A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উত্তর:

প্রজননের উদ্দেশ্যে পরিবর্তিত বিশেষ ধরনের বিটপকে ফুল বলে।

উত্তর:

পরাগায়নের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন প্রাণী ও পতঙ্গ ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায় যার ফলে পরাগের স্থানান্তর ঘটে। পতঙ্গ ও প্রাণীর ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ানোর একটি অন্যতম কারণ হলো ফুলের সুন্দর রঙের আকর্ষণ। ফুলের পাপড়ির বিভিন্ন সুন্দর রঙ ও আকার আকৃতির জন্য পতঙ্গ ও প্রাণীরা আকর্ষিত হয়ে ফুলে বসলে পরাগায়ন ঘটে। এভাবেই ফুলের পাপড়ি পরাগয়নে অংশগ্রহণ করে।

উত্তর:

উদ্দীপকের রেখাচিত্রে B হলো ভূণ এবং C হলো পূর্ণাঙ্গ মানব শিশু। ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনের ফলে জাইগোট উৎপন্ন হয়। কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে জাইগোট ভ্রূণে এবং ভ্রূণ পূর্ণাঙ্গ ফিটাসে বা মানব শিশুতে পরিণত হয়। নিচে ভ্রূণের বিকাশ ব্যাখ্যা করা হলো—
-  নিষেকের পর যে ডিপ্লয়েড জাইগোট কোষ সৃষ্টি হয় তা ৩৬ ঘণ্টা পর প্রথমে বিভাজিত হয়ে দু'কোষ বিশিষ্ট গঠন সৃষ্টি করে।
-  পরবর্তীতে ৭১ ঘণ্টা পর একটি বলের মতো গঠন তৈরি করে একে ব্লাস্টুলা বলে।
-  চার সপ্তাহ পরে এগুলো ভূণে রূপ নেয় এবং প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পরে ভূণের বৃদ্ধি চলতে থাকে এবং হাত ও পায়ের গঠন শুরু হয়।
-  প্রায় ৮ সপ্তাহ পরে ভ্রূণের কিছু বিকাশ ঘটে এবং অঙ্গগুলো ছোট আকারে থাকে। ভ্রূণের এ অবস্থাকে ফিটাস বলে।
-  ২৮ সপ্তাহ পরে ফিটাস পূর্ণাঙ্গতা প্রাপ্ত হয়। এরপর ৩৮ সপ্তাহ পরে পূর্ণাঙ্গ ফিটাস ভূমিষ্ট হওয়ার উপযুক্ত হয়।

উত্তর:

সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্রে স্পোরোফাইট ও গ্যামেটোফাইট নামে দুটি পর্যায় একটির পর একটি চক্রাকারে চলতে থাকে। নিচে স্পোরোফাইটের বিকাশ প্রক্রিয়া উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো-
পরাগায়নের ফলে পরিণত গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়। এরপর পরাগনালিকা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে গর্ভদণ্ড ভেদ করে ভূণথলিতে উন্মুক্ত হয়। একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে এবং অপর পুংজনন কোষটি গৌণ নিউক্লিয়াস এর সাথে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড সস্য কোষ সৃষ্টি করে। জাইগোট হলো স্পোরোফাইটের প্রথম কোষ। এর প্রথম বিভাজনে দুটি কোষ সৃষ্টি করে। পরে এর অনুপ্রস্থ বিভাজন ঘটে। জাইগোটের অনুপ্রস্থ বিভাজনে সৃষ্ট ডিম্বকরন্দ্রের দিকের কোষকে ভিত্তিকোষ এবং ভ্রূণথলির কেন্দ্রের দিকের কোষটিকে এপিক্যাল কোষ বলা হয়। এ কোষ দুটির একই সাথে বিভাজন চলতে থাকে। ধীরে ধীরে এপিক্যাল কোষটি ভূণে পরিণত হয়। একই সাথে ভিত্তিকোষ থেকে ভূণধারক গঠিত হয়। ক্রমশ বীজপত্র, ভূণমূল ও ভূণকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। পরিণত হয়ে ডিম্বকটি বীজে রূপান্তরিত হয়। এই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোরোফাইটের সৃষ্টি করে। এভাবেই নতুন স্পোরোফাইট গঠিত হয়।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”