A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মিনি লোহিত রক্তকণিকার…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১১তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং: ১৪🏫 বোর্ড: রাজশাহী বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মিনি লোহিত রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতাজনিত, অটোসোমাল রিসিসিভ ডিসঅর্ডার নামে পরিচিত একটি রোগে ভুগছে। বর্তমানে মিনির বাবার রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেছে; ফলে তাঁর ক্ষতস্থানটি সহজে নিরাময় হচ্ছে না।

উত্তর:

স্নায়ুকলার কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটিকে অ্যাক্সন বলে।

উত্তর:

জীবের সব দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে জিন। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট-জিন থাকে এবং কোনো ক্ষেত্রে একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিনও থাকতে পারে। নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ধারণকারী জিন পিতা-মাতা হতে বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত করে। এজন্যই জিনকে বংশগতির ধারক বলা হয়। বিভিন্ন জীবে জিনের সংখ্যা এক নয়। তবে একই প্রকৃতির জীবে তা প্রায় সবসময় একই থাকে। জিনগুলো সাধারণ নিয়মে ক্রোমোজোমের DNA অণুসূত্রের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পৃথক ও রৈখিকভাবে পরস্পর সাজানো থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকের তথ্য থেকে বলা যায় মিনির বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। চিকিৎসা দ্বারা 'ডায়াবেটিস' রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না। কিন্তু এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডায়াবেটিস কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
ডাক্তারদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি "D" মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এগুলো হলো- Discipline, Diet ও Drug। নিচে এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
১. শৃঙ্খলা (Discipline): একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া নিয়মিত ও ডাক্তারের পরামর্শমতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, রোগীর দেহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বিশেষভাবে পায়ের যত্ন নেওয়া, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা এবং দৈহিক কোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
২. খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (Diet): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা। মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ও সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের মেনু অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যায়।
৩. ঔষধ সেবন (Drug): ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে।

উত্তর:

উদ্দীপকের মিনির দেহের রোগটি হলো থ্যালাসেমিয়া, যা একটি বংশগত রোগ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত কণিকার অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগ। লোহিত রক্তকোষ দু'ধরনের প্রোটিন দিয়ে তৈরি, ৫-গ্লোবিউলিন এবং ẞ-গ্লোবিউলিন। থ্যালাসেমিয়া হয় লোহিত রক্তকোষে অবস্থিত এ দু'টি প্রোটিনের জিন নষ্টের কারণে। এ জিন দু'টি নষ্টের কারণে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত কণিকা উৎপন্ন হয়। যার ফলে রোগী জটিল রক্তশূন্যতায় ভোগে অর্থাৎ থ্যালাসেমিয়াতে আক্রান্ত হয়। জিনের প্রাপ্তির উপর নির্ভর করে থ্যালাসেমিয়াকে দু'ভাবে দেখা হয়। থ্যালাসেমিয়া মেজরের ক্ষেত্রে শিশু তার বাবা ও মা উভয় থেকে থ্যালাসেমিয়া জিন পেয়ে থাকে। আবার, থ্যালাসেমিয়া মাইনরের ক্ষেত্রে শিশু তার বাবা অথবা মায়ের কাছ থেকে থ্যালাসেমিয়া জিন পেয়ে থাকে। এ ধরনের শিশু থ্যালাসেমিয়া জিনের বাহক হিসেবে 'কাজ করে।
তাই দেখা যায় যে, গ্যামেটের মিলনের সময় জিনের মাধ্যমেই মিনির মা-বাবা থেকে থ্যালাসেমিয়ার জিন মিনির দেহে সঞ্চারিত হয়েছে। অর্থাৎ, রোগটি একটি বংশগত রোগ।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মিনি লোহিত রক্তকণিকার…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”