| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নাফিসা বাগানে একটি…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নাফিসা বাগানে একটি পতঙ্গ দেখতে পায়। যা সন্ধিযুক্ত পায়ের সাহায্যে লাফ দিতে পারে এবং কয়েক জোড়া শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে শ্বসন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ২
রক্তপূর্ণ দেহগহ্বরকে হিমোসিল বলা হয়।
মৃদু বা স্তিমিত আলোতে ঘাসফড়িংয়ের চোখে কোনো দর্শনীয় বস্তুর যে প্রতিবিম্ব গঠিত হয় তাকে সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব বলে। এক্ষেত্রে একটি ওমাটিডিয়ামে দর্শনীয় বস্তুর একাধিক বিন্দু থেকে আগত আলোকরশ্মি পতিত হয়ে একটি র্যাবডোমে পৌছায় এবং সম্পূর্ণ বস্তুটির একটি অস্পষ্ট, সামগ্রিক ও ঝাপসা প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। ঘাসফড়িং এর শেষ পা জোড়ায় ফিমার লম্বা ও মাংসল হওয়ায় এটির সাহায্যে এরা লাফিয়ে চলতে পারে। এ ধরনের পা-কে স্যালটাটোরিয়াল পা বলা হয়। নিচে ঘাসফড়িংয়ের পা এর চিহ্নিত চিত্র আঁকা হলো-
উদ্দীপকের প্রাণীটির তথা ঘাসফড়িংয়ের শেষোক্ত প্রক্রিয়াটি হলো শ্বসন প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় শ্বাসরঞ্জকের কোনো ভূমিকা নেই। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
ঘাসফড়িংয়ের রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন থাকে না ফলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় রক্ত তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না। ঘাসফড়িং এর দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে জালিকার মতো ছড়িয়ে থাকা ট্রাকিয়া ও ট্রাকিওলের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ উভয় প্রক্রিয়া প্রধানত শ্বাসরন্ধ্র দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ঘাসফড়িং এর বক্ষীয় ও উদরীয় পেশির প্রসারণের ফলে দেহখণ্ডকগুলোর প্রসারণ ঘটে এবং সাথে সাথে ট্রাকিয়ার অভ্যন্তরে আয়তন বৃদ্ধি পায়। এসময় শ্বাসরন্ধ্র দিয়ে বিমুক্ত করে। এখান থেকে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দেহকোষে পৌঁছায়। দেহকোষে বিপাকের ফলে সৃষ্ট ব্যাপন পদ্ধতিতে ট্রাকিওল রসে আসে এবং সেখান থেকে ট্রাকিয়ায় প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বক্ষীয় ও উদরীয় পেশির শিথিলতার ফলে ট্রাকিয়া থেকে সমৃদ্ধ বায়ু শ্বাসরন্ধ্র দিয়ে দ্রুত বের হয়। নিঃশ্বাসের সময় খুব অল্প পরিমাণ দেহ থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়। কোষে উৎপন্ন অধিকাংশ ই রক্তের প্লাজমা দ্বারা পরিবাহিত হয়ে ব্যাপন পদ্ধতিতে দেহতল দ্বারা নিষ্ক্রান্ত হয়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে, ঘাসফড়িংয়ের শ্বসন প্রক্রিয়ায় শ্বাসরঞ্জকের ভূমিকা নেই।