| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘মূলত প্রোটিন ও…’ চট্টগ্রাম কলেজ ২০২৪ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

মূলত প্রোটিন ও লিপিডযুক্ত স্থিতিস্থাপক একটি সজীব উপাদান যাবতীয় কোষীয় অঙ্গাণুকে সুরক্ষাসহ কোষ অভ্যন্তরে বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। এটি উদ্ভিদ কোষে জড় উপাদানে তৈরি “বেষ্টনী” দ্বারা আবদ্ধ থাকে ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দুইয়ের অধিক রাইবোসোম একটি mRNA সূত্র দ্বারা সংযুক্ত হয়ে যে গঠন তৈরি করে তাকে পলিরাইবোসোম বলে।
প্রোটোপ্লাজম (Protoplasm) হলো কোষের অভ্যন্তরের অর্ধস্বচ্ছ, আঠালো এবং জেলির ন্যায় অর্ধতরল, কলয়ডালধর্মী সব্জীব পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলে।
বিজ্ঞানী হাক্সলে (Huxley)-এর মতে প্রোটোপ্লাজম হচ্ছে জীবনের ভৌত ভিত্তি। কারণ প্রোটোপ্লাজমই কোষের তথা দেহের সকল মৌলিক জৈবিক কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। এ জন্যই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এতে (৭০% - ৯০% পানি থাকে।
উদ্দীপকে কোষপ্রাচীরের কথা বলা হয়েছে । এর গঠন দেয়া হল:
কোষ প্রাচীরকে প্রধানত তিনটি ভিন্ন স্তরে (layers) বিভক্ত দেখা যায়।
- মধ্যপর্দা:মাইটোটিক কোষ বিভাজনের টেলোফেজ) (telophasc) পর্যায়ে এর সূচনা ঘটে। সাইটোপ্লাজম থেকে আসা ফ্ল্যোগমোপ্লাস্ট (phragmoplast) এবং গলগি বডি থেকে আসা পেকটিন) জাতীয় ডেসিবলস্ (vesicles or droplets) মিলিতভাবে মধ্যপর্দা সৃষ্টি করে।
- প্রাথমিক প্রাচীর :দ্বিতীয় স্তরটি হলো প্রাথমিক প্রাচীর (primary wall)। মধ্যপর্দার দু'পাশে সেলুলোজ (cellulose), হেমিসেলুলোজ (hemicellulose) এবং গ্লাইকোপ্রোটিন (glycoprotein) ইত্যাদি জমা হয়ে একটি পাতলা স্তর (১-৩ µm পুরু) তৈরি হয়। এটিই প্রাথমিক প্রাচীর।
- সেকেন্ডারী প্রাচীর :কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান সেলুলোজ। কোনো কোনো কোষে (যেমন-ট্রাকিড, ফাইবার ইত্যাদি) প্রাথমিক প্রাচীরের অন্ততলে আর একটি স্বর তৈরি হয়। এটি সাধারণত কোষের বৃদ্ধি পূর্ণাঙ্গ হবার পর ঘটে থাকে। এ স্তরটি অধিকতর পুরু (৫-১০jum)। এতে সাধারণত সেলুলোজ এবং লিগনিন জমা হয়। এটি সেকেন্ডারি প্রাচীর (secondary wall) বা তৃতীয় স্তর। ভাজক কোষ এবং অধিক মাত্রায় বিপাকীয় অন্যান্য কোষে সেকেন্ডারি প্রাচীর তৈরি হয় না। সেকেন্ডারি প্রাচীর তিন স্তরবিশিষ্ট হয়।
উদ্দীপকের প্রথমোক্ত বাক্যে উল্লিখিত প্রোটিন ও লিপিডযুক্ত স্থিতিস্থাপক সজীব উপাদানটি হলো প্লাজমামেমব্রেন। প্লাজমামেমব্রেনের জৈবিক গুরুত্ব অনেক। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো—
কোষঝিল্লি বা প্লাজমামেমব্রেন কোষীয় সকল বস্তুকে ঘিরে রাখে । বাইরের প্রতিকূল অবস্থা থেকে কোষকে রক্ষা করে। কোষঝিল্লি কোষের আকার নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। এটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি হিসেবে কাজ করে। কোষের বাইরে থেকে ভেতরে এবং ভেতর থেকে বাইরে বিভিন্ন অণুর যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করে এ কোষঝিল্লি। কোষের বিভিন্ন প্রকার অনুভূতি প্রেরণের উৎস হিসেবেও কাজ করে এ ঝিল্লি । কোষঝিল্লি স্বয়ংক্রিয়ভাবে' এর ক্ষত নিরাময়ে সক্ষম। মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বড়ি, নিউক্লিয়ার পর্দার মতো কোষীয় অঙ্গাণু সৃষ্টিতে সাহায্য করে এ ঝিল্লি। সুতরাং কোষঝিল্লি বা প্লাজমামেমব্রেনের জৈবিক গুরুত্ব অপরিসীম।