কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা হলো এমন একটি অবস্থা যখন কেউ কোনো রঙ সঠিকভাবে চিনতে পারে না।
DNA ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান। DNA ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক। যা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বহন করে পিতামাতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়। তাই DNA কে বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি বলা হয়।
উদ্দীপকের চিত্র-C মানুষের পুং লিঙ্গকে নির্দেশ করছে। সন্তান ছেলে হবার জন্য বাবাই দায়ী। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এবং নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই ক্রোমোজোম অর্থাৎ । কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি এবং অপরটি ক্রোমোজোম অর্থাৎ । এবং উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো। তবে ক্রোমোজোম ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট। স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অন্যান্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি ক্রোমোজোম লাভ করে। অন্যদিকে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে ক্রোমোজোম লাভকরে। ডিম্বাণু পুরুষের বা ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি অথবা একটি এবং একটি ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে কন্যা আর যে শিশু একটি এবং একটি অর্থাৎ নিয়ে জন্মাবে সে হবে পুত্র।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'C' অনুযায়ী সন্তান ছেলে হওয়ার জন্য বাবাই দায়ী।
উদ্দীপকে A, B ও C দ্বারা যথাক্রমে মানুষের জননকোষ বা গ্যামেট ও জাইগোটকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে এদের মধ্যকার তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
i. চিত্র-A ও চিত্র-B মানুষের জননকোষ বা গ্যামেটকে বোঝায়, কিন্তু চিত্র-C মানুষের জাইগোট কোষকে নির্দেশ করে।
ii. চিত্র-A ও চিত্র-B হ্যাপ্লয়েড প্রকৃতির, কিন্তু চিত্র-C ডিপ্লয়েড প্রকৃতির।
iii. চিত্র-A ও চিত্র-B জনন মাতৃকোষ থেকে মিয়োসিসের মাধ্যমে তৈরি হয়, কিন্তু চিত্র-C এর উৎপত্তি চিত্র-A ও চিত্র-B এর মিলনের ফলে হয়ে থাকে।
iv. চিত্র-A মানুষের পুং ও স্ত্রী গ্যামেটকে নির্দেশ করে। আবার চিত্র-B শুধুমাত্র পুংগ্যামেটকে বোঝায়। অন্যদিকে চিত্র-C পুং জাইগোটকে বোঝায়, যেখান থেকে ছেলে সন্তানের জন্ম হবে।
