A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি…’ ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৫৯🏢 প্রতিষ্ঠান ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষকের প্রয়োজন, তাদের অযৌন এবং যৌন জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য একটি মেরুদন্ডী এবং অন্যটি অমেরুদন্ডী পোষকের প্রয়োজন হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিবেশিত ভাজক টিস্যু এর পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেয়া হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উপরে উল্লেখিত চক্র দুটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর (Plasmodium) অযৌন ও যৌন চক্র যার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণু জীবনচক্র সম্পন্ন করে। নিচে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অযৌন ও যৌন চক্রের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো- 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত ম্যালেরিয়া পরজীবী মেরুদন্ডী প্রাণী অর্থাৎ মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে, তা বলা হয়েছে মানুষের যকৃৎ লোহিত রক্তকণিকায় জীবাণুর অযৌন জনন ঘটে বলে মানুষকে এ জীবাণুর গৌণ বা মাধ্যমিক পোষক বলে। মানবদেহে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অযৌন জননকে সাইজোগনি বলে। সাইজোগনি দুটি পর্যায়ে' ঘটে। যথা- যকৃত বা হেপাটিক সাইজোগনি এবং লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি, হেপাটিক সাইজোগনির শুরুতে মশকীয় দংশনের ফলে লালাগ্রাস্থিতে অবস্থিত স্পোরোজয়েটগুলো মানুষের রক্তে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে স্পোরোজয়েটগুলো রক্ত স্রোতের মাধ্যমে যকৃত কোষকে আক্রমণ করে এবং বিভিন্ন পর্যায় যেমন ক্রিপ্টোজয়েট, সাইজন্ট, ক্রিপ্টোমেরোজয়েট সৃষ্টি করে। এই পর্যায়ের শেষের দিকে মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট যকৃতকোষ বিদীর্ণ করে বাইরে বের হয়ে আসে। মেটাক্রিস্টোমেরোজয়েট আকৃতিগতভাবে দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- বৃহদাকৃতির ম্যাক্রো-মেটাক্রিন্টোমেরোজয়েট। বৃহদাকৃতির ম্যাক্রো-মেটাক্রিস্টোমেরোজয়েট পুনরায় যকৃত কোষকে আক্রমণ করে আর ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো-মেটাক্রিস্টোমেরোজয়েট লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি শুরু করে। লোহিত কণিকাকে আক্রমণের পর কয়েকটি পর্যায় সম্পন্ন করে যেমন- ট্রফোজয়েট, সিগনেট রিং, অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট, সাইজন্ট, রোজেট দশা ইত্যাদি। সবশেষে মেরোজয়েটগুলো ম্যাক্রোগ্যামেটোসাইট (স্ত্রী) এর গ্যামেটোসাইটগুলো মানুষের রক্তে অবস্থান করে।
এভাবেই ম্যালেরিয়া পরজীবী মানুষের দেহে অযৌন চক্র (যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায়) সম্পন্ন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি…’ ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”