| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
কে পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শক্তিস্তরের যেসব অঞ্চলে ইলেকট্রন থাকা বা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি () সেই অঞ্চলকে অরবিটাল বলে।
অপেক্ষা অধিক সবল এসিড হওয়ার মূল কারণ হলো হ্যালোজেন পরমাণুর আকার এবং এদের হাইড্রোজেন-হ্যালাইড বন্ধন বিয়োজন শক্তি।
নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো:
- পরমাণুর আকার ও বন্ধন দূরত্ব: পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৭ তে ক্লোরিন () এর নিচে ব্রোমিন () অবস্থিত হওয়ায় পরমাণুর চেয়ে পরমাণুর আকার বড়। ফলে বন্ধন দূরত্বের চেয়ে বন্ধন দূরত্ব বেশি।
- বন্ধন বিয়োজন শক্তি: আমরা জানি, বন্ধন দূরত্ব যত বেশি হয়, বন্ধনটি তত দুর্বল হয় এবং এর বন্ধন বিয়োজন শক্তি তত কমে যায়। তাই বন্ধন অপেক্ষা বন্ধন দুর্বল।
- প্রোটন ত্যাগের প্রবণতা: যে যৌগ জলীয় দ্রবণে যত সহজে প্রোটন () ত্যাগ করতে পারে, তার এসিডিক তীব্রতা তত বেশি। যেহেতু এর বন্ধন শক্তি কম, তাই এটি এর তুলনায় অনেক সহজে ভেঙে গিয়ে জলীয় দ্রবণে প্রোটন () দান করতে পারে।
এই কারণেই অপেক্ষা অধিক সবল বা তীব্র এসিড।
উদ্দীপকের মৌলটি হলো সালফার ()। কেননা এটি ৩য় পর্যায়ের -নং গ্রুপের মৌল। অর্থাৎ যৌগটি হলো । নিচে এর জ্যামিতিক গঠন ব্যাখ্যা করা হলো-
জ্যামিতিক গঠন : ও এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
( সংকরিত):
সংকরণ :
অধিক্রমণ:
অর্থাৎ, পরমাণুর ও অরবিটালসমূহের সংকরণ হয়। উৎপন্ন -টি সংকর অরবিটাল একটি চতুস্তলকের শীর্ষবিন্দুর দিকে প্রসারিত থাকে এবং কেন্দ্রে পরমাণুর অবস্থান। -টি সংকর অরবিটালের এর ১ম দুটিতে রয়েছে নিঃসঙ্গ যুগল যা বন্ধন সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয় না। অপর ২টি অরবিটাল ও এ -টি করে ইলেকট্রন রয়েছে। এ অরবিটাল ২টি পরমাণুর অরবিটালের সাথে অধিক্রমল করে ২টি বন্ধন সৃষ্টি করে। ফলে যৌগ গঠিত হয়। পরমাণুর নিসঙ্গ জোড় থাকায় অধিক বিকর্ষণের ফলে আদর্শ বন্ধন কোণ থেকে কমে হয়।
উদ্দীপকের ও মৌল দুটি হলো ক্রোমিয়াম () ও জিঙ্ক ()। ও দ্বারা গঠিত সালফেট যৌগদ্বয় হচ্ছে এবং । যৌগদ্বয়ে মধ্যে রঙিন। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ও এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
দেখা যাচ্ছে যে, মৌলটি অবস্থান্তর মৌল এবং মৌলটি ব্লক মৌল হলেও অবস্থান্তর মৌল নয়। কারণ এর ইলেকট্রন বিন্যাসে অরবিটালে পূর্ণ হওয়ায় তা অবস্থান্তর নয় এবং রঙিন যৌগ গঠন করে না। অন্যদিকে অবস্থান্তর ধাতু বলেই এটি রঙিন যৌগ গঠন করে। অবস্থান্তর মৌল হওয়ায় এর অর্ধপূর্ণ অরবিটালে শক্তি সমান থাকে। একে ডিজেনারেট অবস্থা বলে। কিন্তু যৌগ গঠনের সময় লিগ্যান্ডের অরবিটাল ধাতুর কাছাকাছি এসে শক্তির সামান্য ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী পার্থক্য ঘটে। একে নন-ডিজেনারেট অবস্থা বলে। এ অবস্থায় পাঁচটি অরবিটাল সামান্য পৃথক শক্তিসম্পন্ন () হয়ে দুটি পৃথক শক্তিস্তর ও এ বিন্যস্ত হয়।
সুতরাং যৌগের দ্রবণে আলো পড়লে ইলেকট্রন দৃশ্যমান অঞ্চলের আলো শোষণ করে কাছাকাছি শক্তির অপর অরবিটাল স্থানান্তরিত হয়। ফলে অবস্থান্তর ধাতুর আয়নের দ্রবণটি ঐ নিদিষ্ট বর্ণে হয়। এর ক্ষেত্রে বর্ণটি বেগুনি হয়।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে রঙিন যৌগ গঠন করে।