A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মজলিশপুর গ্রামের তাহের…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ৯৭🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মজলিশপুর গ্রামের তাহের আলি হঠাৎ দাবি করে যে সে স্বপ্নে এক লতা-পাতার ঔষধের সন্ধান পেয়েছে যা দ্বারা যে-কোনো রোগের চিকিৎসা সম্ভব। তার এ লতা-পাতার চিকিৎসার কথা চারিদিকে প্রচার হতে থাকে। অচিরেই আশেপাশের গ্রাম ও দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন দলে দলে তাঁর কাছে আসতে থাকে। লতা-পাতার ঔষধ বিক্রির টাকায় এক সময়ের হতদরিদ্র তাহের আলির আর্থিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হতে থাকে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'লালসালু' উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ধর্মব্যাবসায় ক্ষতির আশঙ্কা ও অস্তিত্ব সংকটের ভয়ে মজিদ আওয়ালপুরের পিরের বিরোধিতা করে।

'লালসালু' উপন্যাসে শিকড়হীন ধর্মব্যবসায়ী মজিদ মহব্বতনগর গ্রামের সরল জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে বিস্তার করে তার ধর্মব্যাবসার জাল। তবে আওয়ালপুরে কোনো জাঁদরেল পিরের আস্তানা গাড়ায় শঙ্কিত হয় মজিদ। আওয়ালপুরের পির সাহেবের আগমনে মজিদের মাজারে লোকের দান-ধ্যান কমে যায়। মজিদ তখন অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যায়। তাই অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মজিদ আওয়ালপুরের পির সাহেবের বিরোধিতা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অস্তিত্ব রক্ষায় শঠতার আশ্রয় নেওয়ার দিক থেকে উদ্দীপকের তাহের আলির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের জন্ম শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলে। জীবিকার সন্ধানে সে. গাড়ো পাহাড়ে আসে, কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হয়ে অস্তিত্ব রক্ষায় ধর্মকে আশ্রয় করে বিস্তার করে শঠতার জাল। তার মূল পুঁজি হলো মানুষের ধর্মান্ধতা। সহজ-সরল মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তার অবস্থার পরিবর্তন করতে থাকে।
উদ্দীপকের তাহের আলি হতদরিদ্র। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে বিছিয়ে দেয় প্রতারণার জাল। সে ঘোষণা করে যে, স্বপ্নাদেশে সে লতাপাতার ওষুধের সন্ধান পেয়েছে। অচিরেই দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ চিকিৎসা নিতে এলে দ্রুত আর্থিক উন্নতি হতে থাকে তার। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও মহব্বতনগরের সাধারণ মানুষের কাছে স্বপ্নাদেশে মাজার প্রতিষ্ঠার কথা জানায়। মাজারের ত্রাতা হিসেবে রাতারাতি তার অর্থ ও প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। এভাবেই অস্তিত্ব রক্ষায় শঠতার আশ্রয় নেওয়ার দিক থেকে
উদ্দীপকের তাহের আলির সঙ্গে মজিদের সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ এবং উদ্দীপকের তাহের আলির চরিত্রের আলোকে "স্বার্থপরতা ও অস্তিত্বের সংকটে পড়ে মানুষ অনেক সময় নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দেয়" মন্তব্যটি যথার্থ।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের মানুষ। অন্ন-বস্ত্রসহ মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে বেঁচে থাকা তার অঞ্চলে অসম্ভব। তাই সে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কপটতার আশ্রয় নেয়। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য মানুষ যেকোনো কিছু করতে পারে। মজিদ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য অশুভ পন্থাকেই বেছে নেয়।
উদ্দীপকের তাহের আলি হতদরিদ্র। দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে সে শঠতার পথ বেছে নেয়। গ্রামের সাধারণ মানুষকে জানায় সে স্বপ্নে লতাপাতার ওষুধের সন্ধান পেয়েছে। অতঃপর গ্রামের সাধারণ অন্ধবিশ্বাসী মানুষই তার ব্যবসায়ের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে। ওষুধ বিক্রির টাকায় সে রাতারাতি অবস্থা পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও অনুরূপ মিথ্যা ও ভণ্ডামির আশ্রয় নেয়।
'লালসালু' উপন্যাসের শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের মানুষ মজিদ। ক্ষুধার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সে স্বার্থপরতা ও শঠতার পথ বেছে নেয়। মহব্বতনগর গ্রামের কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনকে পুঁজি করে মাজারকেন্দ্রিক ধর্মব্যাবসা পরিচালনার ছক কষে। অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মজিদ নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। এজন্য সে বারবার বিবেকের দংশনের মুখোমুখি হলেও সৃষ্টিকর্তার কাছে তওবা করে নেওয়ার কথা ভাবে। উদ্দীপকের হতদরিদ্র তাহের আলিও অবস্থার উন্নতির জন্য নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মজলিশপুর গ্রামের তাহের…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”