A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নারী দিবস উপলক্ষে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার🔢 সৃজনশীল নং ৭🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নারী দিবস উপলক্ষে নারী কর্মীরা সমান পারিশ্রমিক ও সকল কাজের সমান সুযোগ প্রভৃতি দাবিতে এক বিশাল সমাবেশ করে। এ সকল দাবি বাস্তবায়ন হলে নারী যোগ্য সম্মান পাবে এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৌরনীতি নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতানুসারে আয় ও ধনসম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়াকে বোঝায় না। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সকল মানুষ যখন কাজ করার ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ করে, তখন তাকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। অর্থাৎ অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা হচ্ছে, যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রদত্ত উদ্দীপকে নারীর কর্মের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। রাষ্ট্র ও সমাজের সকল মানুষের সমান সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকার রয়েছে। নারী- পুরুষ সকলেরই সমান পারিশ্রমিক ও কাজের সমান সুযোগের অধিকার রয়েছে। উদ্দীপকে এ অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই সমাবেশ করা হয়েছে।

উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, নারী দিবস উপলক্ষে নারীরা এক বিশাল সমাবেশ করে তাদের দাবি তুলে ধরে, যা কর্মের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকারের মত অর্থনৈতিক অধিকারসমূহকে ইঙ্গিত করে। প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের কর্মের অধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত অধিকার। ব্যক্তির যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাওয়া ও কাজ করার ক্ষমতাকে কর্মের অধিকার বলে। শ্রমিকের শ্রমের ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার একটি স্বীকৃত অধিকার। শ্রমের মান, পরিমাণ ও দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা করে শ্রমের যথার্থ মূল্য প্রদান করা উচিত। এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা উচিত নয়। সমাজের সকল নারীরই যোগ্যতানুসারে পুরুষের সমান পারিশ্রমিক ও কাজের সমান সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকার রয়েছে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে এ বিষয়ের যথাযথ প্রয়োগ লক্ষ করা যায় না। নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। আবার সমান কাজ করেও অনেক সময় নারীরা পুরুষের তুলনায় অনেক কম পারিশ্রমিক পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকেও নারীর কাজের সমান সুযোগ ও পারিশ্রমিকের তথা
অর্থনৈতিক অধিকারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত নারীর অধিকারসমূহ বাস্তবায়িত হলে সমাজে
ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
নারী দিবসের এই বিশাল সমাবেশের দাবিগুলো মূলত অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি। অর্থনৈতিক অধিকার হলো সেসব অধিকার যেগুলো অভাব-অনটন ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দিয়ে মানুষের জীবনকে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ করে তোলে। কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিকের অধিকার প্রভৃতি হলো অর্থনৈতিক অধিকার।
আমাদের সমাজে মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কর্মের বাইরে রেখে বা বঞ্চিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। নারীদের কর্মের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি প্রদান নিশ্চিত করা গেলে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদনে গতি আসবে, দেশের অর্থনীতি উন্নত হবে। অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে নারীরা দেশের সেবা করতে পারবে। এর ফলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীর মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ বাড়বে। নারী নির্যাতন ব্যাপক হারে হ্রাস পাবে। নারীদের সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন কুসংস্কার দূর হবে।
নারীর অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে নারী যোগ্য সম্মান পাবে এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে। সর্বোপরি, একটি সুশৃঙ্খল ও
ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নারী দিবস উপলক্ষে…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”