A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নাহিদ ঢাকা না…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ১৯🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নাহিদ ঢাকা না গিয়েই গ্রামে বসে অনলাইনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম পূরণ করে। কিছুদিন পরে সে তার মোবাইলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও ভেন্যু সম্পর্কিত একটি এস.এম.এস পায়। অনলাইনভিত্তিক এই সেবা পেয়ে সে খুব খুশি হয়। কিন্তু তার বন্ধু রুবেল, নাহিদের মতো বিশেষ কাজে দক্ষ না হওয়ায় সে ফরম পূরণ করতে পারেনি। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থাকে সাম্য বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক জীবনে শান্তি-শৃঙ্খলা ও কল্যাণ বজায় রাখার জন্য মানুষ আইন মান্য করে ।

আইন মান্য করা নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায় । ইংরেজ দার্শনিক টমাস হব্‌স (Thomas Hobbes), জেরেমি বেন্থাম (Jeremy Bentham), জন অস্টিন (John Austin) প্রমুখ বলেন— 'মানুষ আইন মেনে চলে শাস্তির ভয়ে। কেননা আইন ভঙ্গ করলে অভিযুক্ত হতে এবং শাস্তি পেতে হয়। ইংরেজ দার্শনিক এবং চিকিৎসক জন লক (John Locke) বলেন 'যেখানে আইন থাকে না, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আইন স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবক' । তাই বলা যায়, ব্যক্তি ও সমাজজীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করে গড়ে তুলতে মানুষ আইন মান্য করে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর যে ব্যবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে তা হলো ই-গভর্নেন্স । ই-গভর্নেন্সের অনেক সুবিধা রয়েছে।

ই-গভর্নেন্স হলো শাসনকার্যে স্বচ্ছতা ও দ্রুতগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমে ডিজিটাল যন্ত্র-সরঞ্জাম তথা প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটানো। এর আওতায় সরকারের সাথে নাগরিকদের যোগাযোগ ও তথ্যের আদান-প্রদান, সহজে ও দ্রুত নাগরিকদের সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারের সাথে অন্য রাষ্ট্রের যোগাযোগ ইত্যাদি কাজ চালানো হয়। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে জনগণ ঘরে বসেই বিভিন্ন সরকারি সেবা ভোগ করছে। ই-গভর্নেন্স তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি খাতে সরকার যে সেবা দিচ্ছে তা জনগণের কাছে পৌঁছানো সহজতর হচ্ছে। বর্তমানে পরীক্ষার ফল জানা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তি ফরম পূরণ করা, ট্রেনের টিকিট কাটা, পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়া, সরকারি চাকরির আবেদন করা, কর ও পরিসেবার বিল দেওয়া, টেন্ডার জমা দেওয়া এসব কাজ মানুষ সহজেই অনলাইনে করতে পারছে।

উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, নাহিদ ঢাকা না গিয়েই গ্রামে বসে অনলাইনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম পূরণ করে। কিছুদিন পরে সে তার মোবাইলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও ভেন্যু সম্পর্কিত একটি এস.এম.এস পায়। অনলাইনভিত্তিক এই সেবা ই-গভর্নেন্সের সুফলকেই নির্দেশ করছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ব্যবস্থা হলো ই-গভর্নেন্স। উন্নয়নশীল দেশসমূহে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকে যেসব সুবিধার কথা বলা হয়েছে সেগুলো ই-গভর্নেন্স এর সুবিধা। এসব সুবিধা বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। ই- গভর্নেন্স-এর বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিম্নরূপ-

ই-গভর্নেন্সবান্ধব অবকাঠামো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ, যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা ও স্বল্পমূল্যে বিদ্যুতের ব্যবহার না করতে পারা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের বিশেষ বাধা। উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট সেবার সর্বজনীনতা, উচ্চগতি ও স্বল্পমূল্য বিদ্যমান না থাকা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের আরেকটি অন্তরায়। ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার জন্য ইংরেজি জ্ঞানসম্পন্ন ও প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় দক্ষ ও পর্যাপ্ত তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন মানবসম্পদের অভাব দেখা যায়। ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার আরেকটি বাধা হলো সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ও সমন্বয়ের অভাব। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি থাকায় অনেক মানুষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হয়। ই-গভর্নন্সে প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ থাকা অপরিহার্য। কিন্তু অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় সরকার ও জনগণের আগ্রহ ও সক্ষমতা উভয়ই কমিয়ে দেয়। এছাড়া ই-গভর্নেন্স সম্পর্কে ইতিবাচক প্রচারণার যেমন অপ্রতুলতা রয়েছে, তেমনি জনগণও সুশাসন এবং ই-গভর্নেন্স বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নয় । পরিশেষে বলা যায়, ই-গভর্নেন্স একটি যুগোপযোগী যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের সম্পর্ক দৃঢ় হয়। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে উন্নয়নশীল দেশসমূহ ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় পিছিয়ে আছে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য সরকার ও জনগণের সদিচ্ছা থাকা আবশ্যক। তাহলে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়ন অনেকাংশে সহজ হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নাহিদ ঢাকা না…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”