A. Nayanㅤ
A. Nayan
10 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই রসায়ন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ রসায়ন🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন🔢 সৃজনশীল নং ৬৯🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কে পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শক্তিস্তরের যেসব অঞ্চলে ইলেকট্রন থাকা বা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (90–95%) সেই অঞ্চলকে অরবিটাল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

HCl অপেক্ষা HBr অধিক সবল এসিড হওয়ার মূল কারণ হলো হ্যালোজেন পরমাণুর আকার এবং এদের হাইড্রোজেন-হ্যালাইড বন্ধন বিয়োজন শক্তি।

নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো:

  • পরমাণুর আকার ও বন্ধন দূরত্ব: পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৭ তে ক্লোরিন (Cl) এর নিচে ব্রোমিন (Br) অবস্থিত হওয়ায় Cl পরমাণুর চেয়ে Br পরমাণুর আকার বড়। ফলে H−Cl বন্ধন দূরত্বের চেয়ে H−Br বন্ধন দূরত্ব বেশি।
  • বন্ধন বিয়োজন শক্তি: আমরা জানি, বন্ধন দূরত্ব যত বেশি হয়, বন্ধনটি তত দুর্বল হয় এবং এর বন্ধন বিয়োজন শক্তি তত কমে যায়। তাই H−Cl বন্ধন অপেক্ষা H−Br বন্ধন দুর্বল।
  • প্রোটন ত্যাগের প্রবণতা: যে যৌগ জলীয় দ্রবণে যত সহজে প্রোটন (H+) ত্যাগ করতে পারে, তার এসিডিক তীব্রতা তত বেশি। যেহেতু H−Br এর বন্ধন শক্তি কম, তাই এটি HCl এর তুলনায় অনেক সহজে ভেঙে গিয়ে জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) দান করতে পারে।

এই কারণেই HCl অপেক্ষা HBr অধিক সবল বা তীব্র এসিড।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের B মৌলটি হলো সালফার (S)। কেননা এটি ৩য় পর্যায়ের 16-নং গ্রুপের মৌল। অর্থাৎ H2B যৌগটি হলো H2S। নিচে এর জ্যামিতিক গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-

H2S জ্যামিতিক গঠন : H ও S এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-

H(1):1s1S(16):1s22s22p63s23px23py13pz1

S (sp3 সংকরিত):  1s22s22p63ψ123ψ223ψ313ψ41

সংকরণ :

 

অধিক্রমণ:

অর্থাৎ, S পরমাণুর 3s ও 3p অরবিটালসমূহের sp3 সংকরণ হয়। উৎপন্ন 4-টি সংকর অরবিটাল একটি চতুস্তলকের শীর্ষবিন্দুর দিকে প্রসারিত থাকে এবং কেন্দ্রে S পরমাণুর অবস্থান। 4-টি সংকর অরবিটালের ψ12,ψ22,ψ31,ψ41 এর ১ম দুটিতে রয়েছে নিঃসঙ্গ e− যুগল যা বন্ধন সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয় না। অপর ২টি অরবিটাল ψ31 ও ψ41 এ 1-টি করে ইলেকট্রন রয়েছে। এ অরবিটাল ২টি H পরমাণুর 1s1 অরবিটালের সাথে অধিক্রমল করে ২টি H−S বন্ধন সৃষ্টি করে। ফলে H2S যৌগ গঠিত হয়। S পরমাণুর নিসঙ্গ e− জোড় থাকায় অধিক বিকর্ষণের ফলে আদর্শ বন্ধন কোণ ∠HSH,∠109.5∘ থেকে কমে ∠90∘ হয়।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের C ও E মৌল দুটি হলো ক্রোমিয়াম (Cr) ও জিঙ্ক (Zn)। Cr ও Zn দ্বারা গঠিত সালফেট যৌগদ্বয় হচ্ছে Cr2(SO4)3 এবং ZnSO4। যৌগদ্বয়ে মধ্যে Cr2(SO4)3 রঙিন। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

Cr3+ ও Zn2− এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-

Cr3+(24)→1 s22 s22p63 s23p63 d3Zn2+(30)→1 s22 s22p63 s23p63 d10

দেখা যাচ্ছে যে, Cr মৌলটি অবস্থান্তর মৌল এবং Zn মৌলটি d ব্লক মৌল হলেও অবস্থান্তর মৌল নয়। কারণ Zn2+ এর ইলেকট্রন বিন্যাসে d অরবিটালে পূর্ণ হওয়ায় তা অবস্থান্তর নয় এবং রঙিন যৌগ গঠন করে না। অন্যদিকে Cr অবস্থান্তর ধাতু বলেই এটি রঙিন যৌগ গঠন করে। Cr অবস্থান্তর মৌল হওয়ায় এর অর্ধপূর্ণ d অরবিটালে শক্তি সমান থাকে। একে ডিজেনারেট অবস্থা বলে। কিন্তু যৌগ গঠনের সময় লিগ্যান্ডের অরবিটাল Cr ধাতুর কাছাকাছি এসে শক্তির সামান্য ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী পার্থক্য ঘটে। একে নন-ডিজেনারেট অবস্থা বলে। এ অবস্থায় পাঁচটি d অরবিটাল সামান্য পৃথক শক্তিসম্পন্ন (ΔΕ) হয়ে দুটি পৃথক শক্তিস্তর eg ও t2g এ বিন্যস্ত হয়।

সুতরাং যৌগের দ্রবণে আলো পড়লে d ইলেকট্রন দৃশ্যমান অঞ্চলের আলো শোষণ করে কাছাকাছি শক্তির অপর d অরবিটাল স্থানান্তরিত হয়। ফলে অবস্থান্তর ধাতুর আয়নের দ্রবণটি ঐ নিদিষ্ট বর্ণে হয়। Cr3+ এর ক্ষেত্রে বর্ণটি বেগুনি হয়। 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে Cr রঙিন যৌগ গঠন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)”