A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৪৭🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িং-এর মস্তকের পৃষ্ঠভাগের উভয় পাশে অবস্থিত বড়, বৃন্তহীন, বৃক্কাকার, উত্তল কালো অংশকে পুন্ঞ্জাক্ষী বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে নালিকা পথে বের হয়ে পরে উন্মুক্ত দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে এবং দেহ গহ্বর থেকে পুনরায় নালিকা পথে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে তাকে মুক্ত রক্তসংবহন বলে। মলাস্কা, পতঙ্গ, চিংড়ি ইত্যাদিতে এধরনের সংবহন দেখা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং যা Arthropoda পর্বভুক্ত। নিচে ঘাসফড়িং এর রেচন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো –

মালপিজিয়ান নালিকা হল ঘাসফড়িংয়ের রেচন অঙ্গ। এই নালিকার গোড়ার অংশ নিঃসরণ বা ক্ষরণের জন্য অভিযোজিত হয়। এবং প্রান্তীয় অংশ শোষণের জন্য অভিযোজিত হয়। মালপিজিয়ান নালিকার বদ্ধ-প্রান্তীয় অংশ দ্বারা হিমুসিলের হিমোলিম্মফ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড, পটাশিয়াম ইউরেট এবং পানি শোষিত হয়।নালিকার ভেতরে এগুলো পরিবর্তিত হয়ে পটাশিয়াম বাই কার্বনেট এবং ইউরিক এসিডে পরিণত হয়। এর গোড়ার অংশ দ্বারা পটাশিয়াম বাই কার্বনেট ও কিছু পানি পুনঃশোষিত হয়ে হিমোলিম্ফে ফিরে আসে। রেচন বর্জ্যরূপে ইউরিক এসিড পানির সাথে পৌষ্টিক নালীর গহ্বরে প্রবেশ করে। পাশ্চাত অন্ত্রের মলাশয় অধিকাংশ পানি পুনঃশোষিত হয় এবং প্রায় শক্ত ইউরিক এসিড মলের সাথে দেহ হতে নিষ্কাশিত হয়। অতএব উপযুক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে ঘাসফড়িংয়ের রেচন পদ্ধতি ভিন্ন প্রকৃতির।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে রেখাচিত্রটি বিশ্লেষণ করা হলো:

ঘাসফড়িং এর রুপান্তর আসূম্পর্ণ রুপান্তর, কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িংয়ে রুপান্তরিত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে:

ডিম --> নিম্ফ -->পূর্ণাঙ্গ প্রানী

ডিম ফুটে যে তরুন ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ বলে। বহির্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাংগ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম,অন্ততঃমুখোপাংগ,সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি,আ্যন্টেনি,পায়ু প্রভৃতি। অনুরুপভাবে,নিম্ফের জীবিনধারন,খাদ্যাভাস,খাদ্য ও বসতিও এক রকম।নিম্ফ ও। পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ পার্থক্য হচ্ছে নিম্ফে ডানা ও জননাঙ্গ থাকে না,তা ছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গে পরিস্ফুটন ঘটে দেহের আকার ও বড় হয়।

সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে সচ্ছ,ক্রমশ গাঢ় হয়। একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের এ নিম্ফ একটু বড় হলে বহিঃকঙ্কাল আটসাট হয়ে দেহবৃদ্ধি রহিত করে দেয়। তখন দেহবৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখতে পুরনো বহিঃকঙ্কাল মোচন প্রক্রিয়ায় ত্যাগ করে ২য় ধাপে নিম্ফে পরিণত হয়। পরবর্তীতে আরও ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়। দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূএপাত ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। তা ছাড়া, এদের পরিস্ফুটন দশায় কোনো বিশ্রাম দশাও নেই। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে ।উঠে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”