরকারের সদিচ্ছা ও নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে এ সমস্যা উত্তরণ সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মি. আলম একজন…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”