A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মিঃ রহিম পেঁপের…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ২৮🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মিঃ রহিম পেঁপের রিংস্পট ও মি. করিম ধানের ব্লাইট রোগ নিয়ে গবেষণা করেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মশকীর ক্রপের ভিতরে ম্যালেরিয়া পরজীবীর পুং গ্যামিটোসাইট থেকে পুং গ্যামিট বা শুক্রানু উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো এক্সফ্লাজেলেশন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অনুজৈবিক এনজাইমের প্রভাবে অ্যামোনিয়া জারিত হয়ে নাইট্রেট উৎপাদন করে। এই প্রক্রিয়াকে নাইট্রিফিকেশন বলে। নাইট্রোমোনাস নামক ব্যাকটেরিয়া নাইট্রিফিকেশন সাহায্য করে। এই ব্যাকটেরিয়া অ্যামোনিয়াকে জারিত করে নাইট্রেট উৎপাদন করে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অণুজীবটি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া। রোগটি হলো ধানের ব্লাইট রোগ। যা খাদ্য ও জমির উর্বরতা নষ্ট করে।

ধানের পাতা ধ্বসা বা ব্লাইট বলতে গাছের ফুল, পাতা ও কান্ডের টিস্যুর ক্ষয়প্রাপ্তি, মারা বা শুকিয়ে যাওয়াকে বোঝায়। এরোগটি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম হচ্ছে Xanthomonas oryzae.  এরা গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া এবং কোনো স্পোর তৈরী করেনা।

সাধারণত ধানের ব্লাইট রোগ হলে পাতায় ভেজা, অর্ধস্বচ্ছ, লম্বা দাগের সৃষ্টি হয়। এ দাগ ক্রমশ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ্যে বৃদ্ধি পেতে থাকে। দাগগুলো হলদে বা সাদা ধূসর বর্ণের হয়। অর্ধস্বচ্ছ রস আক্রান্ত স্থান থেকে প্রবাহিত হয়। আক্রমণ বেশি হলে পাতা শুকিয়ে যায় এবং মাছটি সরে যায়। অনেকসময় ধানের শীর্ষে কোনোও ফল হয়না। আক্রান্ত গাছের অধিকাংশ ধান চিটায় পরিণত হয়। ফলে খলন ৬०% ফলন কমে যায়। এর ফলে খাদ্য নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত পরিমাণে সার প্রয়োগ এবং রোগাক্রান্ত বীজ, শস্য জমিতে পড়ে থাকার কারণে জমির উর্বরতা হ্রাস পেতে থাকে। জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের আলোকে, প্রথম রোগটি পেঁপের রিংস্পট রোগ। এর সৃষ্টিকারী এজেন্ট হচ্ছে ভাইরাস। যা মানবকল্যানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

মানবকল্যানে ভাইরাস অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে থাকে। বিজ্ঞানীগণ বিভিন্নভাবে ভাইরাসকে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। ভাইরাসের উপকারী দিক গুলো সামান্য হলেও মানবকল্যানে অপরিসীম। নিম্নে তা বর্ণনা করা হল।

উপকারিতা: 

১. প্রতিষেধক প্রস্তুতিতে: বসন্ত, পোলিও, প্লেগ, টাইফয়েড, জলাতঙ্ক প্রভৃতি রোগের টিকা বা ভ্যাক্সিন তৈরিতে ভাইরাসের বাণিজ্যিক ব্যবহার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ । 

২. জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যায়: জিনতত্ত্বীয় এবং আণবিক জীববিদ্যা বিষয়ক বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষামূলক গবেষণায় ভাইরাস ব্যবহৃত হয়।

৩. ব্যাকটেরিওয়ফায হিসেবে কিছু কিছু ভাইরাস আমাদের জন্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে আমাদের উপকার করে। 

৪। ওষুধ হিসেবে: টাইফয়েড, কলেরা, রক্ত আমাশয়, প্লেগ নামক ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের কতিপয় ফায় ভাইরাস ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৫. পোকামাকড় দমনে ভাইরাসকে কতিপয় ক্ষতিকারক ও বিপদজনক কীটপতঙ্গ দমনে ব্যবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে Nuclear polyhydrosis virus কে পতঙ্গনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৬. বিবর্তন সংক্রান্ত প্রমাণে: জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাটি হলো এই ভাইরাস, কারণ ভাইরাসে জড় এবং জীবের বৈশিষ্ট্যাবলী বর্তমান।

৭. ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে: টিউলিপ ফুলের পাপড়িতে বিভিন্ন ছাপ মূলত ভাইরাসের আক্রমণ। ছাপযুক্ত টিউলিপ ফুল সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বখ্যাত ।

৮. জৈবিক নিয়ন্ত্রণ: বর্তমানকালে জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ভাইরাসকে ব্যবহার করা হয়। অস্ট্রেলিয়াতে খরগোশ নিয়ন্ত্রণে মিক্সোভাইরাসকে ব্যবহার করা হয়।

৯. ইন্টারফেরন একটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ। 

১০. জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়।

ভাইরাস মূলত একপ্রকার রোগ সৃষ্টিকারী জীব কনা। তবে কিছু কিছু ভাইরাস বিভিন্ন জীবের কল্যাণ সাধনও করে থাকে। যা উপরের আলোচনায় যথার্থভাবে দেওয়া হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মিঃ রহিম পেঁপের…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”