A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মুখ গহ্বর →…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মুখ গহ্বর → গলবিল → অন্ননালি → PQ বৃহদন্ত্র।

উত্তর:

বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত কারণে উদ্ভিদের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ক্লোরোসিস।

উত্তর:

উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় তার মধ্যে ক্যালসিয়াম (Ca) অন্যতম। ক্যালসিয়ামের অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল শীর্ষ অঞ্চল, বিশেষ করে পাতার কিনারা বরাবর অঞ্চলগুলো মরে যায়। পাতা কুঁকড়ে যায়, ফুল ফোটার সময় উদ্ভিদের কাণ্ড শুকিয়ে যায় এবং উদ্ভিদ হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে। এজন্য উদ্ভিদের পুষ্টিতে ক্যালসিয়াম প্রয়োজন।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত P অংশটি হলো পাকস্থলী। পাকস্থলীতে যেভাবে খাদ্য পরিপাক হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
খাদ্য মুখগহ্বর থেকে অন্ননালির মধ্য দিয়ে পাকস্থলীতে প্রবেশ করে। পাকস্থলীতে খাদ্য আসার পর অন্তঃপ্রাচীরের গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি থেকে গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়। এই রসগুলো খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। গ্যাস্ট্রিক রসে প্রধানত হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও পেপসিন নামক এনজাইম থাকে। হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্যে ক্ষতিকর অণুজীবকে ধ্বংস করে এবং নিষ্ক্রিয় পেপসিনকে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত করে। এই সক্রিয় পেপসিন আমিষ জাতীয় খাবারকে ভেঙে দুই বা ততোধিক অ্যামাইনো এসিড দ্বারা গঠিত যৌগ পলিপেপটাইডে রূপান্তরিত করে। পাকস্থলীতে মূলত আমিষজাতীয় খাবারই পরিপাক হয়, কিন্তু শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবার পরিপাক হয় না। কারণ শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবার পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমগুলো পাকস্থলীতে অনুপস্থিত। উপরিউক্ত এনজাইমের ক্রিয়া ছাড়াও পাকস্থলীর অনবরত সংকোচন ও প্রসারণের কারণে খাদ্য মিশ্রমণ্ডে পরিণত হয়, যা অনেকটা স্যুপের মতো। এটি পরবর্তীতে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। এভাবে পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকের 'Q' অংশটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। ক্ষুদ্রান্ত্রে বিভিন্ন এনজাইম দ্বারা খাদ্য পরিপাকে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
পাকস্থলী থেকে পাকমণ্ড ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে। এ সময় অগ্ন্যাশয় থেকে একটি ক্ষারীয় পাচকরস ডিওডেনামে আসে। এই পাচকরস খাদ্যমণ্ডের অম্লভাব প্রশমিত করে। পাচকরসের এনজাইম দ্বারা শর্করা ও আমিষ পরিপাকের কাজ চলতে থাকে এবং স্নেহ পদার্থের পরিপাক শুরু হয়।
যকৃৎ থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। এটি অম্লীয় অবস্থায় খাদ্যকে ক্ষারীয় করে পরিপাকের উপযোগী করে তোলে। পিত্ত-লবণ স্নেহপদার্থের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে পানির সাথে মিশতে সাহায্য করে। পিত্ত-লবণ পিত্তরসের অন্যতম উপাদান। লাইপেজ নামক এনজাইমের কাজ যথাযথ সম্পাদনের জন্য পিত্ত-লবণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ লবণের সংস্পর্শে স্নেহপদার্থ সাবানের ফেনার মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানায় পরিণত হয়। স্নেহবিশ্লেষক লাইপেজ এই দানাগুলোকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারলে পরিণত করে।

অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। পাকস্থলীতে আংশিক পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে অ্যামাইনো এসিড ও সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।

অ্যামাইলেজ শ্বেতসারকে সরল শর্করায় পরিণত করে।

তাই বলা যায় যে, পরিপাকতন্ত্রের ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক কার্যক্রমগুলো এনজাইমের সাহায্যে সম্পন্ন হয়।

11 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মুখ গহ্বর →…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”