A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘মুনা ও কণা…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৩৮🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

মুনা ও কণা কয়েকদিন যাবত অসুস্থ। মুনার শরীরে লাল রঙের র‍্যাশ দেখা দিয়েছে এবং রক্ত জমাট বাঁধাগ্রস্ত হয়। অপরদিকে কণার শরীরে রক্তশূন্যতা ও কাঁপুনি হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কি নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জনুক্রম হলো জীবের জীবনচক্রে ডিপ্লয়েড (2n) এবং হ্যাপ্লয়েড (n) দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তন। এই দুটি দশা একে অপরের পরিপূরক। ডিপ্লয়েড জনু মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটোফাইট তৈরি করে, যা পরবর্তীতে নিষেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার ডিপ্লয়েড স্পোরোফাইট দশায় ফিরে আসে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কণার অসুস্থতার লক্ষণগুলো বিশেষত রক্তশূন্যতা এবং কাঁপুনি ম্যালেরিয়া রোগের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে রক্তশূন্যতার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

Anopheles মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণু Plasmodium মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়। Anopheles মশকীর দংশনের মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার জীবাণু দ্বারা মানুষ প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত হয়। হেপাটিক সাইজোগনির পর যকৃত কোষ থেকে বের হওয়া জীবাণুর মেরোজয়েট দশা লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে ভেতরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তা সিগনেট রিং, অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট দশা পার করে বহু নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট সাইজন্ট দশায় পৌঁছায়। সাইজন্ট বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় মেরোজয়েট উৎপন্ন করে। এ সময় কোষে বিষাক্ত হিমোজয়েন উৎপন্ন হয়। লোহিত রক্তকণিকা ভেঙ্গে মেরোজয়েটগুলো হিমোজয়েনসহ প্লাজমায় বেরিয়ে আসে এবং বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। একই সাথে মেরোজয়েটগুলোকে ধ্বংস করার জন্য শ্বেত কণিকা অতিরিক্ত পাইরোজেন নামক বিষাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে। আর এর ফলেই মানবদেহে কম্পন দিয়ে জ্বর শুরু হয়। পরবর্তীতে মেরোজয়েটগুলো পুনরায় লোহিত কণিকাকে আক্রমণ করে তার জীবনচক্র সম্পন্ন করতে থাকে। এ চক্রই এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি। এ চক্রে মানবদেহের রক্তের লোহিত কণিকার ভাঙনের ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয় যা পরবর্তীতে মারাত্মক রূপ নিয়ে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত লক্ষণ থেকে প্রতীয়মান হয়, মুনা এবং কণা হচ্ছে যথাক্রমে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগী। ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মশা নিধন নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, তবে এটিই একমাত্র বা যথেষ্ট  সমাধান নয়। এর জন্য ব্যাপক ও বহুমুখী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। যেমন-

১. ব্যক্তিগত সুরক্ষা: মশার কামড় থেকে বাঁচতে ব্যক্তিগত সতর্কতা জরুরি। যেমন: মশারির নিচে ঘুমানো, লম্বা হাতাযুক্ত পোশাক পরা, মশা তাড়ানোর স্প্রে বা লোশন ব্যবহার করা ইত্যাদি।

২. পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা: মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে বাড়ির আশেপাশে ও পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণ করা, ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, ড্রেন ও নর্দমা সচল রাখা যাতে পানি জমে না থাকে।

৩. জনসচেতনতা ও অংশগ্রহণ: সাধারণ মানুষের মধ্যে মশাবাহিত রোগ, এর লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

৪. দ্রুত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা: আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হলে রোগের বিস্তার রোধ করা যায় এবং জটিলতা কমানো যায়।

সুতরাং, মশাবাহিত রোগের বিস্তার প্রতিরোধে মশা নিধনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুরক্ষা, পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতার মতো বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়ে সমান গুরুত্বরোপ করতে হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘মুনা ও কণা…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”